১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিডিও এর উদ্যোগে নাবালিকার বিয়ে বন্ধ হল দক্ষিণ দিনাজপুরে।

নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ দিনাজপুর- দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ ব্লকের পূর্ণতৈড় এলাকার বাসিন্দা সাজেদা বিবির মেয়ে নুরবানু খাতুন যার বয়স আনুমানিক ১৬ বছর তার সাথে বালুরঘাট থানার  অন্তর্গত বোল্লা হাসপাতাল পাড়ার বাসিন্দা সাইফুর মোল্লার বিয়ে ঠিক হয়। বিবাহে অনিচ্ছুক তথা এই নাবালিকার বিবাহ বন্ধের আবেদন জানিয়ে কুমারগঞ্জ এলাকার  স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মধ্য রামকৃষ্ণপুর উন্নয়ন সমিতিতে ফোন এলে সংস্থার তরফে  তৎক্ষনাৎ বিডিও এবং পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়। এর পর বিডিও দেবদত্ত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে ওই নাবালিকার বিবাহ বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এবং বিডিও সহ কুমারগঞ্জ থানার ওসি সুদীপ্ত কুমার দাস, পিএলভি মিজানুর রহমান সহ বিভিন্ন আধিকারিকরা এই নাবালিকার বাড়ি গিয়ে তার অভিভাবকদের বুঝিয়ে এই বিবাহ রোধে সক্ষম হন। এবং ভবিষ্যতে এই নাবালিকার ১৮ বৎসর হওয়ার পুর্বে বিবাহ না দেওয়ার  অঙ্গীকার করে মুচলেকা লিখিয়ে নেন।  এই বিষয়ে মধ্য রামকৃষ্ণপুর উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক তথা পিএলভি মিজানুর রহমান বলেন ১৯৯৭ সাল থেকে  আমরা নাবালিকাদের বিবাহ বন্ধে উদ্যোগ নিয়ে চলেছি । এই বাংলা বর্ষেই আমরা প্রায় ২৫ জনের ওপরে নাবালিকার বিবাহ বন্ধে সমর্থ হয়েছি।  আগামী দিনেও আমাদের এই অভিযান চলবে।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিডিও এর উদ্যোগে নাবালিকার বিয়ে বন্ধ হল দক্ষিণ দিনাজপুরে।

আপডেট : ২৩ জানুয়ারী ২০১৯, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ দিনাজপুর- দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ ব্লকের পূর্ণতৈড় এলাকার বাসিন্দা সাজেদা বিবির মেয়ে নুরবানু খাতুন যার বয়স আনুমানিক ১৬ বছর তার সাথে বালুরঘাট থানার  অন্তর্গত বোল্লা হাসপাতাল পাড়ার বাসিন্দা সাইফুর মোল্লার বিয়ে ঠিক হয়। বিবাহে অনিচ্ছুক তথা এই নাবালিকার বিবাহ বন্ধের আবেদন জানিয়ে কুমারগঞ্জ এলাকার  স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মধ্য রামকৃষ্ণপুর উন্নয়ন সমিতিতে ফোন এলে সংস্থার তরফে  তৎক্ষনাৎ বিডিও এবং পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়। এর পর বিডিও দেবদত্ত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে ওই নাবালিকার বিবাহ বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এবং বিডিও সহ কুমারগঞ্জ থানার ওসি সুদীপ্ত কুমার দাস, পিএলভি মিজানুর রহমান সহ বিভিন্ন আধিকারিকরা এই নাবালিকার বাড়ি গিয়ে তার অভিভাবকদের বুঝিয়ে এই বিবাহ রোধে সক্ষম হন। এবং ভবিষ্যতে এই নাবালিকার ১৮ বৎসর হওয়ার পুর্বে বিবাহ না দেওয়ার  অঙ্গীকার করে মুচলেকা লিখিয়ে নেন।  এই বিষয়ে মধ্য রামকৃষ্ণপুর উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক তথা পিএলভি মিজানুর রহমান বলেন ১৯৯৭ সাল থেকে  আমরা নাবালিকাদের বিবাহ বন্ধে উদ্যোগ নিয়ে চলেছি । এই বাংলা বর্ষেই আমরা প্রায় ২৫ জনের ওপরে নাবালিকার বিবাহ বন্ধে সমর্থ হয়েছি।  আগামী দিনেও আমাদের এই অভিযান চলবে।