২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হরমুজ প্রণালী নিয়ে এবার হয়তো একমত হতে চলেছে ইরান-আমেরিকা

নিউজ ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত এবার মনে হয় বিশ্বজুড়ে দাম কমতে চলেছে তেল ও গ্যাসের। এমন একটা ইঙ্গিত আসা শুরু করেছে। গত তিন মাস ধরে গোটা বিশ্বের সবচেয়ে আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে এটি অন্যতম। যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রেখেছিল ইরান, যার ফলে গোটা বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং হুহু করে বেড়েছে তেল-গ্যাসের দাম। তবে এবার সেই সংকটের অবসান ঘটতে চলেছে। খুব দ্রুত হরমুজ প্রণালী আবারও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে, এমনটাই জানা গিয়েছে ইরান প্রশাসন সূত্রে।

ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায় জ্বালানি সংকটে পড়েছে ভারত। কারণ দেশের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার ৮০ শতাংশই আমদানি করতে হয়, যার অধিকাংশই হরমুজ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দেশে আসে। কিন্তু মার্চ মাস থেকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে শুরু হয় জ্বালানি সংকট। তেল-গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। দফায় দফায় বাড়ছে পেট্রল-ডিজেলের দাম। মহার্ঘ হয়েছে বাণিজ্যিক গ্যাস-সিএনজিও। এহেন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিক ছন্দে ফিরলে ভারত স্বস্তির শ্বাস ফেলবে। দেশে জ্বালানি সরবরাহ আবারও আগের ছন্দে ফিরবে।

কিন্তু কবে আসবে সেই অচ্ছে দিন? রবিবার সকালেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, শান্তিচুক্তির বেশিরভাগটাই মেনে নিয়েছে ইরান। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের অবসান ঘটাতে আমেরিকাকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি তারা, এমনটাই দাবি আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক টাইমসে’র। তারপরেই মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও ঘোষণা করেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুখবর আসছে।

হাওয়ায় দুলছে লেকটাউনে মেসির মূর্তি, যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হরমুজ প্রণালী নিয়ে এবার হয়তো একমত হতে চলেছে ইরান-আমেরিকা

আপডেট : ২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত এবার মনে হয় বিশ্বজুড়ে দাম কমতে চলেছে তেল ও গ্যাসের। এমন একটা ইঙ্গিত আসা শুরু করেছে। গত তিন মাস ধরে গোটা বিশ্বের সবচেয়ে আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে এটি অন্যতম। যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রেখেছিল ইরান, যার ফলে গোটা বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং হুহু করে বেড়েছে তেল-গ্যাসের দাম। তবে এবার সেই সংকটের অবসান ঘটতে চলেছে। খুব দ্রুত হরমুজ প্রণালী আবারও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে, এমনটাই জানা গিয়েছে ইরান প্রশাসন সূত্রে।

ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায় জ্বালানি সংকটে পড়েছে ভারত। কারণ দেশের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার ৮০ শতাংশই আমদানি করতে হয়, যার অধিকাংশই হরমুজ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দেশে আসে। কিন্তু মার্চ মাস থেকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে শুরু হয় জ্বালানি সংকট। তেল-গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। দফায় দফায় বাড়ছে পেট্রল-ডিজেলের দাম। মহার্ঘ হয়েছে বাণিজ্যিক গ্যাস-সিএনজিও। এহেন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিক ছন্দে ফিরলে ভারত স্বস্তির শ্বাস ফেলবে। দেশে জ্বালানি সরবরাহ আবারও আগের ছন্দে ফিরবে।

কিন্তু কবে আসবে সেই অচ্ছে দিন? রবিবার সকালেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, শান্তিচুক্তির বেশিরভাগটাই মেনে নিয়েছে ইরান। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের অবসান ঘটাতে আমেরিকাকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি তারা, এমনটাই দাবি আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক টাইমসে’র। তারপরেই মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও ঘোষণা করেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুখবর আসছে।