২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

গ্রীষ্মের ছুটির সামার ক্যাম্পে প্রকৃতি পাঠ

আনজুম মুনির, হাওড়া: বাড়মংরাজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে গ্রীষ্মের ছুটিতে এক অভিনব উদ্যোগ “প্রকৃতি পাঠ”। শিশুরা বিদ্যালয়ের আশে পাশে থাকা গাছপালা, জলাভূমি, বনজঙ্গলে থাকা বিভিন্ন গাছের নাম ও তাদের কাজ ফুলের নাম, ফলের নাম, বিভিন্ন পশুপাখি, কীট পতঙ্গের নাম তারা দেখলো, জানলো এবং খাতায় লিপিবদ্ধ করলো। থার্মোমিটারের সাহায্যে দেখলো ফাঁকা রাস্তাঘাট, জলাভূমি, গাছের নিচে তাপমাত্রার পার্থক্য।

এই পর্যবেক্ষণ থেকে বর্তমানে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবের কারণও তারা সক্রিয়তা ভিত্তিক অনুশীলনের মাধ্যমে বুঝলো। এই পর্যবেক্ষণে তাদের সাথী হয়ে জানতে, শিখতে সহযোগিতা করল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজদূত সামন্ত ও সহ শিক্ষক দ্বৈপায়ন দুয়ারী মহাশয়।স্কুল ছুটির পর শিশুরা এই প্রকৃতি পাঠের উপর প্রতিবেদন লিখে আনবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজদূত সামন্ত বলেন, “বর্তমান পরিবর্তিত পরিবেশ পরিস্থিতির নিরিখে পরিবেশ সুরক্ষায় পরিবেশের প্রতিটি অংশের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে, শিশু বয়স থেকেই সেটা অনুধাবন করতে পারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারাই আগামী প্রজন্মের দায়িত্বশীল নাগরিক। বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্রের সুরক্ষায় গাছ গাছালি, পশুপাখি, কীট পতঙ্গের, প্রত্যেকেরই যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে এবং তাদের বেঁচে থাকা, সুস্থ থাকা ও সঠিক সংক্ষ্যায় থাকার উপর আমাদের বেঁচে থাকা সুস্থ থাকা নির্ভর করছে, সেটাও গভীরভাবে অনুভব করতে পারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বাধিক পাঠিত

মেমারিতে মর্মান্তিক মৃত্যু ১. ৫ বছরের কন্যা সন্তানের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গ্রীষ্মের ছুটির সামার ক্যাম্পে প্রকৃতি পাঠ

আপডেট : ২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির, হাওড়া: বাড়মংরাজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে গ্রীষ্মের ছুটিতে এক অভিনব উদ্যোগ “প্রকৃতি পাঠ”। শিশুরা বিদ্যালয়ের আশে পাশে থাকা গাছপালা, জলাভূমি, বনজঙ্গলে থাকা বিভিন্ন গাছের নাম ও তাদের কাজ ফুলের নাম, ফলের নাম, বিভিন্ন পশুপাখি, কীট পতঙ্গের নাম তারা দেখলো, জানলো এবং খাতায় লিপিবদ্ধ করলো। থার্মোমিটারের সাহায্যে দেখলো ফাঁকা রাস্তাঘাট, জলাভূমি, গাছের নিচে তাপমাত্রার পার্থক্য।

এই পর্যবেক্ষণ থেকে বর্তমানে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবের কারণও তারা সক্রিয়তা ভিত্তিক অনুশীলনের মাধ্যমে বুঝলো। এই পর্যবেক্ষণে তাদের সাথী হয়ে জানতে, শিখতে সহযোগিতা করল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজদূত সামন্ত ও সহ শিক্ষক দ্বৈপায়ন দুয়ারী মহাশয়।স্কুল ছুটির পর শিশুরা এই প্রকৃতি পাঠের উপর প্রতিবেদন লিখে আনবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজদূত সামন্ত বলেন, “বর্তমান পরিবর্তিত পরিবেশ পরিস্থিতির নিরিখে পরিবেশ সুরক্ষায় পরিবেশের প্রতিটি অংশের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে, শিশু বয়স থেকেই সেটা অনুধাবন করতে পারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারাই আগামী প্রজন্মের দায়িত্বশীল নাগরিক। বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্রের সুরক্ষায় গাছ গাছালি, পশুপাখি, কীট পতঙ্গের, প্রত্যেকেরই যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে এবং তাদের বেঁচে থাকা, সুস্থ থাকা ও সঠিক সংক্ষ্যায় থাকার উপর আমাদের বেঁচে থাকা সুস্থ থাকা নির্ভর করছে, সেটাও গভীরভাবে অনুভব করতে পারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।