২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

পুলিশকে ব্যবস্থা না নিতে দেখে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বারাসাতের যৌন নির্যাতিত নাবালিকার পরিবারের

দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বছর খানেক আগে যৌন নির্যাতিত হয়েছিল বারাসাতের এক নাবালিকা। সুবিচার না আত্মহত্যা করে সেই নাবালিকা। অবশেষে, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিতভাবে গোটা বিষয়টি জানায় মৃত নাবালিকার পরিবার। পাশাপাশি বারাসত পুলিশ জেলার সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়েরও দ্বারস্থ হন তাঁরা। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, বারাসত থানার অন্তর্গত উত্তর কাজিপাড়ার সিথিবড়া এলাকার মামার বাড়িতে থাকতেন নবম শ্রেণির ছাত্রী ওই নাবালিকা। স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে তার বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ, বছরখানেক আগে ওই যুবক নাবালিকাকে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরিবারের তরফে এবিষয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে সালিশি করে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলা হয় বলে অভিযোগ। এরপর এলাকার ডাকাবুকো কয়েকজনের নেতৃত্বে নাবালিকার পরিবার অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের সঙ্গে মীমাংসায় বসে। এই সভাতেই সিদ্ধান্ত হয় নাবালিকা প্রাপ্তবয়স্ক হলে যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু তারপরও নানানভাবে ওই যুবক নাবালিকাকে অত্যাচার করত বলে অভিযোগ। এরপর চলতি মাসের ৪ তারিখ আত্মঘাতী হয় নাবালিকা। এই ঘটনাটি পরিবারের তরফে থানায় জানানো হয়। অভিযোগ, কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় শেষমেষ বারাসত পুলিশ জেলার সুপারের দ্বারস্থ হন মৃতের পরিবার। মুখ্যমন্ত্রীকেও লিখিত অভিযোগ জানান তারা।

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুলিশকে ব্যবস্থা না নিতে দেখে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বারাসাতের যৌন নির্যাতিত নাবালিকার পরিবারের

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২২, বৃহস্পতিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বছর খানেক আগে যৌন নির্যাতিত হয়েছিল বারাসাতের এক নাবালিকা। সুবিচার না আত্মহত্যা করে সেই নাবালিকা। অবশেষে, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিতভাবে গোটা বিষয়টি জানায় মৃত নাবালিকার পরিবার। পাশাপাশি বারাসত পুলিশ জেলার সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়েরও দ্বারস্থ হন তাঁরা। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, বারাসত থানার অন্তর্গত উত্তর কাজিপাড়ার সিথিবড়া এলাকার মামার বাড়িতে থাকতেন নবম শ্রেণির ছাত্রী ওই নাবালিকা। স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে তার বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ, বছরখানেক আগে ওই যুবক নাবালিকাকে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরিবারের তরফে এবিষয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে সালিশি করে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলা হয় বলে অভিযোগ। এরপর এলাকার ডাকাবুকো কয়েকজনের নেতৃত্বে নাবালিকার পরিবার অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের সঙ্গে মীমাংসায় বসে। এই সভাতেই সিদ্ধান্ত হয় নাবালিকা প্রাপ্তবয়স্ক হলে যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু তারপরও নানানভাবে ওই যুবক নাবালিকাকে অত্যাচার করত বলে অভিযোগ। এরপর চলতি মাসের ৪ তারিখ আত্মঘাতী হয় নাবালিকা। এই ঘটনাটি পরিবারের তরফে থানায় জানানো হয়। অভিযোগ, কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় শেষমেষ বারাসত পুলিশ জেলার সুপারের দ্বারস্থ হন মৃতের পরিবার। মুখ্যমন্ত্রীকেও লিখিত অভিযোগ জানান তারা।