২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

রাজনগর পাওয়ার হাউস সংলগ্ন জঙ্গলে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন

 

 

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

রাজনগর পাওয়ার হাউস সংলগ্ন জঙ্গলে শনিবার বিকেল প্রায় চারটা নাগাদ হঠাৎই আগুন লাগে। রাজনগরের রেঞ্জার কুদরতে খোদা এই খবর পাওয়া মাত্র বিষয়টি রাজনগরের বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তীকে জানান। রাজনগরের বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তী , জয়েন্ট বিডিও আবুল কালাম আজাদ সহ রাজনগর ব্লকের স্টাফ এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তী সঙ্গে সঙ্গে দমকল বাহিনীকে খবর দিলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। সময় মত আগুন নেভানো সম্ভব না হলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো বললে অনুমান করা হচ্ছে। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তী জানান সে সময় ব্লকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং চলছিল, সে সময়েই রেঞ্জার খবর দেন রাজনগর ডাকবাংলা সংলগ্ন পাওয়ার হাউস এর পাশের জঙ্গলে ভয়াবহ আগুন লেগেছে এবং সময় অতিবাহিত হলে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এ খবর পাওয়া মাত্র আমি প্রথমে দমকল বাহিনীকে খবর দিই এবং মিটিং ছেড়ে সমস্ত স্টাফ এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এর কর্মীরা তড়িঘড়ি সেখানে উপস্থিত হই। সেখানে গিয়ে দেখা যায় এক বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। জঙ্গলের বহু গাছ মুহূর্তেই ঝলসে যাচ্ছে, এরকম পরিস্থিতিতে আমাদের সমস্ত স্টাফরা প্রাথমিকভাবে আপ্রাণ চেষ্টা করে আগুন নেভাবার এবং বেশ কিছুটা আয়ত্বের মধ্যে এনে ফেলে। এর মধ্যেই দমকল বাহিনীর ইঞ্জিনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং আগুন নিভিয়ে ফেলে। বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তী জানান আগুন কিভাবে লেগেছে তা জানা যায়নি। যেভাবেই হোক আগুন কেউ লাগিয়েছে এবং এ বিষয়ে আমাদের সকলকে যথেষ্ট সচেতন থাকা দরকার। কারণ দিন দিন যেভাবে তাপপ্রবাহ বেড়ে চলেছে এবং এর মূলত কারন হল গাছ নিধন করা। বিশ্ব উষ্ণায়নের যুগে গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে দিন দিন বাড়ছে তারপর প্রবাহ। এই পরিস্থিতিতে জনসাধারণের সচেতনতার অভাবের জন্য যদি এভাবে গাছপালা পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়, সেটা খুবই ভয়ংকর বিষয়।

রাজনগরের জয়েন্ট বিডিও আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন আমরা যেমন সমাজে বাস করি, তেমনি ছোট ছোট কিট-পতঙ্গ থেকে শুরু করে পশুপাখিরা জঙ্গলে বাস করে। জঙ্গল যদি এভাবে নষ্ট হতে থাকে তাহলে প্রাণীকুলের অস্তিত্ব আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাবে। আমাদের সকলের উচিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। শুধু জঙ্গল নয় কোনভাবেই কোথাও যেন আগুন না লাগে, এ বিষয়ে আমাদের সকলকে সচেতন থাকা দরকার।

তৃণমূলের আমলে পাশ হওয়া নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারত তৈরি আপাতত বন্ধ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজনগর পাওয়ার হাউস সংলগ্ন জঙ্গলে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৪, শনিবার

 

 

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

রাজনগর পাওয়ার হাউস সংলগ্ন জঙ্গলে শনিবার বিকেল প্রায় চারটা নাগাদ হঠাৎই আগুন লাগে। রাজনগরের রেঞ্জার কুদরতে খোদা এই খবর পাওয়া মাত্র বিষয়টি রাজনগরের বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তীকে জানান। রাজনগরের বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তী , জয়েন্ট বিডিও আবুল কালাম আজাদ সহ রাজনগর ব্লকের স্টাফ এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তী সঙ্গে সঙ্গে দমকল বাহিনীকে খবর দিলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। সময় মত আগুন নেভানো সম্ভব না হলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো বললে অনুমান করা হচ্ছে। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তী জানান সে সময় ব্লকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং চলছিল, সে সময়েই রেঞ্জার খবর দেন রাজনগর ডাকবাংলা সংলগ্ন পাওয়ার হাউস এর পাশের জঙ্গলে ভয়াবহ আগুন লেগেছে এবং সময় অতিবাহিত হলে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এ খবর পাওয়া মাত্র আমি প্রথমে দমকল বাহিনীকে খবর দিই এবং মিটিং ছেড়ে সমস্ত স্টাফ এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এর কর্মীরা তড়িঘড়ি সেখানে উপস্থিত হই। সেখানে গিয়ে দেখা যায় এক বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। জঙ্গলের বহু গাছ মুহূর্তেই ঝলসে যাচ্ছে, এরকম পরিস্থিতিতে আমাদের সমস্ত স্টাফরা প্রাথমিকভাবে আপ্রাণ চেষ্টা করে আগুন নেভাবার এবং বেশ কিছুটা আয়ত্বের মধ্যে এনে ফেলে। এর মধ্যেই দমকল বাহিনীর ইঞ্জিনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং আগুন নিভিয়ে ফেলে। বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তী জানান আগুন কিভাবে লেগেছে তা জানা যায়নি। যেভাবেই হোক আগুন কেউ লাগিয়েছে এবং এ বিষয়ে আমাদের সকলকে যথেষ্ট সচেতন থাকা দরকার। কারণ দিন দিন যেভাবে তাপপ্রবাহ বেড়ে চলেছে এবং এর মূলত কারন হল গাছ নিধন করা। বিশ্ব উষ্ণায়নের যুগে গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে দিন দিন বাড়ছে তারপর প্রবাহ। এই পরিস্থিতিতে জনসাধারণের সচেতনতার অভাবের জন্য যদি এভাবে গাছপালা পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়, সেটা খুবই ভয়ংকর বিষয়।

রাজনগরের জয়েন্ট বিডিও আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন আমরা যেমন সমাজে বাস করি, তেমনি ছোট ছোট কিট-পতঙ্গ থেকে শুরু করে পশুপাখিরা জঙ্গলে বাস করে। জঙ্গল যদি এভাবে নষ্ট হতে থাকে তাহলে প্রাণীকুলের অস্তিত্ব আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাবে। আমাদের সকলের উচিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। শুধু জঙ্গল নয় কোনভাবেই কোথাও যেন আগুন না লাগে, এ বিষয়ে আমাদের সকলকে সচেতন থাকা দরকার।