২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

এবার থেকে শহরাঞ্চলের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে পাওয়া যাবে দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কলকাতা: দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য চাহিদা বাড়াতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জানিয়েছেন এবার থেকে শহরাঞ্চলের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে পাওয়া যাবে দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য। পায়েস,দুই ,খীর সহ বিভিন্ন দুগ্ধজাত দ্রব্য বিক্রি করা হবে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন দুধের কেক তৈরি করে বিক্রি করার। দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত শিল্পে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে এই প্রচেষ্টা রাজ্য সরকারের জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

শহর অঞ্চলের ওয়ার্ড বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করা হবে বিভিন্ন দুগ্ধজাত দ্রব্য। রাজ্য সরকার জানিয়েছেন বাংলা কৃষকের কাছ থেকে আগে চার হাজার লিটার দুধ নেওয়া হতো, বর্তমানে দুধ অনেক বেশি পরিমানে নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ দুগ্ধজাত দ্রব্য দ্রব্য তৈরির প্রাণকেন্দ্র। নবদ্বীপের সরপুরিয়া, কৃষ্ণনগরের দই, জয়নগরের মোয়া, বর্ধমানের মিষ্টির গোটা দেশজুড়ে খ্যাতি রয়েছে। শহর অঞ্চলের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দুগ্ধজাত দ্রব্য বিক্রয় করা শুরু হলে এই শিল্পের প্রসার বাড়বে এ কথা বলা যেতে পারে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এবার থেকে শহরাঞ্চলের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে পাওয়া যাবে দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আপডেট : ১ জুন ২০২২, বুধবার

কলকাতা: দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য চাহিদা বাড়াতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জানিয়েছেন এবার থেকে শহরাঞ্চলের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে পাওয়া যাবে দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য। পায়েস,দুই ,খীর সহ বিভিন্ন দুগ্ধজাত দ্রব্য বিক্রি করা হবে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন দুধের কেক তৈরি করে বিক্রি করার। দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত শিল্পে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে এই প্রচেষ্টা রাজ্য সরকারের জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

শহর অঞ্চলের ওয়ার্ড বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করা হবে বিভিন্ন দুগ্ধজাত দ্রব্য। রাজ্য সরকার জানিয়েছেন বাংলা কৃষকের কাছ থেকে আগে চার হাজার লিটার দুধ নেওয়া হতো, বর্তমানে দুধ অনেক বেশি পরিমানে নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ দুগ্ধজাত দ্রব্য দ্রব্য তৈরির প্রাণকেন্দ্র। নবদ্বীপের সরপুরিয়া, কৃষ্ণনগরের দই, জয়নগরের মোয়া, বর্ধমানের মিষ্টির গোটা দেশজুড়ে খ্যাতি রয়েছে। শহর অঞ্চলের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দুগ্ধজাত দ্রব্য বিক্রয় করা শুরু হলে এই শিল্পের প্রসার বাড়বে এ কথা বলা যেতে পারে।