১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

চাঁদায় ৬০তম বর্ষে ক্রিয়া ও সাংস্কৃতি উৎসব অনুষ্ঠানে বাংলায় হারিয়ে যাওয়া ঐতির্যপূর্ণ গোজি খেলায় শেষ দিনে মানুষের ঢোল

বাইজিদ মণ্ডল ডায়মন্ড হারবার: প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ও ৬০তম বর্ষে চাঁদা গ্রাম বাসিবৃন্দের সহযোগিতায় ও চাঁদা জীবন জ্যোতি ক্লাবের পরিচালনায় তিন দিন ব্যাপী ২০২৩ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। চাঁদা নয়া পারা প্রাইমারি স্কুল প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার বিধায়ক পান্নালাল হালদার ও জেলা পরিষদের সদস্যা মণমহিনি বিশ্বাস সহ অনন্যা পুলিশ প্রশাসন ও বিশিষ্ঠ ব্যাক্তি রা। বাংলা থেকে হারিয়ে যাওয়া ঐতির্যপূণ গজী খেলার শেষ দিনে মানুষের ঢোল ছিল চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি বাৎসরিক খেলার মাঠে কয়েক হাজার দর্শকদের সামনে নিত্য পরিবেশন করেন রিফা পারভিন এবং রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করে মানুষের মন জয় করেন নওশীন মারিয়া। জানা গেছে এখন ইন্টারনেট কম্পিউটার এর যুগে এই শীতের মরশুমে বাংলা থেকে বহু ঐতির্যপুর্ণ খেলা হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই হারিয়ে যাওয়া খেলা এখনও পর্যন্ত ধরে রাখতে সক্ষম ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার অন্তর্গত বাসুল ডাঙ্গা অঞ্চল চাঁদা গ্রামবাসী বৃন্দ। দেখতে দেখতে চাঁদা গ্রাম বৃন্দের সহযোগিতায় এবং এবছর চাঁদা জীবন জ্যোতি ক্লাবের পরিচালনায় আজ ৬০ তম বর্ষে পদার্পণ করলো এই গোজী খেলা। এমন খেলা এখনও পর্যন্ত ধরে রাখতে পারাতে ধন্যবাদ জানায় এলাকার বহু মানুষ।

মেমারীতে ছবির প্রিমিয়ার শোতে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চাঁদায় ৬০তম বর্ষে ক্রিয়া ও সাংস্কৃতি উৎসব অনুষ্ঠানে বাংলায় হারিয়ে যাওয়া ঐতির্যপূর্ণ গোজি খেলায় শেষ দিনে মানুষের ঢোল

আপডেট : ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বুধবার

বাইজিদ মণ্ডল ডায়মন্ড হারবার: প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ও ৬০তম বর্ষে চাঁদা গ্রাম বাসিবৃন্দের সহযোগিতায় ও চাঁদা জীবন জ্যোতি ক্লাবের পরিচালনায় তিন দিন ব্যাপী ২০২৩ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। চাঁদা নয়া পারা প্রাইমারি স্কুল প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার বিধায়ক পান্নালাল হালদার ও জেলা পরিষদের সদস্যা মণমহিনি বিশ্বাস সহ অনন্যা পুলিশ প্রশাসন ও বিশিষ্ঠ ব্যাক্তি রা। বাংলা থেকে হারিয়ে যাওয়া ঐতির্যপূণ গজী খেলার শেষ দিনে মানুষের ঢোল ছিল চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি বাৎসরিক খেলার মাঠে কয়েক হাজার দর্শকদের সামনে নিত্য পরিবেশন করেন রিফা পারভিন এবং রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করে মানুষের মন জয় করেন নওশীন মারিয়া। জানা গেছে এখন ইন্টারনেট কম্পিউটার এর যুগে এই শীতের মরশুমে বাংলা থেকে বহু ঐতির্যপুর্ণ খেলা হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই হারিয়ে যাওয়া খেলা এখনও পর্যন্ত ধরে রাখতে সক্ষম ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার অন্তর্গত বাসুল ডাঙ্গা অঞ্চল চাঁদা গ্রামবাসী বৃন্দ। দেখতে দেখতে চাঁদা গ্রাম বৃন্দের সহযোগিতায় এবং এবছর চাঁদা জীবন জ্যোতি ক্লাবের পরিচালনায় আজ ৬০ তম বর্ষে পদার্পণ করলো এই গোজী খেলা। এমন খেলা এখনও পর্যন্ত ধরে রাখতে পারাতে ধন্যবাদ জানায় এলাকার বহু মানুষ।