২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

চারুকলা শিল্প পরিবার নিবেদিত চিত্র ও হস্তশিল্পের এক মহামিলন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল

নিজস্ব সংবাদদাতা :চারুকলা ( Fine Arts ) শিল্প পরিবার নিবেদিত চিত্র ও হস্তশিল্পের এক মহামিলন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচারের দ্বিতলের প্রদর্শনী কক্ষে । ১৯শে ডিসেম্বর থেকে ২১শে ডিসেম্বর ২০২২ এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অতিথিবর্গ যথা পরম পূজনীয় তমাল মহারাজ, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী শ্রীমতি ভাস্বতী দত্ত, পুরাতনী সঙ্গীতশিল্পী শ্রী অরিন্দম মুখোপাধ্যায়, ভাস্কর্যশিল্পী শ্রী বিমান নাগ ও লেখিকা শ্রীমতি শম্পা নাগ । কলকাতা সহ বাংলার বিভিন্ন জেলার শিল্পীরা এবং ভারতের আরও দুই রাজ্যের শিল্পীরা এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছিলেন ।

বাংলার চিত্র ও হস্তশিল্পের সম্ভার তুলে ধরাই চারুকলা শিল্প পরিবারের একমাত্র লক্ষ্য আর সেই জন্যই তারা শিল্পীদের জন্য সৃজনের মুক্ত মঞ্চের জন্ম দিয়েছেন যাতে শিল্পীরা তাদের সৃষ্টির ব্যাপ্তি ঘটাতে সক্ষম হন, জানান চারুকলা কর্ণধার শ্রী রাজদীপ দাস । প্রদর্শনী উপলক্ষ্যে একটি কর্মশালারও আয়োজন করা হয়েছিল যার নির্দেশনায় ছিলেন শিল্পী শ্রী সমীর চন্দ । অন্তিম দিনে উপস্থিত ছিলেন বাংলা ও বাঙালির অধিকার নিয়ে লড়াইয়ের অন্যতম মুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শ্রী সিদ্ধব্রত দাস ।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চারুকলা শিল্প পরিবার নিবেদিত চিত্র ও হস্তশিল্পের এক মহামিলন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২২, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :চারুকলা ( Fine Arts ) শিল্প পরিবার নিবেদিত চিত্র ও হস্তশিল্পের এক মহামিলন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচারের দ্বিতলের প্রদর্শনী কক্ষে । ১৯শে ডিসেম্বর থেকে ২১শে ডিসেম্বর ২০২২ এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অতিথিবর্গ যথা পরম পূজনীয় তমাল মহারাজ, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী শ্রীমতি ভাস্বতী দত্ত, পুরাতনী সঙ্গীতশিল্পী শ্রী অরিন্দম মুখোপাধ্যায়, ভাস্কর্যশিল্পী শ্রী বিমান নাগ ও লেখিকা শ্রীমতি শম্পা নাগ । কলকাতা সহ বাংলার বিভিন্ন জেলার শিল্পীরা এবং ভারতের আরও দুই রাজ্যের শিল্পীরা এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছিলেন ।

বাংলার চিত্র ও হস্তশিল্পের সম্ভার তুলে ধরাই চারুকলা শিল্প পরিবারের একমাত্র লক্ষ্য আর সেই জন্যই তারা শিল্পীদের জন্য সৃজনের মুক্ত মঞ্চের জন্ম দিয়েছেন যাতে শিল্পীরা তাদের সৃষ্টির ব্যাপ্তি ঘটাতে সক্ষম হন, জানান চারুকলা কর্ণধার শ্রী রাজদীপ দাস । প্রদর্শনী উপলক্ষ্যে একটি কর্মশালারও আয়োজন করা হয়েছিল যার নির্দেশনায় ছিলেন শিল্পী শ্রী সমীর চন্দ । অন্তিম দিনে উপস্থিত ছিলেন বাংলা ও বাঙালির অধিকার নিয়ে লড়াইয়ের অন্যতম মুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শ্রী সিদ্ধব্রত দাস ।