২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

ফ্লাটে আগুন লেগে মৃত্যু মা ও ছেলের, আগুন লাগা ঘিরে ঘনিয়েছে রহস্য

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২, মঙ্গলবার
  • 6

কোচবিহার: কোচবিহারের নিউ কদমতলা এলাকায় বহুতল আবাসনের পাঁচতলায় আগুন লেগে মৃত্যু হল মা এবং ছেলের। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন সুপ্রিয়া সরকার এবং তাঁর ছেলে সুজয় সরকার।

আগুন এবং ধোঁয়া দেখে দমকলে খবর দেন এলাকার বাসিন্দারা। কোল্যাপসিবল গেটে তালা দেওয়া থাকায় তারা ঢুকতে পারেননি। তালা ভেঙে ফ্ল্যাটের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা। ঘরের ভিতর থেকে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করা হয়। কোচবিহার কোতোয়ালি থানায় খবর দেওয়ায় পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অগ্নিকাণ্ডের জেরেই মা এবং ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তবে কিভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে রহস্য ঘনিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শুভজিৎ বণিক জানান ‘‘সুজয় কর্মসূত্রে পটনায় থাকতেন। সেখানেই থাকতেন সুপ্রিয়াও। ওঁরা মাঝে মাঝে এখানে আসতেন। চার-পাঁচ দিন আগে ওঁরা এখানে এসেছিলেন। তার মধ্যেই আজ সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটল।’’

দমকলের আধিকারিক ভাস্কর রায় জানান ‘‘আমরা গেটের তালা ভেঙে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। ঘরের ভিতর ধোঁয়া থাকায় কারণে আগুন নেভাতে সমস্যা হয়। ঘরের মধ্যে থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় দু’জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। আগুন কী ভাবে লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফ্লাটে আগুন লেগে মৃত্যু মা ও ছেলের, আগুন লাগা ঘিরে ঘনিয়েছে রহস্য

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২, মঙ্গলবার

কোচবিহার: কোচবিহারের নিউ কদমতলা এলাকায় বহুতল আবাসনের পাঁচতলায় আগুন লেগে মৃত্যু হল মা এবং ছেলের। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন সুপ্রিয়া সরকার এবং তাঁর ছেলে সুজয় সরকার।

আগুন এবং ধোঁয়া দেখে দমকলে খবর দেন এলাকার বাসিন্দারা। কোল্যাপসিবল গেটে তালা দেওয়া থাকায় তারা ঢুকতে পারেননি। তালা ভেঙে ফ্ল্যাটের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা। ঘরের ভিতর থেকে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করা হয়। কোচবিহার কোতোয়ালি থানায় খবর দেওয়ায় পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অগ্নিকাণ্ডের জেরেই মা এবং ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তবে কিভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে রহস্য ঘনিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শুভজিৎ বণিক জানান ‘‘সুজয় কর্মসূত্রে পটনায় থাকতেন। সেখানেই থাকতেন সুপ্রিয়াও। ওঁরা মাঝে মাঝে এখানে আসতেন। চার-পাঁচ দিন আগে ওঁরা এখানে এসেছিলেন। তার মধ্যেই আজ সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটল।’’

দমকলের আধিকারিক ভাস্কর রায় জানান ‘‘আমরা গেটের তালা ভেঙে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। ঘরের ভিতর ধোঁয়া থাকায় কারণে আগুন নেভাতে সমস্যা হয়। ঘরের মধ্যে থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় দু’জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। আগুন কী ভাবে লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’