২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

চার বছরের দলিত পড়ুয়াকে ধর্ষণ! রাজস্থানের বেসরকারি স্কুল ভাঙচুর বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর

নিজস্ব সংবাদদাতা : উজ্জয়িনীর ধর্ষণ কাণ্ডে উত্তপ্ত গোটা দেশ। তার মধ্যেই চার বছরের দলিত পড়ুয়াকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজস্থানের  একটি বেসরকারি স্কুলে ভাঙচুর। অভিভাবকদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষককে আড়াল করার চেষ্টা করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পর শিক্ষককে হেফাজতে নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। আসরে নেমেছে শিশু সুরক্ষা কমিশন।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রবি ভাগোরিয়া। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২২ সেপ্টেম্বর স্কুলের পড়ুয়া চার বছরের দলিত শিশুকে ধর্ষণ করেন তিনি। রক্তাক্ত শিশু বাড়ি ফিরলে তাঁর মা স্কুলে এসে এই বিষয়ে প্রতিবাদ দেখান। তিনি অভিযোগ করেছেন, ধর্ষণের ঘটনা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল। তিনি দাবি করেন, কোনওভাবে কেটে গিয়ে রক্তপাত হচ্ছিল শিশুর। ধর্ষণের ঘটনা নয়।এর পরে একদল বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী স্কুলে ঢুকে পড়েন। স্কুল চত্বরে ভাঙচুর চালান তাঁরা। স্কুলের আসবাবপত্র বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। হেনস্তা করা হয় স্কুলের ম্যানেজারকে। পরিস্থিতির চাপে জনতার হাত থেকে বাঁচতে স্কুলভবনের কাছের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। এই ঘটনার পরে শিক্ষককে হেফাজতে নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। অন্যদিকে আসরে নেমেছে রাজস্থানের শিশু সুরক্ষা কমিশন। জেলা শিক্ষা আধিকারিক এবং পুলিশকে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব করেছে তারা।

 

 

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চার বছরের দলিত পড়ুয়াকে ধর্ষণ! রাজস্থানের বেসরকারি স্কুল ভাঙচুর বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর

আপডেট : ১ অক্টোবর ২০২৩, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : উজ্জয়িনীর ধর্ষণ কাণ্ডে উত্তপ্ত গোটা দেশ। তার মধ্যেই চার বছরের দলিত পড়ুয়াকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজস্থানের  একটি বেসরকারি স্কুলে ভাঙচুর। অভিভাবকদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষককে আড়াল করার চেষ্টা করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পর শিক্ষককে হেফাজতে নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। আসরে নেমেছে শিশু সুরক্ষা কমিশন।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রবি ভাগোরিয়া। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২২ সেপ্টেম্বর স্কুলের পড়ুয়া চার বছরের দলিত শিশুকে ধর্ষণ করেন তিনি। রক্তাক্ত শিশু বাড়ি ফিরলে তাঁর মা স্কুলে এসে এই বিষয়ে প্রতিবাদ দেখান। তিনি অভিযোগ করেছেন, ধর্ষণের ঘটনা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল। তিনি দাবি করেন, কোনওভাবে কেটে গিয়ে রক্তপাত হচ্ছিল শিশুর। ধর্ষণের ঘটনা নয়।এর পরে একদল বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী স্কুলে ঢুকে পড়েন। স্কুল চত্বরে ভাঙচুর চালান তাঁরা। স্কুলের আসবাবপত্র বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। হেনস্তা করা হয় স্কুলের ম্যানেজারকে। পরিস্থিতির চাপে জনতার হাত থেকে বাঁচতে স্কুলভবনের কাছের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। এই ঘটনার পরে শিক্ষককে হেফাজতে নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। অন্যদিকে আসরে নেমেছে রাজস্থানের শিশু সুরক্ষা কমিশন। জেলা শিক্ষা আধিকারিক এবং পুলিশকে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব করেছে তারা।