২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

জাঁকিয়ে বসেছে শীতঃ কলকাতা থেকে বীরভূম, ঠান্ডায় জবুথবু অবস্হা বাংলাবাসীর

মহিউদ্দীন আহমেদ: পৌষ মাস পেড়িয়ে মাখ মাস এসে গেছে। এখন হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় জবুথবু অবস্হা বাংলা বাসীর। পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদহ সহ কলকাতা সংলগ্ন জেলা সব জায়গায় হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় জবুথবু অবস্হা বাঙালীর।

পৌষমাস শেষের দিকে ঠান্ডা অনেকটাই কমে ছিলো। তারপর নিম্নচাপের জেরে মেঘ দেখা দিলে ঠান্ডা কমে যায়। টানা ২ দিন হাল্কা বৃষ্টিতে ভিজেছে বাংলার মাটি। বৃষ্টি কমে মেঘ কাটতেই হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা পশ্চিমবঙ্গ। এখন ঠান্ডার জেরে সকাল নটার আগে বাড়ী থেকে বেড় হওয়াটা বেশ কষ্টকর। আবার দিনে ঠান্ডা হাওয়াই বেশ কষ্ট পাচ্ছেন সাধারন মানুষ। সন্ধ্যার পর সাধারন মানুষ খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ী থেকে হচ্ছেন না। দোকান পাঠ সন্ধ্যার পর এক রকম ফাঁকা। প্রকৃতির নিয়মে হাড় কাঁপানো ঠান্ডাতে জবুথবু অবস্হা হলেও রুজি রোজগারের জন্য যাদের বাড়ী থেকে না বেড়ুলেই নয় তাদের বেড় হতে হচ্ছে খুব কষ্টের উপর। সকালের দিকে সব্জী বিক্রতা, মাছ বিক্রেতা, সংবাদপত্র হকারদের ভোর বেলায় ঘড় থেকে বেড় হতে হয়। তবে ঠান্ডার দাপটে বেশ কষ্টকর হয়ে উটছে তাদের কাছেও। শ্রীনিকেতন আবহাওয়া দফতরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রীতে নেমে গেছে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রীতে নেমেছে। শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার জেলাতে ৮ থেকে ৯ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ঘোড়াফেরা করছে তাপমাত্রা। এই ঠান্ডা এখনও দিন কয়েক চলবে বলে জানা গেছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জাঁকিয়ে বসেছে শীতঃ কলকাতা থেকে বীরভূম, ঠান্ডায় জবুথবু অবস্হা বাংলাবাসীর

আপডেট : ১৯ জানুয়ারী ২০২২, বুধবার

মহিউদ্দীন আহমেদ: পৌষ মাস পেড়িয়ে মাখ মাস এসে গেছে। এখন হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় জবুথবু অবস্হা বাংলা বাসীর। পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদহ সহ কলকাতা সংলগ্ন জেলা সব জায়গায় হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় জবুথবু অবস্হা বাঙালীর।

পৌষমাস শেষের দিকে ঠান্ডা অনেকটাই কমে ছিলো। তারপর নিম্নচাপের জেরে মেঘ দেখা দিলে ঠান্ডা কমে যায়। টানা ২ দিন হাল্কা বৃষ্টিতে ভিজেছে বাংলার মাটি। বৃষ্টি কমে মেঘ কাটতেই হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা পশ্চিমবঙ্গ। এখন ঠান্ডার জেরে সকাল নটার আগে বাড়ী থেকে বেড় হওয়াটা বেশ কষ্টকর। আবার দিনে ঠান্ডা হাওয়াই বেশ কষ্ট পাচ্ছেন সাধারন মানুষ। সন্ধ্যার পর সাধারন মানুষ খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ী থেকে হচ্ছেন না। দোকান পাঠ সন্ধ্যার পর এক রকম ফাঁকা। প্রকৃতির নিয়মে হাড় কাঁপানো ঠান্ডাতে জবুথবু অবস্হা হলেও রুজি রোজগারের জন্য যাদের বাড়ী থেকে না বেড়ুলেই নয় তাদের বেড় হতে হচ্ছে খুব কষ্টের উপর। সকালের দিকে সব্জী বিক্রতা, মাছ বিক্রেতা, সংবাদপত্র হকারদের ভোর বেলায় ঘড় থেকে বেড় হতে হয়। তবে ঠান্ডার দাপটে বেশ কষ্টকর হয়ে উটছে তাদের কাছেও। শ্রীনিকেতন আবহাওয়া দফতরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রীতে নেমে গেছে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রীতে নেমেছে। শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার জেলাতে ৮ থেকে ৯ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ঘোড়াফেরা করছে তাপমাত্রা। এই ঠান্ডা এখনও দিন কয়েক চলবে বলে জানা গেছে।