২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

হরিপাল ইস্ট ও হরিপাল সাউথ শিক্ষক দের ক্রিকেট ম্যাচ প্রতিযোগিতা।

সংবাদদাতা :  ২৩শে ডিসেম্বর, সোমবার শিক্ষকদের উদ্যোগে হরিপাল ইস্ট ও হরিপাল সাউথ শিক্ষক দের ক্রিকেট ম্যাচ প্রতিযোগিতা হয়। খেলায়  উৎসাহিত করতে, দুই সার্কেল  এর  পরিদর্শক দের যৌথ উদ্যোগে এই ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা ছেড়ে মোবাইল নিয়ে যখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। শিক্ষকদের  খেলা শুরু হয় এক ওভারে দুজন হেভি ওয়েট ব্যাটসম্যান ( সুকুমার ও কার্তিক দা) আউট হলো তখন মানু দা বলল বাড়ি যাবো । বললাম দাড়াও মাংস ভাত খেয়ে যাবে । তারপর মানু দা একটা আশার আলো চোখ দিয়ে বের করলো নাজমুস সাদাত আর অর্নব দার দিকে। স্কোর বোর্ড কচ্ছপ ও খরগোশের অনুপাতে এগোতে লাগলো ওদিকে মাংস ফুটছে । অর্ণব দা ( বিয়াল্লিশ ) ক্রিজ কামড়ে , অনবদ্য ডিফেন্স আর সুযোগ পেলেই তীর বেগে ছুটে রান। রান আউট থেকে নিজেকে শেষ রক্ষার্থে ব্যাট নিয়ে ডাইভ। ওদিকে নাজমুস সাদাত চার ছক্কা , এদিকে অর্নব দা রাহুল দ্রাবিড়ের মতো চূড়ান্ত বাউন্সার কে ডিফেন্ড করে পায়ের ডগায় রেখে টুক করে এক রান নিয়ে বিপক্ষ কে বুঝিয়ে দিচ্ছেন হাল ছাড়ছি না । তবে আমাদের রান তখনও অনেক বাকি। বল নেই মেরে খেলো । অর্নব দা আউট । মানু দা বললো বাড়ি যাবো ।তারপর পলাশ দা কিছু রান। ভাস্কর হরিণের মতো ছুটেও রান আউট। শেষ ব্যাটসম্যান বলতে সুব্রত দা , তখন এক ওভারে ৯ রান চাই । নাজমুস সাদাতই ভরসা । বলতে না বলতেই দর্শকের এবং বিপক্ষের মাথার উপর দিয়ে ছয় । ৪ বলে তিন চাই । বলতে বলতেই নাজমুস এর ব্যাট থেকে উইনিং স্ট্রোক এবং দুর্দান্ত চার রান । হরিপাল ইস্ট বিজয়ী ঘোষণা।

পিতা খুনে আসামি পুত্র কে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল ডায়মন্ডহারবার আদালত 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হরিপাল ইস্ট ও হরিপাল সাউথ শিক্ষক দের ক্রিকেট ম্যাচ প্রতিযোগিতা।

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার

সংবাদদাতা :  ২৩শে ডিসেম্বর, সোমবার শিক্ষকদের উদ্যোগে হরিপাল ইস্ট ও হরিপাল সাউথ শিক্ষক দের ক্রিকেট ম্যাচ প্রতিযোগিতা হয়। খেলায়  উৎসাহিত করতে, দুই সার্কেল  এর  পরিদর্শক দের যৌথ উদ্যোগে এই ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা ছেড়ে মোবাইল নিয়ে যখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। শিক্ষকদের  খেলা শুরু হয় এক ওভারে দুজন হেভি ওয়েট ব্যাটসম্যান ( সুকুমার ও কার্তিক দা) আউট হলো তখন মানু দা বলল বাড়ি যাবো । বললাম দাড়াও মাংস ভাত খেয়ে যাবে । তারপর মানু দা একটা আশার আলো চোখ দিয়ে বের করলো নাজমুস সাদাত আর অর্নব দার দিকে। স্কোর বোর্ড কচ্ছপ ও খরগোশের অনুপাতে এগোতে লাগলো ওদিকে মাংস ফুটছে । অর্ণব দা ( বিয়াল্লিশ ) ক্রিজ কামড়ে , অনবদ্য ডিফেন্স আর সুযোগ পেলেই তীর বেগে ছুটে রান। রান আউট থেকে নিজেকে শেষ রক্ষার্থে ব্যাট নিয়ে ডাইভ। ওদিকে নাজমুস সাদাত চার ছক্কা , এদিকে অর্নব দা রাহুল দ্রাবিড়ের মতো চূড়ান্ত বাউন্সার কে ডিফেন্ড করে পায়ের ডগায় রেখে টুক করে এক রান নিয়ে বিপক্ষ কে বুঝিয়ে দিচ্ছেন হাল ছাড়ছি না । তবে আমাদের রান তখনও অনেক বাকি। বল নেই মেরে খেলো । অর্নব দা আউট । মানু দা বললো বাড়ি যাবো ।তারপর পলাশ দা কিছু রান। ভাস্কর হরিণের মতো ছুটেও রান আউট। শেষ ব্যাটসম্যান বলতে সুব্রত দা , তখন এক ওভারে ৯ রান চাই । নাজমুস সাদাতই ভরসা । বলতে না বলতেই দর্শকের এবং বিপক্ষের মাথার উপর দিয়ে ছয় । ৪ বলে তিন চাই । বলতে বলতেই নাজমুস এর ব্যাট থেকে উইনিং স্ট্রোক এবং দুর্দান্ত চার রান । হরিপাল ইস্ট বিজয়ী ঘোষণা।