২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

বীরভূমের নলহাটি থানার পুলিশ উদ্ধার করলেন ট্রাক ভর্তি বিষ্ফোরক গ্রেপ্তার চারজন

আজিম শেখ,নতুন গতি,নলহাটি : বীরভুমের নলহাটি থানার পুলিশ গোপন সুত্রে খবর পেয়ে নলহাটি সি,এ,ডি,সি মোড় থেকে বাউটিয়া যাবার রাস্তায় একটি ট্রাককে আটক করে। ট্রাক টি হায়দ্রাবাদ থেকে আসছিলো। রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সৌমজিত বড়ুয়া জানান আমাদের কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিলো একটি ট্রাক নলহাটি তে আসছে বিষ্ফোরক নিয়ে, সেই মতো নলহাটি থানার ওসি কার্তিক রায়ের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সি এ ডি সি মোড়ে অপেক্ষা করো গাড়ি টি আসতেই তাতে পাকড়াও করে। গাড়ি তে একশ উন সোত্তর(১৬৯)বস্তা অ্যামোনিয়া নাইট্রেড পাওয়া যায় এবং ড্রাইভার খালাসী সহ চারজন ছিলো, তাদের সকলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, গাড়িটি ও বাজেয়াপ্ত করেছে। কোথায় কি উদ্দেশ্যে এই বিষ্ফোরক নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেটা জানার জন্য পুলিশ ধৃতদের জেরা করছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান বিষ্ফোরক গুলি নলহাটি,সালবাদরা,বড়পাহারি, পাচামির মতো বিভিন্ন ক্র্যাসার খাদান এলাকায় নিয়া যাওয়া হচ্ছিল। পাথর খাদানে বিষ্ফোরনের জন্য জিলোটিন স্টিকের সাথে এই অ্যামোনিয়া নাইট্রেড দিলে বিষ্ফোরনের তীব্রতা আরো বেড়ে যায়। ফলে খাদান মালিকদের লাভ হয় বেশী। সাধারন ভাবে বিষ্ফোরনে উৎপাদন কম হয়। কিন্তু এই বিষ্ফোরক ব্যবহার করলে অল্প সময়ে বেশি প্রোডাকশন করা সম্ভব। সেই কারনে চোরাই ভাবে এগুলো আসে বাইরে থেকে।

বসতি এলাকার খাদানে ব্যবহার হলে এলাকার লোকের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা প্রবল। ধৃতদের কাছে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যায়নি কার কছে বিষ্ফোরক গুলো যাচ্ছিলো। তবে গাড়ি বা বিষ্ফোরকের বৈধ কাগজ পত্র পায়নি পুলিশ। বিষ্ফোরকের আসল মালিক কে কার কাছে যাচ্ছিলো সেব্যাপারে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছেন।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বীরভূমের নলহাটি থানার পুলিশ উদ্ধার করলেন ট্রাক ভর্তি বিষ্ফোরক গ্রেপ্তার চারজন

আপডেট : ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

আজিম শেখ,নতুন গতি,নলহাটি : বীরভুমের নলহাটি থানার পুলিশ গোপন সুত্রে খবর পেয়ে নলহাটি সি,এ,ডি,সি মোড় থেকে বাউটিয়া যাবার রাস্তায় একটি ট্রাককে আটক করে। ট্রাক টি হায়দ্রাবাদ থেকে আসছিলো। রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সৌমজিত বড়ুয়া জানান আমাদের কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিলো একটি ট্রাক নলহাটি তে আসছে বিষ্ফোরক নিয়ে, সেই মতো নলহাটি থানার ওসি কার্তিক রায়ের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সি এ ডি সি মোড়ে অপেক্ষা করো গাড়ি টি আসতেই তাতে পাকড়াও করে। গাড়ি তে একশ উন সোত্তর(১৬৯)বস্তা অ্যামোনিয়া নাইট্রেড পাওয়া যায় এবং ড্রাইভার খালাসী সহ চারজন ছিলো, তাদের সকলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, গাড়িটি ও বাজেয়াপ্ত করেছে। কোথায় কি উদ্দেশ্যে এই বিষ্ফোরক নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেটা জানার জন্য পুলিশ ধৃতদের জেরা করছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান বিষ্ফোরক গুলি নলহাটি,সালবাদরা,বড়পাহারি, পাচামির মতো বিভিন্ন ক্র্যাসার খাদান এলাকায় নিয়া যাওয়া হচ্ছিল। পাথর খাদানে বিষ্ফোরনের জন্য জিলোটিন স্টিকের সাথে এই অ্যামোনিয়া নাইট্রেড দিলে বিষ্ফোরনের তীব্রতা আরো বেড়ে যায়। ফলে খাদান মালিকদের লাভ হয় বেশী। সাধারন ভাবে বিষ্ফোরনে উৎপাদন কম হয়। কিন্তু এই বিষ্ফোরক ব্যবহার করলে অল্প সময়ে বেশি প্রোডাকশন করা সম্ভব। সেই কারনে চোরাই ভাবে এগুলো আসে বাইরে থেকে।

বসতি এলাকার খাদানে ব্যবহার হলে এলাকার লোকের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা প্রবল। ধৃতদের কাছে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যায়নি কার কছে বিষ্ফোরক গুলো যাচ্ছিলো। তবে গাড়ি বা বিষ্ফোরকের বৈধ কাগজ পত্র পায়নি পুলিশ। বিষ্ফোরকের আসল মালিক কে কার কাছে যাচ্ছিলো সেব্যাপারে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছেন।