২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

গোটা রাজ্যে পুরসভা ভোটের প্রচারের জন্য মোদি কাটাউটের ব্যবহার বঙ্গ বিজেপির

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র দু’মাসের অপেক্ষা। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই শেষ হবে গোটা রাজ্যের শতাধিক পুরসভার ভোট। সময় আর বেশি নেই। কলকাতা পুরভোটে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে বিজেপি। সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। তাই এখন থেকেই জোর দিতে চাইছে প্রচারে।

কলকাতায় না ছিল লোকবল, না ছিল প্রচার। মিনাদেবী কিংবা বিজয় ওঝা নিজস্ব লোকবলের ভরসায় সব বাধা কাটিয়ে জয় ছিনিয়ে নিতে পেরেছেন। বিজেপি নেতৃত্বের ধারণা হয়েছে, লোকবলই পারবে সাফল্যের দরজা খুলতে। দলের অভ্যন্তরে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এক মুহূর্ত দেরি না করে ব্যাপক প্রচার শুরু করতে হবে। পত্রপাঠ দলের মাসকট মোদির কাটআউট তৈরি করে ফেলা হয়েছে। বস্তা বন্দি হয়ে চলে এসেছেন স্বয়ং মোদি। এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষা। জেলায় জেলায় পৌঁছে যাবে মোদির হাফ বাস্ট কাটআউট। ছড়িয়ে দেয়া হবে পুরসভা এলাকা গুলিতে। এখনো তিনিই  দলের একমাত্র মুখ যাকে সামনে রেখে সব ভোটেই বৈতরণী পার হতে চায় গেরুয়া শিবির।

যে শতাধিক পুরসভায় ভোট বকেয়া সেখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এগিয়ে বিজেপি। এই অঙ্ক চলতি বছর বিধানসভা ভোটের নিরিখে। তারপর তিস্তা-তোর্ষা-ডুলুং দিয়ে বয়ে গেছে কিউসেক কিউসেক জল। পাল্টে গেছে রাজনৈতিক পরিবেশ। যার প্রতিফলন হয়েছে সদ্য সমাপ্ত উপনির্বাচন এবং কলকাতা পুরভোটেও। এই জায়গা থেকেই ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে বিজেপি। লক্ষ্য, দলকে সংগঠিত করা আর অভিমুখ নির্দিষ্ট করা প্রচার প্রচার এবং প্রচারে। সেই প্রচারের মুখ একমাত্র মোদি। বর্তমানে যিনি বস্তাবন্দি হয়ে বিজেপির রাজ্য দফতরে। অপেক্ষা জেলায় জেলায় ছড়িয়ে পরার।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গোটা রাজ্যে পুরসভা ভোটের প্রচারের জন্য মোদি কাটাউটের ব্যবহার বঙ্গ বিজেপির

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২১, শনিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র দু’মাসের অপেক্ষা। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই শেষ হবে গোটা রাজ্যের শতাধিক পুরসভার ভোট। সময় আর বেশি নেই। কলকাতা পুরভোটে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে বিজেপি। সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। তাই এখন থেকেই জোর দিতে চাইছে প্রচারে।

কলকাতায় না ছিল লোকবল, না ছিল প্রচার। মিনাদেবী কিংবা বিজয় ওঝা নিজস্ব লোকবলের ভরসায় সব বাধা কাটিয়ে জয় ছিনিয়ে নিতে পেরেছেন। বিজেপি নেতৃত্বের ধারণা হয়েছে, লোকবলই পারবে সাফল্যের দরজা খুলতে। দলের অভ্যন্তরে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এক মুহূর্ত দেরি না করে ব্যাপক প্রচার শুরু করতে হবে। পত্রপাঠ দলের মাসকট মোদির কাটআউট তৈরি করে ফেলা হয়েছে। বস্তা বন্দি হয়ে চলে এসেছেন স্বয়ং মোদি। এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষা। জেলায় জেলায় পৌঁছে যাবে মোদির হাফ বাস্ট কাটআউট। ছড়িয়ে দেয়া হবে পুরসভা এলাকা গুলিতে। এখনো তিনিই  দলের একমাত্র মুখ যাকে সামনে রেখে সব ভোটেই বৈতরণী পার হতে চায় গেরুয়া শিবির।

যে শতাধিক পুরসভায় ভোট বকেয়া সেখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এগিয়ে বিজেপি। এই অঙ্ক চলতি বছর বিধানসভা ভোটের নিরিখে। তারপর তিস্তা-তোর্ষা-ডুলুং দিয়ে বয়ে গেছে কিউসেক কিউসেক জল। পাল্টে গেছে রাজনৈতিক পরিবেশ। যার প্রতিফলন হয়েছে সদ্য সমাপ্ত উপনির্বাচন এবং কলকাতা পুরভোটেও। এই জায়গা থেকেই ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে বিজেপি। লক্ষ্য, দলকে সংগঠিত করা আর অভিমুখ নির্দিষ্ট করা প্রচার প্রচার এবং প্রচারে। সেই প্রচারের মুখ একমাত্র মোদি। বর্তমানে যিনি বস্তাবন্দি হয়ে বিজেপির রাজ্য দফতরে। অপেক্ষা জেলায় জেলায় ছড়িয়ে পরার।