২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রয়াগরাজের পর এবার স্বয়ং যোগী আদিত্যনাথের গোরক্ষপুরে এক পরিবারের নৃশংস হত্যা

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজের পর এবার স্বয়ং যোগী আদিত্যনাথের গোরক্ষপুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলা কেটে নৃশংস ভাবে খুন করলো আততায়ীরা।

জানা গিয়েছে, এক ব্যক্তি, তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের ২০ বছরের তরুণী কন্যাকে খুন করেছে আততায়ীরা। অলোক পাসওয়ান নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশের সিনিয়র সুপারিটেন্ডেন্ট বিপিন টাডা জানিয়েছেন “অলোককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আপাতত জানা গিয়েছে, নিহত ব্যক্তির মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এরপরই মেয়েটি সেই সম্পর্ক থেকে সরে যায়। আর তাতেই ক্ষুব্ধ অলোক স্থির করে, ওই পরিবারের সকলকেই খুন করবে। আমরা তদন্ত করছি। আশা করা যায়, শিগগিরি পুরো বিষয়টিই পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

পুলিশের বক্তব্য “ঘটনার সময় গামা নিশাদ, তাঁর স্ত্রী সঞ্জু নিশাদ ও তাঁদের কন্যা ২০ বছরের প্রীতি একটি বিয়েবাড়িতে যাচ্ছিলেন। তাঁরা বাড়ি থেকে বেরনোর পরই অলোকরা তাঁদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তার হাতে বেলচা ছিল। বাড়ি থেকে মাত্র ৮০০ মিটার দূরেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তিনজনের অচেতন দেহ। গামার ছেলে আচ্ছেলাল অন্য পথ দিয়ে বিয়েবাড়ি যাচ্ছিল বলে সে প্রাণে বেঁচে গিয়েছে। গামার বড় ছেলে অন্য শহরে কর্মরত।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রয়াগরাজের পর এবার স্বয়ং যোগী আদিত্যনাথের গোরক্ষপুরে এক পরিবারের নৃশংস হত্যা

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২২, মঙ্গলবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজের পর এবার স্বয়ং যোগী আদিত্যনাথের গোরক্ষপুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলা কেটে নৃশংস ভাবে খুন করলো আততায়ীরা।

জানা গিয়েছে, এক ব্যক্তি, তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের ২০ বছরের তরুণী কন্যাকে খুন করেছে আততায়ীরা। অলোক পাসওয়ান নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশের সিনিয়র সুপারিটেন্ডেন্ট বিপিন টাডা জানিয়েছেন “অলোককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আপাতত জানা গিয়েছে, নিহত ব্যক্তির মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এরপরই মেয়েটি সেই সম্পর্ক থেকে সরে যায়। আর তাতেই ক্ষুব্ধ অলোক স্থির করে, ওই পরিবারের সকলকেই খুন করবে। আমরা তদন্ত করছি। আশা করা যায়, শিগগিরি পুরো বিষয়টিই পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

পুলিশের বক্তব্য “ঘটনার সময় গামা নিশাদ, তাঁর স্ত্রী সঞ্জু নিশাদ ও তাঁদের কন্যা ২০ বছরের প্রীতি একটি বিয়েবাড়িতে যাচ্ছিলেন। তাঁরা বাড়ি থেকে বেরনোর পরই অলোকরা তাঁদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তার হাতে বেলচা ছিল। বাড়ি থেকে মাত্র ৮০০ মিটার দূরেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তিনজনের অচেতন দেহ। গামার ছেলে আচ্ছেলাল অন্য পথ দিয়ে বিয়েবাড়ি যাচ্ছিল বলে সে প্রাণে বেঁচে গিয়েছে। গামার বড় ছেলে অন্য শহরে কর্মরত।”