২০ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
২০ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

“এই মুহূর্তে কেমন আছে যাজাবর ” যাজাবর দের খোঁজ-খবর সন্ধানে প্রতিনিধি

গ্রামে গ্রামে ঘোরা সাপ খেলা কিম্বা মাদুলী বিক্রি করা যাজাবরেরা এঈ মূহুর্তে কেমনে

বাবলু হাসান লস্কর , দঃ ২৪ পরগনা :  “এই মুহূর্তে কেমন আছে যাজাবর ” আর এই যাজাবর দের খোঁজ-খবর সন্ধানে বার হলো আমাদের প্রতিনিধি। শীতের সময়ে ঘরের দুয়ারে দুয়ারে দেখা মেলে সাপুড়ে। সাপ খেলা কিম্বা বাত,বেদনার ওষধ নিয়ে বাইরে উঠানে দেখা মিলত । আমন ধান চাষীর বাড়িতে আসার সময় কালে তার পর দেখা মেলে , কারন ধান আসলে আর এই চাষির ঘরের গৃহবধূ কিম্বা গৃহিনী বাত ব্যাথা সারানোর ঔষধ এর বাহার তথা বাচন ভঙ্গিমা দেখে কেনার লোভ আসে তাদের। চাল কিংবা টাকা দিয়ে তারা ঔষধ কেনে আর এই মুহুর্তে তাও দেখা মিলছে না এমন এক যাজাবর এর সঙ্গে আমাদের সাক্ষাৎ তারা জানালো লকডাউন এর জন্য আমরা বাড়ির বাইরে বার হলেও খুবই কষ্টে আমাদের দিন কাটছে বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় গুলি আমরা বিচরণ করি। সাপের খেলা দেখানোর জন্য আর এই মুহূর্তে সাপের খাবার না জোগাড় করতে পারায় জঙ্গলে ছেড়ে দিতে হলো ।খাবারের ব্যবস্থা থাকলে ওদের দিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করা আমাদের মাধ্যম। তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হলো বনেতে । এই মুহূর্তে তারা রুজি-রুটির জন্য অসহায় বোধ করছেন ।

সর্বাধিক পাঠিত

কাহার সম্প্রদায়ের বেহেরাদের কাঁধে চড়ে বিসর্জনের পথে যায় স্বামী ব্রহ্মানন্দের ঘোষ বাড়ির দেবী

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“এই মুহূর্তে কেমন আছে যাজাবর ” যাজাবর দের খোঁজ-খবর সন্ধানে প্রতিনিধি

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১, শনিবার

গ্রামে গ্রামে ঘোরা সাপ খেলা কিম্বা মাদুলী বিক্রি করা যাজাবরেরা এঈ মূহুর্তে কেমনে

বাবলু হাসান লস্কর , দঃ ২৪ পরগনা :  “এই মুহূর্তে কেমন আছে যাজাবর ” আর এই যাজাবর দের খোঁজ-খবর সন্ধানে বার হলো আমাদের প্রতিনিধি। শীতের সময়ে ঘরের দুয়ারে দুয়ারে দেখা মেলে সাপুড়ে। সাপ খেলা কিম্বা বাত,বেদনার ওষধ নিয়ে বাইরে উঠানে দেখা মিলত । আমন ধান চাষীর বাড়িতে আসার সময় কালে তার পর দেখা মেলে , কারন ধান আসলে আর এই চাষির ঘরের গৃহবধূ কিম্বা গৃহিনী বাত ব্যাথা সারানোর ঔষধ এর বাহার তথা বাচন ভঙ্গিমা দেখে কেনার লোভ আসে তাদের। চাল কিংবা টাকা দিয়ে তারা ঔষধ কেনে আর এই মুহুর্তে তাও দেখা মিলছে না এমন এক যাজাবর এর সঙ্গে আমাদের সাক্ষাৎ তারা জানালো লকডাউন এর জন্য আমরা বাড়ির বাইরে বার হলেও খুবই কষ্টে আমাদের দিন কাটছে বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় গুলি আমরা বিচরণ করি। সাপের খেলা দেখানোর জন্য আর এই মুহূর্তে সাপের খাবার না জোগাড় করতে পারায় জঙ্গলে ছেড়ে দিতে হলো ।খাবারের ব্যবস্থা থাকলে ওদের দিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করা আমাদের মাধ্যম। তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হলো বনেতে । এই মুহূর্তে তারা রুজি-রুটির জন্য অসহায় বোধ করছেন ।