২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

শিলিগুড়ি বিধানসভার অন্তর্গত চার নং ওয়ার্ডে মহিলা শক্তি সংঘের দূর্গাপূজার খুঁটি পূজার উদ্বোধন করলেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ

নিজস্ব সংবাদদাতা :শিলিগুড়ি বিধানসভার অন্তর্গত চার নং ওয়ার্ডে মহিলা শক্তি সংঘের দূর্গাপূজার খুঁটি পূজার উদ্বোধন করলেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। আজ তিনি অন্যান্য দের সাথে উপস্থিত ছিলেন খুটিপূজোতে। বিধায়কের সাথে সাথে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য এবং পাড়ার স্থানীয় মানুষ। উদ্বোধন সেরে বিধায়ক জানান আমাদের কাছে দূর্গাপূজোর গুরুত্ব অপরিসীম। দূর্গাপূজোতে আট থেকে আশি সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। এই পূজোর গুরুত্ব শুধুমাত্র কেবল বাঙালির কাছেই নয় সবার কাছে অপরিহার্য। সবাই শরতের কাশফুলের গন্ধে মেতে ওঠেন।আর বেশী দেরী নেই পূজোর ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি সব কষ্ট ভুলে মানুষ এই সময় যেন পূজোর আনন্দ করতে পারে। সারা বছরের রসদ পায় মানুষ এই সময় এই দূর্গাপূজোর পাচটা দিন থেকে। ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী এবং দশমী মানুষের মন অন্য জগতে চলে যায়। এখানে বড়লোক এবং গরীব বলে কেউ নেই সবাই সমান মায়ের কাছে। মা সবার জন্য আনন্দ রেখে দেন। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি সমস্ত কিছু ভুলে মানুষ যেন আনন্দে মেতে উঠতে পারে।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিলিগুড়ি বিধানসভার অন্তর্গত চার নং ওয়ার্ডে মহিলা শক্তি সংঘের দূর্গাপূজার খুঁটি পূজার উদ্বোধন করলেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ

আপডেট : ৯ অক্টোবর ২০২৩, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :শিলিগুড়ি বিধানসভার অন্তর্গত চার নং ওয়ার্ডে মহিলা শক্তি সংঘের দূর্গাপূজার খুঁটি পূজার উদ্বোধন করলেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। আজ তিনি অন্যান্য দের সাথে উপস্থিত ছিলেন খুটিপূজোতে। বিধায়কের সাথে সাথে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য এবং পাড়ার স্থানীয় মানুষ। উদ্বোধন সেরে বিধায়ক জানান আমাদের কাছে দূর্গাপূজোর গুরুত্ব অপরিসীম। দূর্গাপূজোতে আট থেকে আশি সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। এই পূজোর গুরুত্ব শুধুমাত্র কেবল বাঙালির কাছেই নয় সবার কাছে অপরিহার্য। সবাই শরতের কাশফুলের গন্ধে মেতে ওঠেন।আর বেশী দেরী নেই পূজোর ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি সব কষ্ট ভুলে মানুষ এই সময় যেন পূজোর আনন্দ করতে পারে। সারা বছরের রসদ পায় মানুষ এই সময় এই দূর্গাপূজোর পাচটা দিন থেকে। ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী এবং দশমী মানুষের মন অন্য জগতে চলে যায়। এখানে বড়লোক এবং গরীব বলে কেউ নেই সবাই সমান মায়ের কাছে। মা সবার জন্য আনন্দ রেখে দেন। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি সমস্ত কিছু ভুলে মানুষ যেন আনন্দে মেতে উঠতে পারে।