২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

সোমবার ফের অনুব্রত মণ্ডলকে নিজাম প্যালেসে তলব করেছে সিবিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক:- সোমবার ফের অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) নিজাম প্যালেসে তলব করেছে সিবিআই (CBI)। তার আগেই আদালতের কাছে তাঁর ও তাঁর আত্মীয়দের নামে থাকা সন্দেহজনক ১৪টি জমির ডিড (Land Deed) সিবিআই আদালতের নজরে এনেছে তদন্তকারী সংস্থা। বুধবার বীরভূমে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়ি, ক্র্যাশার সহ একাধিক জায়গায় হানা দেয় সিবিআই। টাকার পাশাপাশি বহু নথি বাজেয়াপ্ত (Documents Seized) করেছে তারা। একইভাবে নানুরে বীরভূম জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষর বাড়ি ও তাঁর ম্যানেজারের কাছ থেকেও অনেক নথি পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছে সিবিআই। সেইসব নথি যাচাই করে ও অন্যান্য সূত্রে সিবিআই নিশ্চিত যে, গরু পাচাররের টাকা বিনিময়ের মাধ্যম ছিল বীরভূমের পাথর শিল্প। শুধুমাত্র গরুপাচারের (Cow Smuggling) কালো টাকা সাদা করে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্যই পাথর পাঠানো হতো বাংলাদেশে। বেনামে এনামূল থেকে সায়গল সহ চক্রের অন্য মাথাদের পাথর খাদান ও ক্র্যাশার রয়েছে বলে সিবিআইয়ের দাবি। এমনকী বীরভূমের বিভিন্ন জায়গার বালি কারবারেও টাকা খেটেছে। নাসিকের পেঁয়াজ বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেখানো হয়েছে যে, পেঁয়াজের দাম বাবদ টাকা এসেছে।ফলে আপাতভাবে বিষয়টি যে অনেক বড় এবং এর জাল যে এলাকার অনেক ব্যবসার মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে, তা সিবিআই ভালোরকম বুঝতে পারছে। তাই কোন কোন ব্যবসাকে কালো টাকা সাদা করার জন্য কাজে লাগানো হয়েছিল এবং সেইসব ব্যবসা কাদের নামে ছিল, তাদেরই খুঁজে বের করতে তত্পর সিবিআই। সেই কারণেই অনুব্রতকে আরও বিশদে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে। একইসঙ্গে কোন রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রচ্ছায়ার থেকে তারা এই কাজ বহাল তবিয়তে চালাত, সেটাও এখন সিবিআইয়ের আতশকাচের তলায়।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সোমবার ফের অনুব্রত মণ্ডলকে নিজাম প্যালেসে তলব করেছে সিবিআই

আপডেট : ৬ অগাস্ট ২০২২, শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- সোমবার ফের অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) নিজাম প্যালেসে তলব করেছে সিবিআই (CBI)। তার আগেই আদালতের কাছে তাঁর ও তাঁর আত্মীয়দের নামে থাকা সন্দেহজনক ১৪টি জমির ডিড (Land Deed) সিবিআই আদালতের নজরে এনেছে তদন্তকারী সংস্থা। বুধবার বীরভূমে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়ি, ক্র্যাশার সহ একাধিক জায়গায় হানা দেয় সিবিআই। টাকার পাশাপাশি বহু নথি বাজেয়াপ্ত (Documents Seized) করেছে তারা। একইভাবে নানুরে বীরভূম জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষর বাড়ি ও তাঁর ম্যানেজারের কাছ থেকেও অনেক নথি পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছে সিবিআই। সেইসব নথি যাচাই করে ও অন্যান্য সূত্রে সিবিআই নিশ্চিত যে, গরু পাচাররের টাকা বিনিময়ের মাধ্যম ছিল বীরভূমের পাথর শিল্প। শুধুমাত্র গরুপাচারের (Cow Smuggling) কালো টাকা সাদা করে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্যই পাথর পাঠানো হতো বাংলাদেশে। বেনামে এনামূল থেকে সায়গল সহ চক্রের অন্য মাথাদের পাথর খাদান ও ক্র্যাশার রয়েছে বলে সিবিআইয়ের দাবি। এমনকী বীরভূমের বিভিন্ন জায়গার বালি কারবারেও টাকা খেটেছে। নাসিকের পেঁয়াজ বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেখানো হয়েছে যে, পেঁয়াজের দাম বাবদ টাকা এসেছে।ফলে আপাতভাবে বিষয়টি যে অনেক বড় এবং এর জাল যে এলাকার অনেক ব্যবসার মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে, তা সিবিআই ভালোরকম বুঝতে পারছে। তাই কোন কোন ব্যবসাকে কালো টাকা সাদা করার জন্য কাজে লাগানো হয়েছিল এবং সেইসব ব্যবসা কাদের নামে ছিল, তাদেরই খুঁজে বের করতে তত্পর সিবিআই। সেই কারণেই অনুব্রতকে আরও বিশদে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে। একইসঙ্গে কোন রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রচ্ছায়ার থেকে তারা এই কাজ বহাল তবিয়তে চালাত, সেটাও এখন সিবিআইয়ের আতশকাচের তলায়।