২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

মুর্শিদাবাদের জলঙ্গী থানার ফরিদপুর অঞ্চলের শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থা উদ্যোগে বার্ষিক সাংস্কৃতি ও কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করেন

সজিবুল ইসলাম, নতুন গতি,ডোম কল: সম্ভাবনা তত্ত্বের বহু জটিল সমীকরণ পেরিয়ে পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার ঘটে। সৃষ্টির নিয়মানুসারে আবির্ভাব মানুষ সহ অন্যান্য জীবের। কিন্তু ‘শিক্ষা’ নামক আলাদিনের প্রদীপের সান্নিধ্য পেয়ে মানুষ নিজেকে উচ্চস্তরে প্রতিষ্ঠিত করে নিজবুদ্ধি ও পারদর্শিতার উপর ভিত্তি করে, পত্তন হয় নতুন যুগ ও সমাজ ব্যবস্থার। তবে, সময়ের অগ্রগতির সাথে সাথেই সবকিছু বিবর্তিত হয় বহুলাংশে। শিক্ষায় অসাম্যতার দরুন সৃষ্টি হয় এক বর্ণভেদী, ধর্মভেদী, সাম্যের আদর্শ বিরোধী সমাজ ব্যবস্থার; যেখানে অল্প কিছু মানুষের হাতে সব ক্ষমতা পুঞ্জীভূত হয়। এই অসম্যতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্বপ্ন নিয়েই প্রতিষ্ঠিত ‘শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থা’। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার সমানাধিকার। কারণ আমরা মনে করি, একমাত্র শিক্ষার সুষম বন্টনই হয়ে উঠতে পারে সমাজ বদলানোর চাবিকাঠি।
সংস্থাটির বয়স প্রায় তিন বছর, শুরুর অনেকেই বিভিন্ন কারণে আজ আমাদের সাথে যুক্ত নেই। তেমনই অনেক নতুন বন্ধু কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভরসা জুগিয়ে চলছে প্রত্যহ। এটিকে ঠিক সংস্থা না বলে প্রিয় বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তোলা একটি সংগঠন বলাই ভালো। আমাদের কাজগুলো কিছুটা অগোছালো। সীমাবদ্ধতার শিকড়ে আটকে পড়ে অনেক স্বপ্নের আকাশের বুকে বিস্তার লাভ করা হয় নি এখনও। তবুও আমরা লক্ষ্যপূরণে আশাবাদী। যাই হোক সংক্ষেপে যদি নিজেদের পরিচয় দিতে হয় ।

কংক্রিটের দেওয়ালে আবদ্ধ বিলাসিতার চাদরে মুড়ে থাকা সভ্যতার প্রাচীরের বাইরে অন্য এক ভারতবর্ষ থাকে, সেখানে দারিদ্রতা, কুসংস্কার ও অশিক্ষা নিত্যদিনের সঙ্গী। জাতপাত ও ধর্মের নামে যেখানে

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুর্শিদাবাদের জলঙ্গী থানার ফরিদপুর অঞ্চলের শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থা উদ্যোগে বার্ষিক সাংস্কৃতি ও কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করেন

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার

সজিবুল ইসলাম, নতুন গতি,ডোম কল: সম্ভাবনা তত্ত্বের বহু জটিল সমীকরণ পেরিয়ে পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার ঘটে। সৃষ্টির নিয়মানুসারে আবির্ভাব মানুষ সহ অন্যান্য জীবের। কিন্তু ‘শিক্ষা’ নামক আলাদিনের প্রদীপের সান্নিধ্য পেয়ে মানুষ নিজেকে উচ্চস্তরে প্রতিষ্ঠিত করে নিজবুদ্ধি ও পারদর্শিতার উপর ভিত্তি করে, পত্তন হয় নতুন যুগ ও সমাজ ব্যবস্থার। তবে, সময়ের অগ্রগতির সাথে সাথেই সবকিছু বিবর্তিত হয় বহুলাংশে। শিক্ষায় অসাম্যতার দরুন সৃষ্টি হয় এক বর্ণভেদী, ধর্মভেদী, সাম্যের আদর্শ বিরোধী সমাজ ব্যবস্থার; যেখানে অল্প কিছু মানুষের হাতে সব ক্ষমতা পুঞ্জীভূত হয়। এই অসম্যতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্বপ্ন নিয়েই প্রতিষ্ঠিত ‘শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থা’। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার সমানাধিকার। কারণ আমরা মনে করি, একমাত্র শিক্ষার সুষম বন্টনই হয়ে উঠতে পারে সমাজ বদলানোর চাবিকাঠি।
সংস্থাটির বয়স প্রায় তিন বছর, শুরুর অনেকেই বিভিন্ন কারণে আজ আমাদের সাথে যুক্ত নেই। তেমনই অনেক নতুন বন্ধু কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভরসা জুগিয়ে চলছে প্রত্যহ। এটিকে ঠিক সংস্থা না বলে প্রিয় বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তোলা একটি সংগঠন বলাই ভালো। আমাদের কাজগুলো কিছুটা অগোছালো। সীমাবদ্ধতার শিকড়ে আটকে পড়ে অনেক স্বপ্নের আকাশের বুকে বিস্তার লাভ করা হয় নি এখনও। তবুও আমরা লক্ষ্যপূরণে আশাবাদী। যাই হোক সংক্ষেপে যদি নিজেদের পরিচয় দিতে হয় ।

কংক্রিটের দেওয়ালে আবদ্ধ বিলাসিতার চাদরে মুড়ে থাকা সভ্যতার প্রাচীরের বাইরে অন্য এক ভারতবর্ষ থাকে, সেখানে দারিদ্রতা, কুসংস্কার ও অশিক্ষা নিত্যদিনের সঙ্গী। জাতপাত ও ধর্মের নামে যেখানে