২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বিচারপতি চন্দ্রচূড়: একনায়কতান্ত্রিক সরকার সবসময় মিথ্যার উপর নির্ভর করে থাকে

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে এবং সত্য নির্ধারণ করতে রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করার পরামর্শ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। শনিবার একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘একনায়কতান্ত্রিক সরকার সবসময় মিথ্যার উপর নির্ভর করে থাকে। আর তাই সত্য নির্ধারণের জন্য শুধুমাত্র রাষ্ট্রের উপর নির্ভর করা যায় না। বরং সত্য উদঘাটনের লক্ষ্যে নাগরিকদের আরও বেশি সতর্ক হতে হবে।’

বিচারপতি নিজের বক্তব্যে দাবি করেন, রাষ্ট্রের তরফে প্রচার করা যে কোনও মিথ‌্যাকে প্রকাশ্যে আনার দায়িত্ব রয়েছে দেশের নাগরিক এবং দেশের বিশিষ্ট জনেদের উপর। শনিবার প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এম সি চাগলা স্মারক বক্তৃতা দেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়। সেই বক্তৃতাতেই সংবাদমাধ‌্যমের বাকস্বাধীনতার উপরে জোর দেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। সরকার মাধ্যমকে প্রভাবমুক্ত হয়ে সংবাদ পরিবেশন করতে বলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়।

এদিকে বিচারপতি আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মিথ্যে খবর বা ভুয়ো প্রচার আটকাতে সরকারেরর উপরে নজরদারি চালানো দরকার। এমন সংবাদমাধ্যম প্রয়োজন, যাদের উপর আস্থা রাখা যাবে। যেই সংবাদমাধ্যম রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত, শুধুমাত্র তারাই পারে সরকারের কাজ এবং নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে।’

বিচারপতি বলেন, ‘করোনা অতিমারীর সময় যে ভুয়ো খবরের বাড়বাড়ন্ত বেড়েছে, তা মেনে নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। মানুষ সবসময় অতিরঞ্জিত খবরের দিকে আকৃষ্ট হয়। তবে অনেক সময়ই সেই খবরগুলো মিথ্যা হয়। তবে তা ছড়িয়ে পড়ে।’ বিচাপরপতির মত, মিথ্যে খবর ছড়িয়ে পড়লে তা ঠেকাতে টুইটার-ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের দায়বদ্ধ হওয়া উচিত।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিচারপতি চন্দ্রচূড়: একনায়কতান্ত্রিক সরকার সবসময় মিথ্যার উপর নির্ভর করে থাকে

আপডেট : ৩০ অগাস্ট ২০২১, সোমবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে এবং সত্য নির্ধারণ করতে রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করার পরামর্শ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। শনিবার একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘একনায়কতান্ত্রিক সরকার সবসময় মিথ্যার উপর নির্ভর করে থাকে। আর তাই সত্য নির্ধারণের জন্য শুধুমাত্র রাষ্ট্রের উপর নির্ভর করা যায় না। বরং সত্য উদঘাটনের লক্ষ্যে নাগরিকদের আরও বেশি সতর্ক হতে হবে।’

বিচারপতি নিজের বক্তব্যে দাবি করেন, রাষ্ট্রের তরফে প্রচার করা যে কোনও মিথ‌্যাকে প্রকাশ্যে আনার দায়িত্ব রয়েছে দেশের নাগরিক এবং দেশের বিশিষ্ট জনেদের উপর। শনিবার প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এম সি চাগলা স্মারক বক্তৃতা দেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়। সেই বক্তৃতাতেই সংবাদমাধ‌্যমের বাকস্বাধীনতার উপরে জোর দেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। সরকার মাধ্যমকে প্রভাবমুক্ত হয়ে সংবাদ পরিবেশন করতে বলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়।

এদিকে বিচারপতি আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মিথ্যে খবর বা ভুয়ো প্রচার আটকাতে সরকারেরর উপরে নজরদারি চালানো দরকার। এমন সংবাদমাধ্যম প্রয়োজন, যাদের উপর আস্থা রাখা যাবে। যেই সংবাদমাধ্যম রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত, শুধুমাত্র তারাই পারে সরকারের কাজ এবং নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে।’

বিচারপতি বলেন, ‘করোনা অতিমারীর সময় যে ভুয়ো খবরের বাড়বাড়ন্ত বেড়েছে, তা মেনে নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। মানুষ সবসময় অতিরঞ্জিত খবরের দিকে আকৃষ্ট হয়। তবে অনেক সময়ই সেই খবরগুলো মিথ্যা হয়। তবে তা ছড়িয়ে পড়ে।’ বিচাপরপতির মত, মিথ্যে খবর ছড়িয়ে পড়লে তা ঠেকাতে টুইটার-ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের দায়বদ্ধ হওয়া উচিত।