১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিদ্যাসাগরের ২০২তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক, নতুন গতি, মেদিনীপুর: ঋষি অরবিন্দ শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের উদ্যোগে এবং কুলটিকরি শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের সহযোগিতায় 26 শে সেপ্টেম্বর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিবস পালিত হল মহা সাড়ম্বরে। দুই মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক, অধ্যাপিকাবৃন্দ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন, দর্শন ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে উনার অবদানকে স্মরণ করেন। বিদ্যাসাগর দেশে শিক্ষার প্রসার চেয়েছিলেন। বাংলার সমাজের শিক্ষা ব্যবস্থাকে তিনি এমনভাবে সাজাতে চেয়েছিলেন যেন বাংলার প্রতিটি মানুষ শিক্ষিত হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। তিনি জানতেন, সমাজে আদর্শ শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হলে নারী-পুরুষ উভয়েরই শিক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। তিনি হিন্দু বালিকা বিদ্যালয় তৈরি করেন, যাকে পরবর্তীতে বেথুন কলেজ নামকরণ করা হয়।দেশের প্রতি ওনার অগণিত কাজ ও শিক্ষার প্রসারে ওনার অবদান অনস্বীকার্য।

বিশ্ব বরেণ্য মেদিনীপুরের এই মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপনে দুই মহাবিদ্যালয়ের উদ্যোগে আজ ঋষি অরবিন্দ শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী আদিবাসী অধ্যুষিত পাঁচখুরি এলাকার প্রায় 50 জন কচিকাঁচা কে শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয়, স্লেট, পেন্সিল ,চকলেট দেওয়া হয় সঙ্গে তাদের মহাবিদ্যালয়গুলির অধ্যাপক অধ্যাপিকাবৃন্দ হাতে কলমে বর্ণ সম্পর্কে পরিচয় ঘটান এবং চার থেকে ছয় বছরের কচিকাঁচাদের সারা বছরব্যাপী প্রতি সপ্তাহে দুই দিন করে তাদেরকে পড়ানো এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলার মাধ্যমে তাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নেয়। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে মহাবিদ্যালয় গুলি আগেই পার্শ্ববর্তী এলাকার 6 থেকে 10 বছরের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং খেলাধুলার প্রশিক্ষণ শুরু করেছে ।

সর্বাধিক পাঠিত

ডাকাতির আগেই পুলিশের জালে ডাকাত দল ৷ হরিশ্চন্দ্রপুরের বটতলা থেকে ধৃত চার ডাকাত নতুন গতি প্রতিবেদন,হরিশ্চন্দ্রপুর,৮ ডিসেম্বর: ডাকাতির আগেই পুলিশের জালে ডাকাত দল ৷ হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ভিঙ্গল জিপির বটতলা এলাকা থেকে ধারালো অস্ত্র-সহ ধৃত চার ডাকাত ।ভেস্তে গেল ডাকাতির ছক ৷ গোপনসূত্রে পুলিশ জানতে পারে, হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় বেশ কয়েক দিন ধরে কিছু অজ্ঞাতপরিচয় লোকজনের আসা যাওয়া লেগে রয়েছে ৷সেইমত পুলিশ এলাকায় ফাঁদ পাতলে শনিবার গভীর রাতে চাচল গামি ৮১ নং জাতীয় সড়কের ধারে ইটভাটার নিকটে হাতেনাতে ধরে ফেলে চার ডাকাতকে ৷ বাকি আরও বেশ কয়েক জন পালায় । ধৃতদের নাম নুর আলম (২১), জানারুল হক (২১), নাসিম আক্তার (২০) ও মহম্মদ শরীফ (৩৬)।ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি তরবারি, সাবল ও টর্চ লাইট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বড়োসড়ো ডাকাতি করার উদ্দেশ্যেই এদিন তারা ঘটনাস্থলে জড়ো হচ্ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দলের ৪ জনকে ধরে ফেলে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। জানা যায় ৪ জনের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার বিভিন্ন এলাকায়। নুর আলম ও জানারুল হকের বাড়ি কড়িয়ালি এলাকার সোনাপুর গ্রামে। নাসিম আক্তারের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের নিউ সাদলী চক এলাকায়। মহম্মদ শরিফের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের হলদিবাড়ি এলাকায়।ধৃতদের আজ চাচোল মহাকুমা আদালতে তোলা হয়।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিদ্যাসাগরের ২০২তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ে

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, নতুন গতি, মেদিনীপুর: ঋষি অরবিন্দ শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের উদ্যোগে এবং কুলটিকরি শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের সহযোগিতায় 26 শে সেপ্টেম্বর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিবস পালিত হল মহা সাড়ম্বরে। দুই মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক, অধ্যাপিকাবৃন্দ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন, দর্শন ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে উনার অবদানকে স্মরণ করেন। বিদ্যাসাগর দেশে শিক্ষার প্রসার চেয়েছিলেন। বাংলার সমাজের শিক্ষা ব্যবস্থাকে তিনি এমনভাবে সাজাতে চেয়েছিলেন যেন বাংলার প্রতিটি মানুষ শিক্ষিত হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। তিনি জানতেন, সমাজে আদর্শ শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হলে নারী-পুরুষ উভয়েরই শিক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। তিনি হিন্দু বালিকা বিদ্যালয় তৈরি করেন, যাকে পরবর্তীতে বেথুন কলেজ নামকরণ করা হয়।দেশের প্রতি ওনার অগণিত কাজ ও শিক্ষার প্রসারে ওনার অবদান অনস্বীকার্য।

বিশ্ব বরেণ্য মেদিনীপুরের এই মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপনে দুই মহাবিদ্যালয়ের উদ্যোগে আজ ঋষি অরবিন্দ শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী আদিবাসী অধ্যুষিত পাঁচখুরি এলাকার প্রায় 50 জন কচিকাঁচা কে শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয়, স্লেট, পেন্সিল ,চকলেট দেওয়া হয় সঙ্গে তাদের মহাবিদ্যালয়গুলির অধ্যাপক অধ্যাপিকাবৃন্দ হাতে কলমে বর্ণ সম্পর্কে পরিচয় ঘটান এবং চার থেকে ছয় বছরের কচিকাঁচাদের সারা বছরব্যাপী প্রতি সপ্তাহে দুই দিন করে তাদেরকে পড়ানো এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলার মাধ্যমে তাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নেয়। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে মহাবিদ্যালয় গুলি আগেই পার্শ্ববর্তী এলাকার 6 থেকে 10 বছরের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং খেলাধুলার প্রশিক্ষণ শুরু করেছে ।