৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

চুরি হওয়া গরু উদ্ধার করলো গলসি থানা

আজিজুর রহমান, গলসি : চুরি হওয়া ৬টি গরু উদ্ধার করেছে গলসি থানা। পুলিশের এমন সাফল্যে প্রশংসায় পঞ্চমুখ স্থানীয়রা। তাদের মতে, বেশিরভাগ সময় চোরদের ধরা গেলেও গরু উদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তবে এই ঘটনায় গলসি থানার পুলিশ গরু উদ্ধার করে স্থানীয় গরিব মানুষের বড় উপকার করেছে।

সার্কেল ইন্সপেক্টর শৈলেন্দ্রনাথ উপাধ্যায় জানিয়েছেন, ২১ শে ডিসেম্বর শনিবার রাতে গলসির খেতুড়া গ্রাম থেকে ৯ টি গরু চুরি হয়। পরদিন, ২২ শে ডিসেম্বর গরুর মালিকরা গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর তিনি নিজে এবং থানার ওসি অরুণ কুমার সোম বিভিন্ন সূত্র কাজে লাগিয়ে তদন্ত শুরু করেন। এই কাজে তাদের সহায়তা করেন জেলা পুলিশ সুপার।

তিনি বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। বিভিন্ন সূত্র মারফত তথ্য সংগ্রহের পর তারা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট থানা এলাকায় পৌঁছায়। সেখানে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় নেন। খবর পান, চুরি হওয়া গরুগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।

পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে গরুগুলো পরিবহনের পথে আচমকা অভিযান চালায়। হঠাৎ অভিযানে চোরাকারবারিরা গরুগুলো ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ৬টি গরু উদ্ধার করে পুলিশ। পরে গরুগুলো গলসি থানায় এনে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

গরু ফেরত পেয়ে অত্যন্ত খুশি গরুর মালিকরা। পুলিশ প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খনি-শিল্পাঞ্চলে শান্তিতে ঈদুজ্জোহা পালিত

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চুরি হওয়া গরু উদ্ধার করলো গলসি থানা

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪, শনিবার

আজিজুর রহমান, গলসি : চুরি হওয়া ৬টি গরু উদ্ধার করেছে গলসি থানা। পুলিশের এমন সাফল্যে প্রশংসায় পঞ্চমুখ স্থানীয়রা। তাদের মতে, বেশিরভাগ সময় চোরদের ধরা গেলেও গরু উদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তবে এই ঘটনায় গলসি থানার পুলিশ গরু উদ্ধার করে স্থানীয় গরিব মানুষের বড় উপকার করেছে।

সার্কেল ইন্সপেক্টর শৈলেন্দ্রনাথ উপাধ্যায় জানিয়েছেন, ২১ শে ডিসেম্বর শনিবার রাতে গলসির খেতুড়া গ্রাম থেকে ৯ টি গরু চুরি হয়। পরদিন, ২২ শে ডিসেম্বর গরুর মালিকরা গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর তিনি নিজে এবং থানার ওসি অরুণ কুমার সোম বিভিন্ন সূত্র কাজে লাগিয়ে তদন্ত শুরু করেন। এই কাজে তাদের সহায়তা করেন জেলা পুলিশ সুপার।

তিনি বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। বিভিন্ন সূত্র মারফত তথ্য সংগ্রহের পর তারা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট থানা এলাকায় পৌঁছায়। সেখানে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় নেন। খবর পান, চুরি হওয়া গরুগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।

পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে গরুগুলো পরিবহনের পথে আচমকা অভিযান চালায়। হঠাৎ অভিযানে চোরাকারবারিরা গরুগুলো ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ৬টি গরু উদ্ধার করে পুলিশ। পরে গরুগুলো গলসি থানায় এনে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

গরু ফেরত পেয়ে অত্যন্ত খুশি গরুর মালিকরা। পুলিশ প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।