২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আগামী ১৪ তারিখ দেশের সর্বত্র কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক কৃষক সংগঠনগুলির

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার
  • 9

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী ১৪ তারিখ দেশের সর্বত্র কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক কৃষক সংগঠনগুলির। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সারপ্রাইজ বৈঠকেই কৃষকরা বুঝতে পেরে যান, সরকার আদৌ প্রত্যাহার করতে রাজি না কৃষি আইন। তাসত্ত্বেও সরকারের কথামতো অপেক্ষা করেছিলেন লিখিত প্রস্তাবের। অবশেষে কৃষকদের হাতে পৌঁছে পাঁচ দফা লিখিত প্রস্তাব। কী বলা হয়েছে ওই প্রস্তাবে? প্রস্তাবে লেখা হয়েছে, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের ব্যবস্থা করবে সরকার। কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে তাদের চাষের জমি কিনতে পারবেনা কোন ও শিল্পগোষ্ঠী। দরকার পড়লে কৃষকরা বিবাদ মীমাংসার জন্য আদালতে যেতে পারেন। ইলেকট্রিসিটি সংশোধনী বিল ও নারা পোড়ানোর আইন বাতিল করার প্রস্তাব দেয় সরকার।

প্রস্তাব হাতে পাওয়ার পরই আলোচনায় বসেন কৃষকরা। তারপরই তারা প্রত্যাখ্যান করেন সরকারের ওই প্রতিশ্রুতি। কৃষক নেতা হান্নান মোল্লা বলেন, “আগের ছটি বৈঠকেও এই একই কথা বলেছে সরকার। এরমধ্যে নতুনত্ব কিছুই নেই। আইন প্রত্যাহার না করে, তাতে কসমেটিক পরিবর্তন ঘটানোর কথা বলা হচ্ছে। আমাদের দাবি ছিল তিনটি আইন বাতিল করতে হবে। এখনো সেই দাবিতেই আমরা অনড়।

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আগামী ১৪ তারিখ দেশের সর্বত্র কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক কৃষক সংগঠনগুলির

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী ১৪ তারিখ দেশের সর্বত্র কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক কৃষক সংগঠনগুলির। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সারপ্রাইজ বৈঠকেই কৃষকরা বুঝতে পেরে যান, সরকার আদৌ প্রত্যাহার করতে রাজি না কৃষি আইন। তাসত্ত্বেও সরকারের কথামতো অপেক্ষা করেছিলেন লিখিত প্রস্তাবের। অবশেষে কৃষকদের হাতে পৌঁছে পাঁচ দফা লিখিত প্রস্তাব। কী বলা হয়েছে ওই প্রস্তাবে? প্রস্তাবে লেখা হয়েছে, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের ব্যবস্থা করবে সরকার। কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে তাদের চাষের জমি কিনতে পারবেনা কোন ও শিল্পগোষ্ঠী। দরকার পড়লে কৃষকরা বিবাদ মীমাংসার জন্য আদালতে যেতে পারেন। ইলেকট্রিসিটি সংশোধনী বিল ও নারা পোড়ানোর আইন বাতিল করার প্রস্তাব দেয় সরকার।

প্রস্তাব হাতে পাওয়ার পরই আলোচনায় বসেন কৃষকরা। তারপরই তারা প্রত্যাখ্যান করেন সরকারের ওই প্রতিশ্রুতি। কৃষক নেতা হান্নান মোল্লা বলেন, “আগের ছটি বৈঠকেও এই একই কথা বলেছে সরকার। এরমধ্যে নতুনত্ব কিছুই নেই। আইন প্রত্যাহার না করে, তাতে কসমেটিক পরিবর্তন ঘটানোর কথা বলা হচ্ছে। আমাদের দাবি ছিল তিনটি আইন বাতিল করতে হবে। এখনো সেই দাবিতেই আমরা অনড়।