২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

মডেল বাড়িভাড়া আইনে সবুজ সঙ্কেত দিল মোদি সরকার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : এবার মডেল বাড়িভাড়া আইনে সবুজ সঙ্কেত দিল মোদি সরকার। এই আইনের আওতায় দেশের ভাড়াটে ও মালিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত এবং ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। দায়িত্ব দেওয়া হবে এক বিশেষ কর্তৃপক্ষকেও। এই জন্য ২০২০-তে এই আইনের কিছু সংশোধনও করা হয়েছে।

মডেল টেনেন্সি অ্যাক্ট ২০২০ হল ভাড়াটে এবং বাড়িওয়ালা উভয়কে সুবিধা প্রদানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের একটি পদক্ষেপ। এই মডেল আইনে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটের স্বার্থরক্ষায় বেশ কিছু বিষয় উল্লেখ করা রয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভাড়াটে যদি বাড়ি না ছাড়তে পারেন তবে সে ক্ষেত্রে প্রথম দুমাস তাকে দ্বিগুণ ভাড়া গুনতে হবে‌। এরপরেও যদি ভাড়াটে সেই ঘর ছাড়তে না পারেন তবে সেক্ষেত্রে তাকে প্রতি মাসে চার গুণ করে ভাড়া দিতে হবে বাড়িওয়ালাকে। এছাড়াও বলা হয়েছে যে ব্যক্তিগত কারণে বাড়ি ভাড়া নিলে ভাড়াটেকে একটি সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে দু’মাসের ভাড়া অগ্রিম দিতে হবে। ব্যবসা-সংক্রান্ত হলে ছয় মাসের ভাড়া অগ্রিম দিতে হবে। তবে ভাড়াটের স্বার্থেও বেশ কিছু সদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ভাড়া নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তার জন্য জল সরবরাহ ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে না।

বাড়িওয়ালা সময়ের মধ্যে সিকিউরিটি ডিপোজিট যদি ফিরিয়ে না দেন সে ক্ষেত্রে বাড়িওয়ালাকে সেই টাকার উপরে সুদ গুণতে হবে। বাড়ি ভাড়া যদি বাড়াতে হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে তিনমাস আগে ভাড়াটেকে নোটিস দিতে হবে। নিয়ম-বহির্ভূতভাবে কোনও ভাড়াটেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। আর এই আইন মোতাবেকই এবার কাজ শুরু করবে সংশ্লিষ্ট ওই ট্রাইবুনাল ও কর্তৃপক্ষ।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মডেল বাড়িভাড়া আইনে সবুজ সঙ্কেত দিল মোদি সরকার

আপডেট : ৬ জুন ২০২১, রবিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : এবার মডেল বাড়িভাড়া আইনে সবুজ সঙ্কেত দিল মোদি সরকার। এই আইনের আওতায় দেশের ভাড়াটে ও মালিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত এবং ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। দায়িত্ব দেওয়া হবে এক বিশেষ কর্তৃপক্ষকেও। এই জন্য ২০২০-তে এই আইনের কিছু সংশোধনও করা হয়েছে।

মডেল টেনেন্সি অ্যাক্ট ২০২০ হল ভাড়াটে এবং বাড়িওয়ালা উভয়কে সুবিধা প্রদানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের একটি পদক্ষেপ। এই মডেল আইনে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটের স্বার্থরক্ষায় বেশ কিছু বিষয় উল্লেখ করা রয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভাড়াটে যদি বাড়ি না ছাড়তে পারেন তবে সে ক্ষেত্রে প্রথম দুমাস তাকে দ্বিগুণ ভাড়া গুনতে হবে‌। এরপরেও যদি ভাড়াটে সেই ঘর ছাড়তে না পারেন তবে সেক্ষেত্রে তাকে প্রতি মাসে চার গুণ করে ভাড়া দিতে হবে বাড়িওয়ালাকে। এছাড়াও বলা হয়েছে যে ব্যক্তিগত কারণে বাড়ি ভাড়া নিলে ভাড়াটেকে একটি সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে দু’মাসের ভাড়া অগ্রিম দিতে হবে। ব্যবসা-সংক্রান্ত হলে ছয় মাসের ভাড়া অগ্রিম দিতে হবে। তবে ভাড়াটের স্বার্থেও বেশ কিছু সদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ভাড়া নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তার জন্য জল সরবরাহ ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে না।

বাড়িওয়ালা সময়ের মধ্যে সিকিউরিটি ডিপোজিট যদি ফিরিয়ে না দেন সে ক্ষেত্রে বাড়িওয়ালাকে সেই টাকার উপরে সুদ গুণতে হবে। বাড়ি ভাড়া যদি বাড়াতে হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে তিনমাস আগে ভাড়াটেকে নোটিস দিতে হবে। নিয়ম-বহির্ভূতভাবে কোনও ভাড়াটেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। আর এই আইন মোতাবেকই এবার কাজ শুরু করবে সংশ্লিষ্ট ওই ট্রাইবুনাল ও কর্তৃপক্ষ।