১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩

হাওড়া জেলা বনমহোৎসবে সম্বর্ধিত হলেন চন্দ্রনাথ বসু।

লুতুব আলি, নতুন গতি : হাওড়া জেলা বনমহোৎসবে সম্বর্ধিত হলেন চন্দ্রনাথ বসু। হাওড়ার গড় চুমুকে হাওড়া জেলা বনমহোৎসব অনুষ্ঠিত হল। আয়োজক হাওড়া জেলা বনবিভাগ ও হাওড়া জিলা পরিষদ। এই বনমহোৎসবে পৌরহিত্য করেন রাজ্য জনসাস্থ্য ও কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায়। অনুষ্ঠানের অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অরুণাভ সেন, বিধায়ক নির্মল মাজি, হাওড়ার জেলাশাসক, সভাধিপতি, সহ-সভাধিপতি, হাওড়া জেলা বন আধিকারিক, হাওড়ার বন বিভাগের রেঞ্জার সহ অন্যান্য কর্মাধ্যক্ষ গণ ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকগণ। বর্ণময় এই বন মহোৎসবকে ঘিরে কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সচেতনতার বার্তা দেয়ার জন্য পদযাত্রা, সামাজিক বৃক্ষরোপণ, অংকন প্রতিযোগিতা ও পাঁচজন পরিবেশপ্রেমী ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। হাওড়ার বিশিষ্ট সমাজসেবী, সংগঠক এবং গাছ কাকু নামে পরিচিত চন্দ্রনাথ বসুকে এই অনুষ্ঠানে সম্বর্ধিত করা হয়। সবুজায়নের বার্তা দেওয়ার জন্য চন্দ্রনাথ বসু তার যে কোন অনুষ্ঠানে চারা গাছের গোড়ায় জল ঢেলে অনুষ্ঠানের নান্দনিক সূচনা করে থাকেন। সমগ্র হাওড়া জেলায় চন্দ্রবাবু সকলের কাছে গাছ কাকু নামে পরিচিত। চন্দ্রনাথ বসু এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে প্রকৃতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সর্বোপরি নিরবিচারে গাছ কাটা বন্ধ করা উচিত। এ ব্যাপারে সরকারি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি কেউ ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক বনসৃজনের জন্য এগিয়ে আসতে হবে। এই সম্মান পেয়ে আমি অভিভূত। আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেলো। হাওড়া জেলা বনমহোৎসবের সুচারুভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বন ও ভূমির কর্মাধ্যক্ষ মানস কুমার বসু।

১ ঘন্টার মধ্যেই চুরি যাওয়া বাইক সহ চোরকে গ্রেপ্তার রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাওড়া জেলা বনমহোৎসবে সম্বর্ধিত হলেন চন্দ্রনাথ বসু।

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২৪, শুক্রবার

লুতুব আলি, নতুন গতি : হাওড়া জেলা বনমহোৎসবে সম্বর্ধিত হলেন চন্দ্রনাথ বসু। হাওড়ার গড় চুমুকে হাওড়া জেলা বনমহোৎসব অনুষ্ঠিত হল। আয়োজক হাওড়া জেলা বনবিভাগ ও হাওড়া জিলা পরিষদ। এই বনমহোৎসবে পৌরহিত্য করেন রাজ্য জনসাস্থ্য ও কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায়। অনুষ্ঠানের অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অরুণাভ সেন, বিধায়ক নির্মল মাজি, হাওড়ার জেলাশাসক, সভাধিপতি, সহ-সভাধিপতি, হাওড়া জেলা বন আধিকারিক, হাওড়ার বন বিভাগের রেঞ্জার সহ অন্যান্য কর্মাধ্যক্ষ গণ ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকগণ। বর্ণময় এই বন মহোৎসবকে ঘিরে কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সচেতনতার বার্তা দেয়ার জন্য পদযাত্রা, সামাজিক বৃক্ষরোপণ, অংকন প্রতিযোগিতা ও পাঁচজন পরিবেশপ্রেমী ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। হাওড়ার বিশিষ্ট সমাজসেবী, সংগঠক এবং গাছ কাকু নামে পরিচিত চন্দ্রনাথ বসুকে এই অনুষ্ঠানে সম্বর্ধিত করা হয়। সবুজায়নের বার্তা দেওয়ার জন্য চন্দ্রনাথ বসু তার যে কোন অনুষ্ঠানে চারা গাছের গোড়ায় জল ঢেলে অনুষ্ঠানের নান্দনিক সূচনা করে থাকেন। সমগ্র হাওড়া জেলায় চন্দ্রবাবু সকলের কাছে গাছ কাকু নামে পরিচিত। চন্দ্রনাথ বসু এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে প্রকৃতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সর্বোপরি নিরবিচারে গাছ কাটা বন্ধ করা উচিত। এ ব্যাপারে সরকারি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি কেউ ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক বনসৃজনের জন্য এগিয়ে আসতে হবে। এই সম্মান পেয়ে আমি অভিভূত। আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেলো। হাওড়া জেলা বনমহোৎসবের সুচারুভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বন ও ভূমির কর্মাধ্যক্ষ মানস কুমার বসু।