১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

পুত্রকে বাঁচাতে গিয়ে এক দল দুষ্কৃতীর হাতে খুন হলেন এক ব্যক্তি

নিজস্ব সংবাদদাতা : পুত্রকে বাঁচাতে গিয়ে এক দল দুষ্কৃতীর হাতে খুন হলেন এক ব্যক্তি। দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির সঞ্জয় কলোনির ঘটনা। মৃতের নাম মহম্মদ হানিফ।পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ বাড়ির সামনে কয়েক জন বাইকের উপর বসে গল্প করছিলেন। হানিফের পুত্র তাঁদের সরে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু তাঁরা বাইক সরাতে অস্বীকার করেন। এই ঘটনায় হানিফের পুত্রের সঙ্গে ওই যুবকদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। অভিযোগ, আচমকাই ওই যুবকেরা হানিফের পুত্রকে মারধর শুরু করেন।

 

বিষয়টি নজরে পড়তেই পুত্রকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন হানিফ। হামলার হাত থেকে পুত্রকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে যেতেই হানিফের উপর চড়াও হন যুবকেরা। অভিযোগ, তাঁকে মাটিতে ফেলে লাথি, ঘুষি মারা হয়। তার পর লাঠি এবং ইট দিয়েও চলে বেধড়ক মারধর। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে যুবকেরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালান। গুরুতর জখম অবস্থায় হানিফকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় হানিফের দুই পুত্রও আহত হয়েছে।

এই ঘটনার পর সঞ্জয় কলোনিতে বিক্ষোভ ছড়ায়। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেন স্থানীয়রা। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই তাঁদের গ্রেফতার করা হবে।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুত্রকে বাঁচাতে গিয়ে এক দল দুষ্কৃতীর হাতে খুন হলেন এক ব্যক্তি

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : পুত্রকে বাঁচাতে গিয়ে এক দল দুষ্কৃতীর হাতে খুন হলেন এক ব্যক্তি। দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির সঞ্জয় কলোনির ঘটনা। মৃতের নাম মহম্মদ হানিফ।পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ বাড়ির সামনে কয়েক জন বাইকের উপর বসে গল্প করছিলেন। হানিফের পুত্র তাঁদের সরে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু তাঁরা বাইক সরাতে অস্বীকার করেন। এই ঘটনায় হানিফের পুত্রের সঙ্গে ওই যুবকদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। অভিযোগ, আচমকাই ওই যুবকেরা হানিফের পুত্রকে মারধর শুরু করেন।

 

বিষয়টি নজরে পড়তেই পুত্রকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন হানিফ। হামলার হাত থেকে পুত্রকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে যেতেই হানিফের উপর চড়াও হন যুবকেরা। অভিযোগ, তাঁকে মাটিতে ফেলে লাথি, ঘুষি মারা হয়। তার পর লাঠি এবং ইট দিয়েও চলে বেধড়ক মারধর। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে যুবকেরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালান। গুরুতর জখম অবস্থায় হানিফকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় হানিফের দুই পুত্রও আহত হয়েছে।

এই ঘটনার পর সঞ্জয় কলোনিতে বিক্ষোভ ছড়ায়। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেন স্থানীয়রা। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই তাঁদের গ্রেফতার করা হবে।