১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর জন্য কি দায়ী মোদি সরকার? ক্ষোভ উগরে দিয়ে কি বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: কিংবদন্তি গায়িকার মৃত্যুর জন্য কি মোদি সরকারকে দায়ী করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

কোচবিহারের সভা থেকে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করে তিনি বলেন “অনেক দিয়েছেন। কিন্তু জীবনে কিছুই পাননি। মানুষের ভালবাসা একটা পদ্মশ্রীতে হয় না। কিন্তু ওনার অনেক আগে আরও বড় সম্মান পাওয়ার ছিল। শেষ বয়সে ধাক্কা খেলেন। চরম অপমানিত বোধ করেছেন। আমার কিছু বলার ভাষা নেই। আমি শোকাহত।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আজ শিল্পী কবীর সুমন তাঁর ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আক্রমণ করেন মোদি সরকারকে। তাঁর বক্তব্য “হিন্দি হিন্দুত্ব হিন্দিয়াবাদীরা সফল। বাংলার সুরসম্রাজ্ঞীকে অপমান করে তাড়ানো গ্যাছে।”

উল্লেখ্য, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সন্ধ্যা মুখোপ্যাধ্যায়কে ফোনে যোগাযোগ করে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করার কথা বলা হয়েছিল। অভিমান-অপমানে প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। এই ঘটনার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন গায়িকা। ভরতি করা হয় হাসপাতালে।

ওয়াকিবহাল মহলের দাবি পদ্মশ্রী নিয়ে যে অপমান করা হয়েছে, তা মেনে নিতে পারেননি তিনি আর সেই কারণেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর মঙ্গলবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন গীতশ্রী।

সর্বাধিক পাঠিত

১ ঘন্টার মধ্যেই চুরি যাওয়া বাইক সহ চোরকে গ্রেপ্তার রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর জন্য কি দায়ী মোদি সরকার? ক্ষোভ উগরে দিয়ে কি বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২, বুধবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: কিংবদন্তি গায়িকার মৃত্যুর জন্য কি মোদি সরকারকে দায়ী করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

কোচবিহারের সভা থেকে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করে তিনি বলেন “অনেক দিয়েছেন। কিন্তু জীবনে কিছুই পাননি। মানুষের ভালবাসা একটা পদ্মশ্রীতে হয় না। কিন্তু ওনার অনেক আগে আরও বড় সম্মান পাওয়ার ছিল। শেষ বয়সে ধাক্কা খেলেন। চরম অপমানিত বোধ করেছেন। আমার কিছু বলার ভাষা নেই। আমি শোকাহত।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আজ শিল্পী কবীর সুমন তাঁর ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আক্রমণ করেন মোদি সরকারকে। তাঁর বক্তব্য “হিন্দি হিন্দুত্ব হিন্দিয়াবাদীরা সফল। বাংলার সুরসম্রাজ্ঞীকে অপমান করে তাড়ানো গ্যাছে।”

উল্লেখ্য, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সন্ধ্যা মুখোপ্যাধ্যায়কে ফোনে যোগাযোগ করে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করার কথা বলা হয়েছিল। অভিমান-অপমানে প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। এই ঘটনার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন গায়িকা। ভরতি করা হয় হাসপাতালে।

ওয়াকিবহাল মহলের দাবি পদ্মশ্রী নিয়ে যে অপমান করা হয়েছে, তা মেনে নিতে পারেননি তিনি আর সেই কারণেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর মঙ্গলবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন গীতশ্রী।