২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

সদর ব্লকের সানুপাড়ার অন্তত দুহাজার মানুষ তীব্র জলকষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:- সদর ব্লকের সানুপাড়ার অন্তত দুহাজার মানুষ তীব্র জলকষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। জল কিনে খেতে হচ্ছে তাঁদের। শুধু কি পানীয় জল, স্নানের জলও কিনতে হচ্ছে। প্রতি টিন জলের মূল্য ১৫ টাকা। জলপাইগুড়ি পুরসভা থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে সানুপাড়ায় জলকষ্টে ক্ষোভ জমেছে বাসিন্দাদের মধ্যে।প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পুরসভা এলাকায় গিয়ে জল আনতে হয় সানুপাড়ার গণেশ ঘোষ, আশা চৌহান, সুদীপ চৌহান, কৃষ্ণকান্ত রায়, মহম্মদ মহাবিল, অঞ্জলি রায়, জয় রায়দের মতো অনেককে। এলাকায় জলের সমস্যা মেটাতে সোমবার জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদে এসে স্মারকলিপি দেন তাঁরা। এলাকার জলসংকট মেটাতে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সানুপাড়ার বাসিন্দারা। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি দুলাল দেবনাথের বক্তব্য, জেলা পরিষদ কারিগরি জনস্বাস্থ্য (পিএইচই) দপ্তরের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর জলস্বপ্ন প্রকল্প রূপায়িত করছে। আমরা সানুপাড়া গ্রামে জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেব। এব্যাপারে কারিগরি জনস্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ করা হবে।জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের সানুপাড়া গ্রাম খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে পানীয় জলের কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ। আগে পানীয় জলের দাবিতে সানুপাড়ার বাসিন্দারা জলপাইগুড়ির প্রাক্তন বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায়ের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে প্রাক্তন বিধায়ক বিষয়টি তৎকালীন পুরপ্রধান মোহন বসুর নজরে আনেন। সানুপাড়া পুরসভার কাছে হওয়ায় সেসময় পুরসভার তরফে সেখানকার বাসিন্দাদের জন্য জলের একটি ট্যাপকল করে দেন। বর্তমানে ট্যাপকলটি দিয়ে সামান্য জল পড়লেও দুহাজার মানুষের জন্য তা যথেষ্ট নয় বলে দাবি স্থানীয়দের। একটি ট্যাপকলের জলে গ্রামবাসীদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।গ্রামের বাসিন্দা গণেশ ঘোষের বক্তব্য, সরকারের লক্ষ্য হল দুয়ারে দুয়ারে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেওয়া। কিন্তু সানুপাড়াতে তার কোনও প্রতিফলন হয়নি। আরেক বাসিন্দা আশা চৌহানের কথায়, খাবার জল তো দূরের কথা, শিশুদের স্নানের জলও কিনতে হচ্ছে। অসহায় আশার সংযোজন, বাড়িতে অতিথি এলে গ্লাসভর্তি জলও দিতে পারি না। এলাকায় জল সমস্যা মেটাতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। কৃষ্ণকান্ত রায়ের কথায়, গ্রামের মানুষকেও জল কিনে খেতে হচ্ছে। আমাদের অত রোজগার কোথায় যে আমরা কিনে কিনে রোজ জল খেতে পারবো।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সদর ব্লকের সানুপাড়ার অন্তত দুহাজার মানুষ তীব্র জলকষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- সদর ব্লকের সানুপাড়ার অন্তত দুহাজার মানুষ তীব্র জলকষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। জল কিনে খেতে হচ্ছে তাঁদের। শুধু কি পানীয় জল, স্নানের জলও কিনতে হচ্ছে। প্রতি টিন জলের মূল্য ১৫ টাকা। জলপাইগুড়ি পুরসভা থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে সানুপাড়ায় জলকষ্টে ক্ষোভ জমেছে বাসিন্দাদের মধ্যে।প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পুরসভা এলাকায় গিয়ে জল আনতে হয় সানুপাড়ার গণেশ ঘোষ, আশা চৌহান, সুদীপ চৌহান, কৃষ্ণকান্ত রায়, মহম্মদ মহাবিল, অঞ্জলি রায়, জয় রায়দের মতো অনেককে। এলাকায় জলের সমস্যা মেটাতে সোমবার জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদে এসে স্মারকলিপি দেন তাঁরা। এলাকার জলসংকট মেটাতে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সানুপাড়ার বাসিন্দারা। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি দুলাল দেবনাথের বক্তব্য, জেলা পরিষদ কারিগরি জনস্বাস্থ্য (পিএইচই) দপ্তরের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর জলস্বপ্ন প্রকল্প রূপায়িত করছে। আমরা সানুপাড়া গ্রামে জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেব। এব্যাপারে কারিগরি জনস্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ করা হবে।জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের সানুপাড়া গ্রাম খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে পানীয় জলের কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ। আগে পানীয় জলের দাবিতে সানুপাড়ার বাসিন্দারা জলপাইগুড়ির প্রাক্তন বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায়ের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে প্রাক্তন বিধায়ক বিষয়টি তৎকালীন পুরপ্রধান মোহন বসুর নজরে আনেন। সানুপাড়া পুরসভার কাছে হওয়ায় সেসময় পুরসভার তরফে সেখানকার বাসিন্দাদের জন্য জলের একটি ট্যাপকল করে দেন। বর্তমানে ট্যাপকলটি দিয়ে সামান্য জল পড়লেও দুহাজার মানুষের জন্য তা যথেষ্ট নয় বলে দাবি স্থানীয়দের। একটি ট্যাপকলের জলে গ্রামবাসীদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।গ্রামের বাসিন্দা গণেশ ঘোষের বক্তব্য, সরকারের লক্ষ্য হল দুয়ারে দুয়ারে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেওয়া। কিন্তু সানুপাড়াতে তার কোনও প্রতিফলন হয়নি। আরেক বাসিন্দা আশা চৌহানের কথায়, খাবার জল তো দূরের কথা, শিশুদের স্নানের জলও কিনতে হচ্ছে। অসহায় আশার সংযোজন, বাড়িতে অতিথি এলে গ্লাসভর্তি জলও দিতে পারি না। এলাকায় জল সমস্যা মেটাতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। কৃষ্ণকান্ত রায়ের কথায়, গ্রামের মানুষকেও জল কিনে খেতে হচ্ছে। আমাদের অত রোজগার কোথায় যে আমরা কিনে কিনে রোজ জল খেতে পারবো।