১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

500 বছরের দুর্গাপূজার পরম্পরা ধরে রেখেছে কাটোয়ার ভট্টাচার্জ বাড়ি

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার
  • 14

রাহুল রায়,পূর্ব বর্ধমানঃ রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য কামাক্ষ্যা মায়ের কাছে তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করেন। বর্ধমানের কাটোয়া ২নং ব্লকের করুইগ্ৰম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দোনাগ্ৰামে রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য সাধক হয়ে আসেন। শরৎকালে দোনাগ্ৰামে রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন। রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের পর বর্তমানকালে ভট্টাচার্য বাড়ির সদস্যরা দুর্গাপুজো করে আসছে। পুরোনো পাথরের মূর্তি মহিষাসুরমর্দিনী নৃত্যসেবা করে ভট্টাচার্য বাড়ি ভট্টাচার্য বাড়ির সদস্যরা জানালেন, আমাদের দুর্গাপুজো হল ৫০০ বছরের পুরনো। বোধনবমী থেকে দুর্গাপুজো শুরু হয়। দোনাগ্ৰামে ভট্টাচার্য বাড়ির মন্দিরে দুটি প্রতিমার পুজো করা হয়। মাকে তর্পণ দিয়ে পুজো হয়। মহা অষ্টমী সন্ধ্যায় পুরোনো রীতি মেনেই জলঘড়ির হিসাবে সময় নির্ধারণ করে পুজো হয়। মহা অষ্টমী পুজোর দিন মহাভোগের আয়োজন করা হয়। এলাকাবাসীরা মহাভোগ খেতে আসে। নবমীতে মহিষ বলিদান প্রথা চালু রয়েছে। বিজয়াদশমীতে আতশবাজি ফাটানো হয়। দুর্গাপুজোয় ভট্টাচার্য বাড়ির সদস্যরা আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন। বিভিন্ন গ্রামের মানুষেরা ভিড় জমায়।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

500 বছরের দুর্গাপূজার পরম্পরা ধরে রেখেছে কাটোয়ার ভট্টাচার্জ বাড়ি

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

রাহুল রায়,পূর্ব বর্ধমানঃ রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য কামাক্ষ্যা মায়ের কাছে তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করেন। বর্ধমানের কাটোয়া ২নং ব্লকের করুইগ্ৰম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দোনাগ্ৰামে রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য সাধক হয়ে আসেন। শরৎকালে দোনাগ্ৰামে রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন। রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের পর বর্তমানকালে ভট্টাচার্য বাড়ির সদস্যরা দুর্গাপুজো করে আসছে। পুরোনো পাথরের মূর্তি মহিষাসুরমর্দিনী নৃত্যসেবা করে ভট্টাচার্য বাড়ি ভট্টাচার্য বাড়ির সদস্যরা জানালেন, আমাদের দুর্গাপুজো হল ৫০০ বছরের পুরনো। বোধনবমী থেকে দুর্গাপুজো শুরু হয়। দোনাগ্ৰামে ভট্টাচার্য বাড়ির মন্দিরে দুটি প্রতিমার পুজো করা হয়। মাকে তর্পণ দিয়ে পুজো হয়। মহা অষ্টমী সন্ধ্যায় পুরোনো রীতি মেনেই জলঘড়ির হিসাবে সময় নির্ধারণ করে পুজো হয়। মহা অষ্টমী পুজোর দিন মহাভোগের আয়োজন করা হয়। এলাকাবাসীরা মহাভোগ খেতে আসে। নবমীতে মহিষ বলিদান প্রথা চালু রয়েছে। বিজয়াদশমীতে আতশবাজি ফাটানো হয়। দুর্গাপুজোয় ভট্টাচার্য বাড়ির সদস্যরা আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন। বিভিন্ন গ্রামের মানুষেরা ভিড় জমায়।