২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বঙ্গ বিজেপির উপর চটেছেন মোদি-শাহ! হতে পারে দলে কিছু বদল

দেবজিৎ মুখার্জি: লাগাতার পরাজয় ও গোষ্ঠীবাজিতে বঙ্গ বিজেপির উপর চটেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লি মনে করছে, গোড়ায় গলদ আছে। সেটা মেরামত না করলে দল শুধরোবেনা।

নেতৃত্ব মনে করছে তাদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। ভুল রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তারা এখন যে সব বদলের কথা আলোচনা করছে, সেগুলি মোটামুটি এরকম–

১. রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)-এর পদ থেকে অমিতাভ চক্রবর্তীকে ইস্তফা দিতে বলা হবে। সেই জায়গায় আবার সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নাম ভাবা হচ্ছে। বিবেচনায় রয়েছেন সায়ন্তন বসুও।

২. রাজ্য সভাপতি পদে আবার দিলীপ ঘোষকে ফেরানো যায় কি না, কথা শুরু হয়েছে। কারণ, সুকান্ত মজুমদার ভাল ইমেজের অধ্যাপক হলেও সংগঠক হিসাবে ব্যর্থ। তাঁকে সামনে রেখে ছড়ি ঘোরাতে গিয়ে আরও ডোবাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী।

৩. বিরোধী দলনেতার পদে অশোক লাহিড়ীকে আনার কথা ভাবা হচ্ছে। কারণ, দিল্লি মনে করছে শুভেন্দুর হাঁকডাক বেশি। দলকে রেজাল্ট দেওয়ার ক্ষমতা নেই। ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য ও প্রচারের রাজনীতি করছেন তিনি। তবে শুভেন্দুকে আপাতত সতর্ক করে আরও কিছুদিন সময় দেওয়া হতে পারে।

৪. রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী ও কমিটিতেও বেশ কিছু বদল আসবে। দাদা ধরা অযোগ্যদের বাদ দিয়ে দিল্লি এবার লকেট চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু ঠাকুর, সৌরভ শিকদার, সায়ন্তন বসু, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবজিৎ সরকার, রীতেশ তিওয়ারিদের আবার কাজে লাগাতে চায়।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বঙ্গ বিজেপির উপর চটেছেন মোদি-শাহ! হতে পারে দলে কিছু বদল

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২২, বুধবার

দেবজিৎ মুখার্জি: লাগাতার পরাজয় ও গোষ্ঠীবাজিতে বঙ্গ বিজেপির উপর চটেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লি মনে করছে, গোড়ায় গলদ আছে। সেটা মেরামত না করলে দল শুধরোবেনা।

নেতৃত্ব মনে করছে তাদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। ভুল রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তারা এখন যে সব বদলের কথা আলোচনা করছে, সেগুলি মোটামুটি এরকম–

১. রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)-এর পদ থেকে অমিতাভ চক্রবর্তীকে ইস্তফা দিতে বলা হবে। সেই জায়গায় আবার সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নাম ভাবা হচ্ছে। বিবেচনায় রয়েছেন সায়ন্তন বসুও।

২. রাজ্য সভাপতি পদে আবার দিলীপ ঘোষকে ফেরানো যায় কি না, কথা শুরু হয়েছে। কারণ, সুকান্ত মজুমদার ভাল ইমেজের অধ্যাপক হলেও সংগঠক হিসাবে ব্যর্থ। তাঁকে সামনে রেখে ছড়ি ঘোরাতে গিয়ে আরও ডোবাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী।

৩. বিরোধী দলনেতার পদে অশোক লাহিড়ীকে আনার কথা ভাবা হচ্ছে। কারণ, দিল্লি মনে করছে শুভেন্দুর হাঁকডাক বেশি। দলকে রেজাল্ট দেওয়ার ক্ষমতা নেই। ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য ও প্রচারের রাজনীতি করছেন তিনি। তবে শুভেন্দুকে আপাতত সতর্ক করে আরও কিছুদিন সময় দেওয়া হতে পারে।

৪. রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী ও কমিটিতেও বেশ কিছু বদল আসবে। দাদা ধরা অযোগ্যদের বাদ দিয়ে দিল্লি এবার লকেট চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু ঠাকুর, সৌরভ শিকদার, সায়ন্তন বসু, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবজিৎ সরকার, রীতেশ তিওয়ারিদের আবার কাজে লাগাতে চায়।