২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কলকাতা বিমানবন্দর নিয়ে ক্ষোভ উগ্রোলেন ইমন

আনজুম মুনির, কলকাতা: নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে কলকাতা বিমানবন্দরের ভেতরের এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন ইমন। সাফ জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করাটা এখন ‘একটা বিভীষিকা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর নেপথ্যে আসল কারণটি খোলসা করে গায়িকা লেখেন, “সবচেয়ে বড় সমস্যা হল এখানকার মহিলাদের শৌচাগারগুলো। প্রায় সবকটি লেডিস টয়লেটই অত্যন্ত নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর।” শুধু যে বিমানবন্দরের ওয়াশরুম নোংরা তা-ই নয়, সেখানকার দায়িত্বে থাকা সাফাই কর্মীদের মনোভাব নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন ইমন। তাঁর অভিযোগ, করদাতাদের টাকায় চলা এই সরকারি পরিষেবায় ন্যূনতম সৌজন্যটুকুও মেলে না।

ক্ষোভ উগরে দিয়ে ইমন আরও লেখেন, “সেখানে যে সমস্ত মহিলা কর্মীরা ডিউটিতে থাকেন, তাঁদের যদি একটু পরিষ্কার করে দিতে বলা হয়, তাঁরা উল্টে মারাত্মক বিরক্ত হন! অনেক সময় তো পরিষ্কার করে দিতেই চান না…” অর্থাৎ, হাজার হাজার টাকা খরচ করে টিকিট কাটার পর যাত্রীরা যদি ন্যূনতম পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতাটুকুও দাবি করেন, তবে সেটাই যেন অপরাধ! দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থা, বিশেষ করে রেল এবং বিমানবন্দরের পরিকাঠামো ও ট্রাফিক নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের শেষ নেই।

মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে ভিআইপি, প্রত্যেকেই করের টাকা দিয়ে টিকিট কাটার পরও এমন মৌলিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন। ইমনও তাঁর পোস্টের শেষে সেই চরম হতাশা ব্যক্ত করে লিখেছেন, “জানি না আমাদের এই দেশে ট্রেনের বা বিমানবন্দরের ওয়াশরুমগুলো কবে একটু শান্তিতে ও নির্বিঘ্নে ব্যবহার করা যাবে…”। সোশাল মিডিয়ায়, বহু নিত্যযাত্রী ইমনের সুরে সুর মিলিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরের রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিষেবার মান নিয়ে নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

“শুভেন্দু মেদিনীপুরের ছেলে ওর জন্য আমার গর্ব হয়”: মানস ভূঁইয়া

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতা বিমানবন্দর নিয়ে ক্ষোভ উগ্রোলেন ইমন

আপডেট : ২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে কলকাতা বিমানবন্দরের ভেতরের এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন ইমন। সাফ জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করাটা এখন ‘একটা বিভীষিকা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর নেপথ্যে আসল কারণটি খোলসা করে গায়িকা লেখেন, “সবচেয়ে বড় সমস্যা হল এখানকার মহিলাদের শৌচাগারগুলো। প্রায় সবকটি লেডিস টয়লেটই অত্যন্ত নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর।” শুধু যে বিমানবন্দরের ওয়াশরুম নোংরা তা-ই নয়, সেখানকার দায়িত্বে থাকা সাফাই কর্মীদের মনোভাব নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন ইমন। তাঁর অভিযোগ, করদাতাদের টাকায় চলা এই সরকারি পরিষেবায় ন্যূনতম সৌজন্যটুকুও মেলে না।

ক্ষোভ উগরে দিয়ে ইমন আরও লেখেন, “সেখানে যে সমস্ত মহিলা কর্মীরা ডিউটিতে থাকেন, তাঁদের যদি একটু পরিষ্কার করে দিতে বলা হয়, তাঁরা উল্টে মারাত্মক বিরক্ত হন! অনেক সময় তো পরিষ্কার করে দিতেই চান না…” অর্থাৎ, হাজার হাজার টাকা খরচ করে টিকিট কাটার পর যাত্রীরা যদি ন্যূনতম পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতাটুকুও দাবি করেন, তবে সেটাই যেন অপরাধ! দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থা, বিশেষ করে রেল এবং বিমানবন্দরের পরিকাঠামো ও ট্রাফিক নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের শেষ নেই।

মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে ভিআইপি, প্রত্যেকেই করের টাকা দিয়ে টিকিট কাটার পরও এমন মৌলিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন। ইমনও তাঁর পোস্টের শেষে সেই চরম হতাশা ব্যক্ত করে লিখেছেন, “জানি না আমাদের এই দেশে ট্রেনের বা বিমানবন্দরের ওয়াশরুমগুলো কবে একটু শান্তিতে ও নির্বিঘ্নে ব্যবহার করা যাবে…”। সোশাল মিডিয়ায়, বহু নিত্যযাত্রী ইমনের সুরে সুর মিলিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরের রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিষেবার মান নিয়ে নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।