১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩

খাস কলকাতায় গুপ্তধনের সন্ধান মিলেছে কয়েক যুগ আগের রুপোর মুদ্রার সন্ধান মেলায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে

নিজস্ব সংবাদদাতা : খাস কলকাতায় গুপ্তধনের সন্ধান মিলেছে। কয়েক যুগ আগের রুপোর মুদ্রার সন্ধান মেলায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। আর এই গুপ্তধন মিলেছে কলকাতা নগর দায়রা আদালত থেকে। সিন্দুকে রাখা রুপোর মুদ্রাগুলি দেখে ‘মোহর মোহর’ বলে চিৎকার করে উঠেছিলেন একজন। পরীক্ষা করে দেখা যায় সেগুলি রুপোর মুদ্রা। সংখ্যায় ২২টি। এই রুপোর মুদ্রাগুলি ইংরেজ আমলের। যুগ যুগ ধরে বন্ধ হয়ে পড়েছিল সিন্দুকে। গুপ্তধন উদ্ধারের খবরে ব্যাঙ্কশাল আদালত চত্বরে হইচই পড়ে যায়।বিষয়টি ঠিক কী ঘটেছে?‌ এই গুপ্তধনের গল্প বইয়ে লেখা থাকে। এমনকী খননকার্যের সময় অনেক সময় মাটির নীচ থেকে এমন বহুমূল্য সম্পদের দেখা মিলেছে। সেই গুপ্তধন এবার কলকাতায়! তাই কুঠুরি খুঁজে দেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারক সিদ্ধার্থ কাঞ্জিলাল। ব্যাঙ্কশাল কোর্টের রেকর্ড রুমের ভিতর রহস্যময় একটা সিন্দুক। তার চাবিও নিরুদ্দেশ।তারপর ঠিক কী ঘটল?‌ বিচারকের নির্দেশ পেয়ে সিন্দুক খোলার প্রশিক্ষিত কর্মীদের নিয়ে সদলবলে ঢুকলেন আদালতের রেজিস্ট্রার কৌশিক কুণ্ডু। অনেক চেষ্টার ফলে খুলল সিন্দুক। ভিতরে অতি গোপন আরও একটা কুঠুরি। সেখানে সুদৃশ্য দুটি বাক্স। বাক্স দুটি খুলতেই মোট ২২টি রুপোর মুদ্রা বেরিয়ে এল। এগুলির মূল্য ঐতিহাসিক।কী জানা যাচ্ছে মুদ্রাগুলি সম্পর্কে?‌ জানা গিয়েছে, এই মুদ্রাগুলি ১০ থেকে ১৫ কোটি পর্যন্ত দাম হতে পারে। মুদ্রার সঙ্গে মিলেছে ছ’টি বিভিন্ন সাইজের সিলমোহর। মুদ্রাগুলি ১৯৩১ সালের। এগুলি গালা দিয়ে সিল করে রাখা হয়েছে। আদালতের মুখ্য বিচারক সিদ্ধার্থ কাঞ্জিলাল দুষ্পাপ্য ঐতিহাসিক দ্রব্যগুলি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে সুরক্ষিত রাখতে বলেছেন। মানুষকে দেখার সুযোগ করে দিতে সংগ্রহশালা তৈরি করে সেখানে রাখা হবে সেগুলি।

১ ঘন্টার মধ্যেই চুরি যাওয়া বাইক সহ চোরকে গ্রেপ্তার রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খাস কলকাতায় গুপ্তধনের সন্ধান মিলেছে কয়েক যুগ আগের রুপোর মুদ্রার সন্ধান মেলায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে

আপডেট : ২৩ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : খাস কলকাতায় গুপ্তধনের সন্ধান মিলেছে। কয়েক যুগ আগের রুপোর মুদ্রার সন্ধান মেলায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। আর এই গুপ্তধন মিলেছে কলকাতা নগর দায়রা আদালত থেকে। সিন্দুকে রাখা রুপোর মুদ্রাগুলি দেখে ‘মোহর মোহর’ বলে চিৎকার করে উঠেছিলেন একজন। পরীক্ষা করে দেখা যায় সেগুলি রুপোর মুদ্রা। সংখ্যায় ২২টি। এই রুপোর মুদ্রাগুলি ইংরেজ আমলের। যুগ যুগ ধরে বন্ধ হয়ে পড়েছিল সিন্দুকে। গুপ্তধন উদ্ধারের খবরে ব্যাঙ্কশাল আদালত চত্বরে হইচই পড়ে যায়।বিষয়টি ঠিক কী ঘটেছে?‌ এই গুপ্তধনের গল্প বইয়ে লেখা থাকে। এমনকী খননকার্যের সময় অনেক সময় মাটির নীচ থেকে এমন বহুমূল্য সম্পদের দেখা মিলেছে। সেই গুপ্তধন এবার কলকাতায়! তাই কুঠুরি খুঁজে দেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারক সিদ্ধার্থ কাঞ্জিলাল। ব্যাঙ্কশাল কোর্টের রেকর্ড রুমের ভিতর রহস্যময় একটা সিন্দুক। তার চাবিও নিরুদ্দেশ।তারপর ঠিক কী ঘটল?‌ বিচারকের নির্দেশ পেয়ে সিন্দুক খোলার প্রশিক্ষিত কর্মীদের নিয়ে সদলবলে ঢুকলেন আদালতের রেজিস্ট্রার কৌশিক কুণ্ডু। অনেক চেষ্টার ফলে খুলল সিন্দুক। ভিতরে অতি গোপন আরও একটা কুঠুরি। সেখানে সুদৃশ্য দুটি বাক্স। বাক্স দুটি খুলতেই মোট ২২টি রুপোর মুদ্রা বেরিয়ে এল। এগুলির মূল্য ঐতিহাসিক।কী জানা যাচ্ছে মুদ্রাগুলি সম্পর্কে?‌ জানা গিয়েছে, এই মুদ্রাগুলি ১০ থেকে ১৫ কোটি পর্যন্ত দাম হতে পারে। মুদ্রার সঙ্গে মিলেছে ছ’টি বিভিন্ন সাইজের সিলমোহর। মুদ্রাগুলি ১৯৩১ সালের। এগুলি গালা দিয়ে সিল করে রাখা হয়েছে। আদালতের মুখ্য বিচারক সিদ্ধার্থ কাঞ্জিলাল দুষ্পাপ্য ঐতিহাসিক দ্রব্যগুলি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে সুরক্ষিত রাখতে বলেছেন। মানুষকে দেখার সুযোগ করে দিতে সংগ্রহশালা তৈরি করে সেখানে রাখা হবে সেগুলি।