২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

শ্মশান যাত্রায় মৃত্যুশোক ভুলে ডিজে-বাদ্য বাজিয়ে নাচে-গানে মেতে উঠলেন পরিবার এবং গ্রামবাসীরা

জলপাইগুড়ি: শ্মশান যাত্রায় মৃত্যুশোক ভুলে ডিজে-বাদ্য বাজিয়ে নাচে-গানে মেতে উঠলেন পরিবার এবং গ্রামবাসীরা। হ‍্যা, এমনই অভিনব ছবি দেখা গেলো জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জে। ভাবা যায় অন্তিম যাত্রার বাজছে ব্যান্ড পার্টি ও ডিজে। এর মাঝে চার কাঁধে হেলে দুলে শ্মশানে যাচ্ছে মরদেহ। তাঁর পেছনে নাচতে নাচতে এগিয়ে চলেছেন আত্মীয়স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীরা।

রাজগঞ্জ এর দুবরাগছ অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দা সুকুমার সরকারের মা মারা গিয়েছেন ১০৪ বছর বয়সে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ১০৪ বছরের ওই বৃদ্ধার শেষ ইচ্ছেই ছিল এমন আয়োজন। অর্থাৎ তাঁর শেষযাত্রায় কেউ যেন মনখারাপ না করে। সকলেই যেন আনন্দ করে তাঁর দেহ শ্মশানে নিয়ে যায়। তাই এই অভিনব আয়োজন করেছেন বাড়ির লোকেরা। নাতি মঙ্গল সরকার জানান, তাদের ঠাকুরমা মালতি সরকার ১০৪ বছর বয়োসে মারা গেছেন তাই আমরা মনে করি এই মৃত্যু আনন্দের।তাই আমরা হাসতে হাসতে আনন্দ করতে করতে ঠাকুমাকে নিয়ে যাচ্ছি।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শ্মশান যাত্রায় মৃত্যুশোক ভুলে ডিজে-বাদ্য বাজিয়ে নাচে-গানে মেতে উঠলেন পরিবার এবং গ্রামবাসীরা

আপডেট : ১৪ জুন ২০২২, মঙ্গলবার

জলপাইগুড়ি: শ্মশান যাত্রায় মৃত্যুশোক ভুলে ডিজে-বাদ্য বাজিয়ে নাচে-গানে মেতে উঠলেন পরিবার এবং গ্রামবাসীরা। হ‍্যা, এমনই অভিনব ছবি দেখা গেলো জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জে। ভাবা যায় অন্তিম যাত্রার বাজছে ব্যান্ড পার্টি ও ডিজে। এর মাঝে চার কাঁধে হেলে দুলে শ্মশানে যাচ্ছে মরদেহ। তাঁর পেছনে নাচতে নাচতে এগিয়ে চলেছেন আত্মীয়স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীরা।

রাজগঞ্জ এর দুবরাগছ অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দা সুকুমার সরকারের মা মারা গিয়েছেন ১০৪ বছর বয়সে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ১০৪ বছরের ওই বৃদ্ধার শেষ ইচ্ছেই ছিল এমন আয়োজন। অর্থাৎ তাঁর শেষযাত্রায় কেউ যেন মনখারাপ না করে। সকলেই যেন আনন্দ করে তাঁর দেহ শ্মশানে নিয়ে যায়। তাই এই অভিনব আয়োজন করেছেন বাড়ির লোকেরা। নাতি মঙ্গল সরকার জানান, তাদের ঠাকুরমা মালতি সরকার ১০৪ বছর বয়োসে মারা গেছেন তাই আমরা মনে করি এই মৃত্যু আনন্দের।তাই আমরা হাসতে হাসতে আনন্দ করতে করতে ঠাকুমাকে নিয়ে যাচ্ছি।