২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

কসবা ভুয়ো টিকা কাণ্ড: দেবাঞ্জন দেবসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল কলকাতা পুলিশ

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবিরকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল কলকাতা পুলিশ। চার্জশিটে খুনের চেষ্টা, প্রতারণা-সহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ১,০০০ পাতার চার্জশিটে ১৩০ জনের সাক্ষ নেওয়া হয়েছে।

এদিন পেশ করা চার্জশিটে দেবাঞ্জন দেব ছাড়াও নাম রয়েছে কাঞ্চন দেব, রবীন শিকদার, সুশান্ত দাস, শরৎ পাত্র, অরবিন্দ বৈদ্য, অশোককুমার রায়, ও শান্তনু মান্নার। প্রত্যেকে চক্রান্তে কী ভাবে জড়িত তার বিস্তারিত উল্লেখ করেছে পুলিশ।

গত ২২ জুন প্রকাশ্যে আসে কসবা ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড। সেদিন ভুয়ো IAS দেবাঞ্জনকে গ্রেফতারির পাশাপাশি শিবির থেকে ইনজেকশনের ভায়াল উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায় সেই ভায়ালে টিকা নয়, ছিল অন্য ওষুধ। যা পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠান লালবাজারের গোয়েন্দারা।

এছাড়াও দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছাড়ায় গোটা রাজ্যে। খাস কলকাতায় কী করে একজন ভুয়ো টিকাকরণ শিবির চালু করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে সরকার ও পুরসভার নজরদারি নিয়েও। তবে সব দায় এড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার এর সঙ্গে কোনও ভাবে জড়িত নয়।’

 

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কসবা ভুয়ো টিকা কাণ্ড: দেবাঞ্জন দেবসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল কলকাতা পুলিশ

আপডেট : ২৬ অগাস্ট ২০২১, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবিরকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল কলকাতা পুলিশ। চার্জশিটে খুনের চেষ্টা, প্রতারণা-সহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ১,০০০ পাতার চার্জশিটে ১৩০ জনের সাক্ষ নেওয়া হয়েছে।

এদিন পেশ করা চার্জশিটে দেবাঞ্জন দেব ছাড়াও নাম রয়েছে কাঞ্চন দেব, রবীন শিকদার, সুশান্ত দাস, শরৎ পাত্র, অরবিন্দ বৈদ্য, অশোককুমার রায়, ও শান্তনু মান্নার। প্রত্যেকে চক্রান্তে কী ভাবে জড়িত তার বিস্তারিত উল্লেখ করেছে পুলিশ।

গত ২২ জুন প্রকাশ্যে আসে কসবা ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড। সেদিন ভুয়ো IAS দেবাঞ্জনকে গ্রেফতারির পাশাপাশি শিবির থেকে ইনজেকশনের ভায়াল উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায় সেই ভায়ালে টিকা নয়, ছিল অন্য ওষুধ। যা পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠান লালবাজারের গোয়েন্দারা।

এছাড়াও দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছাড়ায় গোটা রাজ্যে। খাস কলকাতায় কী করে একজন ভুয়ো টিকাকরণ শিবির চালু করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে সরকার ও পুরসভার নজরদারি নিয়েও। তবে সব দায় এড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার এর সঙ্গে কোনও ভাবে জড়িত নয়।’