২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কোর্টপাড়ায় শোকের ছায়া! না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: কোর্টপাড়ায় দুঃসংবাদ! তারাদের দেশে বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। তাঁর না ফেরার দেশে চলে যাওয়াকে ঘিরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শোকপ্রকাশ করেছেন বহু আইনজীবী। জানা গিয়েছে, বয়সজনিত সমস্যা নিয়ে তিনি ভর্তি ছিলেন তিলোত্তমার এক বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

কলকাতা হাই কোর্টের একাধিক বর্ষীয়ান আইনজীবীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ন্যাশনাল ল স্কুল অফ ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির প্রাক্তনী ফিরোজ এডুলজি। তথ্য অনুসারে, ১৯৯৭ সাল থেকে তিনি কাজ শুরু করেছেন হাই কোর্টে। প্রায় ৩০ বছরের কর্মজীবনে তিনি একাধিক বড় মামলায় সাওয়াল করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম ২০২৪ সালের আরজি কর ধর্ষণ মামলা। নির্যাতিতার পরিবারকে সুবিচার পাইয়ে দিতে তিনি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ পর্যন্ত হয়েছিলেন। এছাড়া বগটুই-কামদুনি-নিয়োগ দুর্নীতির মতো স্পর্শকাতর মামলাতেও তাঁকে সাওয়াল করতে দেখা গিয়েছিল।

পার্সি জোরাস্ট্রিয়ান সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও হিন্দুত্ব ও সনাতন ধর্ম (ব্যক্তিগত আদর্শে) নিয়ে তাঁর প্রচুর জ্ঞান ছিল। তাঁর বক্তব্যে লাগাতার উঠে আসতো সনাতন ধর্মের সুরক্ষার কথা। তিনি দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে। তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষিণবঙ্গের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সহ-সভাপতিরও।

কোর্টপাড়ায় শোকের ছায়া! না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কোর্টপাড়ায় শোকের ছায়া! না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: কোর্টপাড়ায় দুঃসংবাদ! তারাদের দেশে বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। তাঁর না ফেরার দেশে চলে যাওয়াকে ঘিরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শোকপ্রকাশ করেছেন বহু আইনজীবী। জানা গিয়েছে, বয়সজনিত সমস্যা নিয়ে তিনি ভর্তি ছিলেন তিলোত্তমার এক বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

কলকাতা হাই কোর্টের একাধিক বর্ষীয়ান আইনজীবীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ন্যাশনাল ল স্কুল অফ ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির প্রাক্তনী ফিরোজ এডুলজি। তথ্য অনুসারে, ১৯৯৭ সাল থেকে তিনি কাজ শুরু করেছেন হাই কোর্টে। প্রায় ৩০ বছরের কর্মজীবনে তিনি একাধিক বড় মামলায় সাওয়াল করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম ২০২৪ সালের আরজি কর ধর্ষণ মামলা। নির্যাতিতার পরিবারকে সুবিচার পাইয়ে দিতে তিনি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ পর্যন্ত হয়েছিলেন। এছাড়া বগটুই-কামদুনি-নিয়োগ দুর্নীতির মতো স্পর্শকাতর মামলাতেও তাঁকে সাওয়াল করতে দেখা গিয়েছিল।

পার্সি জোরাস্ট্রিয়ান সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও হিন্দুত্ব ও সনাতন ধর্ম (ব্যক্তিগত আদর্শে) নিয়ে তাঁর প্রচুর জ্ঞান ছিল। তাঁর বক্তব্যে লাগাতার উঠে আসতো সনাতন ধর্মের সুরক্ষার কথা। তিনি দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে। তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষিণবঙ্গের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সহ-সভাপতিরও।