১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

করোনা প্রভাব ফেললো মেদিনীপুরে সিংহ বাড়ির চৌত্রিশ বছরের প্রাচীন কার্তিক পূজা

নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন গতি, মেদিনীপুর :
সীমিত সংখ্যক অতিথিদের উপস্থিতিতে এবার কার্তিক পূজা হলো মেদিনীপুরের বিধাননগরের সিংহ বাড়িতে। করোনা প্রভাব ফেললো মেদিনীপুরের সিংহ বাড়ির চৌত্রিশ বছরের কার্তিক পূজায়। প্রতি বছরের মতো এবছরও মেদিনীপুর শহরের বিধান নগরের সিংহ বাড়ির কার্তিক সব রকম রীতি মেনে। মেদিনীপুর শহরের বিধাননগরের জে টুয়েন্টি সেভেনের “বৃষ্ণি” বাড়িটি এবারও সেজে উঠেছিল কার্তিক পূজা উপলক্ষ‍্যে।

এবার ছিল এই পূজার ৩৪ তম বর্ষ।এই বাড়িতে পূজার সূচনা হয় বাড়ির বড় মেয়ে ত্রিনেত্রীর জন্মের তিন বছর আগে ১৯৮৭ সালে। বাড়ির কর্তা-গিন্নি দুর্গা প্রসাদ সিংহ ও মৈয়েত্রী সিংহের দাম্পত্য জীবনের চতুর্থ বছরে কার্তিক পূজার আগের রাতে আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবদের কেউ তাঁদের বাড়ির সামনে কার্তিক রেখে যান। সাধারণ গৃহস্থ বাড়িতে ফেলে যাওয়া কার্তিক পূজা সাধারণত পরপর তিনবছর করার পর শেষ যায়। কিন্তু সিংহ বাড়িতে সেই চালু হওয়া পূজা চলছে এখনো নিষ্ঠা সহকারে। গৃহে সন্তান জন্মানোর কামনায় এই বাড়িতে শুরু হওয়া কার্তিক পূজার “কার্তিক ঠাকুর”কে বাড়ির দুই বোন ত্রিনেত্রী ও সিবেলী ‘বড় দাদা’ বলে মানেন। এই বাড়ির কার্তিক ফেলা হয় না। এই কার্তিক ঠাকুরের বিসর্জন হয় নিয়ম মেনে। প্রতিবারেই পূজায় ভীড় জমান আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীরা। এবার অবশ্য করোনার কারণে ভীড় অনেকটাই কম ছিল।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

করোনা প্রভাব ফেললো মেদিনীপুরে সিংহ বাড়ির চৌত্রিশ বছরের প্রাচীন কার্তিক পূজা

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন গতি, মেদিনীপুর :
সীমিত সংখ্যক অতিথিদের উপস্থিতিতে এবার কার্তিক পূজা হলো মেদিনীপুরের বিধাননগরের সিংহ বাড়িতে। করোনা প্রভাব ফেললো মেদিনীপুরের সিংহ বাড়ির চৌত্রিশ বছরের কার্তিক পূজায়। প্রতি বছরের মতো এবছরও মেদিনীপুর শহরের বিধান নগরের সিংহ বাড়ির কার্তিক সব রকম রীতি মেনে। মেদিনীপুর শহরের বিধাননগরের জে টুয়েন্টি সেভেনের “বৃষ্ণি” বাড়িটি এবারও সেজে উঠেছিল কার্তিক পূজা উপলক্ষ‍্যে।

এবার ছিল এই পূজার ৩৪ তম বর্ষ।এই বাড়িতে পূজার সূচনা হয় বাড়ির বড় মেয়ে ত্রিনেত্রীর জন্মের তিন বছর আগে ১৯৮৭ সালে। বাড়ির কর্তা-গিন্নি দুর্গা প্রসাদ সিংহ ও মৈয়েত্রী সিংহের দাম্পত্য জীবনের চতুর্থ বছরে কার্তিক পূজার আগের রাতে আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবদের কেউ তাঁদের বাড়ির সামনে কার্তিক রেখে যান। সাধারণ গৃহস্থ বাড়িতে ফেলে যাওয়া কার্তিক পূজা সাধারণত পরপর তিনবছর করার পর শেষ যায়। কিন্তু সিংহ বাড়িতে সেই চালু হওয়া পূজা চলছে এখনো নিষ্ঠা সহকারে। গৃহে সন্তান জন্মানোর কামনায় এই বাড়িতে শুরু হওয়া কার্তিক পূজার “কার্তিক ঠাকুর”কে বাড়ির দুই বোন ত্রিনেত্রী ও সিবেলী ‘বড় দাদা’ বলে মানেন। এই বাড়ির কার্তিক ফেলা হয় না। এই কার্তিক ঠাকুরের বিসর্জন হয় নিয়ম মেনে। প্রতিবারেই পূজায় ভীড় জমান আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীরা। এবার অবশ্য করোনার কারণে ভীড় অনেকটাই কম ছিল।