২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ তকমা দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর বড়ো ঘোষণা

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২, বৃহস্পতিবার
  • 8

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বাঙালির সবচেয়ে উৎসবকে হেরিটেজ তকমা দিয়েছে UNESCO। ইউনেস্কোর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে দুর্গাপুজোকেল। এই স্বীকৃতিকে সম্মান জানাতে বৃহস্পতিবার বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, পয়লা সেপ্টেম্বর কলকাতা-সহ প্রতিটা জেলায় বিশেষ অনুষ্ঠান হবে। শ্যামবাজার থেকে শোভাযাত্রা হবে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওইদিন বেলা ১টার সময় শহর এবং জেলার সমস্ত ক্লাব, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মেয়েরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। কেউ উলু ধ্বনি দেবে, কেউ দোয়া চাইবেন। যে যাঁর ধর্ম মেনে সম্মান জানাবেন। বাংলাকে স্বীকৃতি দিলে বাংলা যে কীভাবে সেটাকে মর্যাদা দেয় সেটা দেখানো আমাদের কাজ। এটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে সমস্ত দফতরকে নিতে হবে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “এবার পুজো কার্নিভ্যাল রেড রোডে দেখার মতো করব। পুজোর একমাস আগে সবাইকে আমারা রাস্তায় নামিয়ে দেবো।”

এখানেই শেষ নয়, মুখ্যসচিবকে একটা লোগো তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “UNESCO-র স্বীকৃতিকে কেন্দ্র করে একটা লোগো হবে। প্রতিটা সমস্ত হোর্ডিংয়ে ওই লোগো ব্যবহার করবে। বিশ্ববাংলার লোগো থাকবে। আমাকে সাজেশন পাঠাবেন। আমি ঠিক করে দেবো। বাংলাকে গর্ব করার মতো যে জিনিসগুলো আমরা পাই তা যেন আমরা আগলে রাখি।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ তকমা দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর বড়ো ঘোষণা

আপডেট : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বাঙালির সবচেয়ে উৎসবকে হেরিটেজ তকমা দিয়েছে UNESCO। ইউনেস্কোর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে দুর্গাপুজোকেল। এই স্বীকৃতিকে সম্মান জানাতে বৃহস্পতিবার বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, পয়লা সেপ্টেম্বর কলকাতা-সহ প্রতিটা জেলায় বিশেষ অনুষ্ঠান হবে। শ্যামবাজার থেকে শোভাযাত্রা হবে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওইদিন বেলা ১টার সময় শহর এবং জেলার সমস্ত ক্লাব, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মেয়েরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। কেউ উলু ধ্বনি দেবে, কেউ দোয়া চাইবেন। যে যাঁর ধর্ম মেনে সম্মান জানাবেন। বাংলাকে স্বীকৃতি দিলে বাংলা যে কীভাবে সেটাকে মর্যাদা দেয় সেটা দেখানো আমাদের কাজ। এটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে সমস্ত দফতরকে নিতে হবে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “এবার পুজো কার্নিভ্যাল রেড রোডে দেখার মতো করব। পুজোর একমাস আগে সবাইকে আমারা রাস্তায় নামিয়ে দেবো।”

এখানেই শেষ নয়, মুখ্যসচিবকে একটা লোগো তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “UNESCO-র স্বীকৃতিকে কেন্দ্র করে একটা লোগো হবে। প্রতিটা সমস্ত হোর্ডিংয়ে ওই লোগো ব্যবহার করবে। বিশ্ববাংলার লোগো থাকবে। আমাকে সাজেশন পাঠাবেন। আমি ঠিক করে দেবো। বাংলাকে গর্ব করার মতো যে জিনিসগুলো আমরা পাই তা যেন আমরা আগলে রাখি।”