২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

অবশেষে গ্রেফতার নরেন্দ্রপুরের ডাকাতির মাস্টারমাইন্ড দীপা

সামিম আহমেদ, নতুন গতি, নরেন্দ্রপুর: অবশেষে গ্রেফতার হলো মূল অভিযুক্ত ২২ বছরের তরুণী দীপা মজুমদার। গত রবিবার গভীর রাতে ৬ জনের এক ডাকাত দল হানা দেয় নরেন্দ্রপুরের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে। তিনজনের পরনে ছিল সাধারন পোশাক ও বাকি তিনজনের পরনে ছিল পুলিশের পোশাক। গৃহকর্তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তারা নগদে ৭০ হাজার টাকা, সোনা ও রুপোর গয়না ডাকাতি করে। এদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে পাড়ার লোকজন জড় হলে ডাকাতের দল গুলি পালিয়ে যায়।

তাদের পিছন ধাওয়া করে একজনকে ধরে ফেলে পাড়ার লোকজন, অন্যদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। ধৃতকে জিজ্ঞাসা করে পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত আরো চারজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতরা হলো, রেজাউল সেখ, মামুন সেখ, সবুজ সেখ ও দিপু। ধৃতদের মধ্যে প্রথম তিনজন যোগেশগঞ্জের বাসিন্দা, তাদেরকে জিজ্ঞাসা বাদ করে পুলিশ জানতে পারে এই ডাকাতের ঘটনায় মূল অভিযুক্তের নাম দীপা মজুমদার।

গৃহকর্ত্রী মায়া দত্ত বলেন, দীপা আমাদের বাড়িতে যাতায়াত করতো, সেই সুত্রেই আলাপ ও যে এরকম করবে সত্যিই আমরা ভাবতেই পারছিনা। ঠাকুরের ঘরে যেত শাড়ি ও গয়না পরাতো, একদিন এসে বললো আমি বিয়ে বাড়িতে যাবো, কয়েকটা গয়না দেবেন, সেজেগুজে যাবো। আমরা দিয়েওছিলাম, ও সেগুলো ফেরত ও দিয়েছিলো, তাই হয়তো ভেবেছিল অনেক সোনাদানা আছে। ওযে এরকম করবে আমরা ভাবতেই পারছিনা।
আরও এক অভিযুক্ত দীপার প্রেমিক পলাতক, পুলিশ তাকে খুঁজছে।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অবশেষে গ্রেফতার নরেন্দ্রপুরের ডাকাতির মাস্টারমাইন্ড দীপা

আপডেট : ২৮ অগাস্ট ২০১৯, বুধবার

সামিম আহমেদ, নতুন গতি, নরেন্দ্রপুর: অবশেষে গ্রেফতার হলো মূল অভিযুক্ত ২২ বছরের তরুণী দীপা মজুমদার। গত রবিবার গভীর রাতে ৬ জনের এক ডাকাত দল হানা দেয় নরেন্দ্রপুরের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে। তিনজনের পরনে ছিল সাধারন পোশাক ও বাকি তিনজনের পরনে ছিল পুলিশের পোশাক। গৃহকর্তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তারা নগদে ৭০ হাজার টাকা, সোনা ও রুপোর গয়না ডাকাতি করে। এদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে পাড়ার লোকজন জড় হলে ডাকাতের দল গুলি পালিয়ে যায়।

তাদের পিছন ধাওয়া করে একজনকে ধরে ফেলে পাড়ার লোকজন, অন্যদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। ধৃতকে জিজ্ঞাসা করে পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত আরো চারজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতরা হলো, রেজাউল সেখ, মামুন সেখ, সবুজ সেখ ও দিপু। ধৃতদের মধ্যে প্রথম তিনজন যোগেশগঞ্জের বাসিন্দা, তাদেরকে জিজ্ঞাসা বাদ করে পুলিশ জানতে পারে এই ডাকাতের ঘটনায় মূল অভিযুক্তের নাম দীপা মজুমদার।

গৃহকর্ত্রী মায়া দত্ত বলেন, দীপা আমাদের বাড়িতে যাতায়াত করতো, সেই সুত্রেই আলাপ ও যে এরকম করবে সত্যিই আমরা ভাবতেই পারছিনা। ঠাকুরের ঘরে যেত শাড়ি ও গয়না পরাতো, একদিন এসে বললো আমি বিয়ে বাড়িতে যাবো, কয়েকটা গয়না দেবেন, সেজেগুজে যাবো। আমরা দিয়েওছিলাম, ও সেগুলো ফেরত ও দিয়েছিলো, তাই হয়তো ভেবেছিল অনেক সোনাদানা আছে। ওযে এরকম করবে আমরা ভাবতেই পারছিনা।
আরও এক অভিযুক্ত দীপার প্রেমিক পলাতক, পুলিশ তাকে খুঁজছে।