২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্তরপ্রদেশের আওলনার বিজেপি সাংসদ ধর্মেন্দ্র কাশ্যপের বিরুদ্ধে এফআইআর

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের আওলনার বিজেপি সাংসদ ধর্মেন্দ্র কাশ্যপের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। এছাড়াও এফআইআরে নাম রয়েছে সাংসদের দুই সঙ্গীরও। উত্তরাখণ্ডের যজ্ঞেশ্বর মন্দিরের পুরহিত ও কমিটির সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে উঠেছে শাসক দলের এই সাসংদের বিরুদ্ধে।

আলমোড়ার রেভিনিউ সাব-ইন্সপেক্টর গোপাল সিং বিশ্ট জানিয়েছেন, গত ৩১ জুলাই দুপুর সাড়ে তিনটের সময় যোগেশ্বর মন্দিরে প্রবেশ করেন বিজেপি সাংসদ ধর্মেন্দ্র কাশ্যপ। সঙ্গে ছিলেন তাঁর দুই সঙ্গী। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়’টা বেজে গেলেও ওই বিজেপি সাসংদ ও তাঁর সঙ্গীরা মন্দিরেই ছিলেন বলে অভিযোগ। যোগেশ্বর মন্দিরের দরজা সন্ধ্যা ছয়’টায় ভক্তদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। সাংসদকে বার বার এক পুরহিত মন্দির ছাড়ার কথা বললেও তিনি শোনেননি। উল্টে, এনিয়ে মন্দির কমিটির সদস্যদের সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। পুরহিত ও মন্দির কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সে অভব্য আচরণ করে বলেও অভিযোগ।

এরপরই বিজেপি সাংসদ ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে মন্দির কমিটির লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতেই ধর্মেন্দ্র কাশ্যপের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় এফআইআর হয়েছে। পুলিশ গোটা ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

এপ্রসঙ্গে উত্তরাখণ্ডের কংগ্রেস সভাপতি গণেশ গোদিয়াল উত্তরপ্রদেশের সাংসদের বিরুদ্ধে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন। সাংসদ পদ খারিজের দাবি তুলেছেন।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

উত্তরপ্রদেশের আওলনার বিজেপি সাংসদ ধর্মেন্দ্র কাশ্যপের বিরুদ্ধে এফআইআর

আপডেট : ২ অগাস্ট ২০২১, সোমবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের আওলনার বিজেপি সাংসদ ধর্মেন্দ্র কাশ্যপের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। এছাড়াও এফআইআরে নাম রয়েছে সাংসদের দুই সঙ্গীরও। উত্তরাখণ্ডের যজ্ঞেশ্বর মন্দিরের পুরহিত ও কমিটির সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে উঠেছে শাসক দলের এই সাসংদের বিরুদ্ধে।

আলমোড়ার রেভিনিউ সাব-ইন্সপেক্টর গোপাল সিং বিশ্ট জানিয়েছেন, গত ৩১ জুলাই দুপুর সাড়ে তিনটের সময় যোগেশ্বর মন্দিরে প্রবেশ করেন বিজেপি সাংসদ ধর্মেন্দ্র কাশ্যপ। সঙ্গে ছিলেন তাঁর দুই সঙ্গী। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়’টা বেজে গেলেও ওই বিজেপি সাসংদ ও তাঁর সঙ্গীরা মন্দিরেই ছিলেন বলে অভিযোগ। যোগেশ্বর মন্দিরের দরজা সন্ধ্যা ছয়’টায় ভক্তদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। সাংসদকে বার বার এক পুরহিত মন্দির ছাড়ার কথা বললেও তিনি শোনেননি। উল্টে, এনিয়ে মন্দির কমিটির সদস্যদের সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। পুরহিত ও মন্দির কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সে অভব্য আচরণ করে বলেও অভিযোগ।

এরপরই বিজেপি সাংসদ ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে মন্দির কমিটির লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতেই ধর্মেন্দ্র কাশ্যপের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় এফআইআর হয়েছে। পুলিশ গোটা ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

এপ্রসঙ্গে উত্তরাখণ্ডের কংগ্রেস সভাপতি গণেশ গোদিয়াল উত্তরপ্রদেশের সাংসদের বিরুদ্ধে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন। সাংসদ পদ খারিজের দাবি তুলেছেন।