২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ডিমে অন্ধ্রপ্রদেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে উদ্যোগী হল পূর্ব বর্ধমান জেলা

নিজস্ব সংবাদদাতা:ডিমে অন্ধ্রপ্রদেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে উদ্যোগী হল পূর্ব বর্ধমান জেলা। এই জেলায় ডিম উৎপাদনে স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিল প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতর। এ জন্য বেকার যুবকদের ফার্ম তৈরিতে উৎসাহ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাদের হাঁস-মুরগি সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, মাংস উৎপাদন বাড়াতে হাঁস মুরগির পাশাপাশি ছাগলের বাচ্চাও সরবরাহ করা হচ্ছে।

 

ইতিমধ্যেই বেশ কিছু স্বনির্ভর গোষ্ঠী উৎসাহের সঙ্গে এগিয়ে এসেছে বলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ ২০২১ আর্থিক বর্ষে এই জেলায় ৭৬ কোটি ৬২ লক্ষ ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই লক্ষ্যমাত্রা সে বছর পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সেই বছর ৭১ কোটি ১৯ লক্ষ ডিম উৎপাদন হয়েছিল। তার পরের বছর অবশ্য ব্যাপক সাফল্য মেলে। ২০২১- ২০২২ আর্থিক বর্ষে ৭৭ কোটি ২৭ লক্ষ ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। সে বছর ডিম উৎপন্ন হয়েছিল লক্ষ্যমাত্রার বেশি।

ওই আর্থিক বর্ষে ৭৭ কোটি ৫৭ লক্ষ ডিম উৎপন্ন হয়েছিল। চলতি আর্থিক বর্ষে ৮৭ কোটি ৯৮ লক্ষ ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে বেকার যুবকদের ফার্ম তৈরিতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই জেলায় উন্নতমানের পাঁচটি বড় ফার্ম চালু রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই ফার্মগুলি থেকে বছরে ৩ কোটি ৯৫ লক্ষ ডিম উৎপন্ন হতে পারে। শুধু তাই নয়, এই ফর্মগুলি থেকে প্রচুর পরিমাণে মাংসও উৎপন্ন হয়।পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি সম্পা ধারা জানান, এখন স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও যুবকদের মধ্যে ফার্ম তৈরিতে অনেক বেশি উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ব্লকে ব্লকে প্রচার চালানো হচ্ছে। আশা করছি আগামী দিনে আমরা ডিম উৎপাদনে অনেকটাই স্বনির্ভর হতে পারব। তাতে কর্মসংস্থান যেমন বাড়বে তেমনই বাইরের রাজ্যের প্রতি ডিম আমদানিতে নির্ভরশীলতা কমবে। প্রাণিসম্পদ বিকাশ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমান জেলায় আউশগ্রাম, গলসি, খণ্ডঘোষ সহ বিভিন্ন ব্লকে ফার্ম বাড়ছে। অনেকেই ফার্ম তৈরির জন্য উৎসাহের সঙ্গে এগিয়ে আসছেন। তার ফলে ডিম উৎপাদন বাড়ছে। এই উৎপাদন বাড়িয়ে অন্য রাজ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোই লক্ষ্য জেলা প্রশাসনের।

“প্রয়োজনে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেও দাঁড়াতে পারেন”: বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ডিমে অন্ধ্রপ্রদেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে উদ্যোগী হল পূর্ব বর্ধমান জেলা

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা:ডিমে অন্ধ্রপ্রদেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে উদ্যোগী হল পূর্ব বর্ধমান জেলা। এই জেলায় ডিম উৎপাদনে স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিল প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতর। এ জন্য বেকার যুবকদের ফার্ম তৈরিতে উৎসাহ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাদের হাঁস-মুরগি সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, মাংস উৎপাদন বাড়াতে হাঁস মুরগির পাশাপাশি ছাগলের বাচ্চাও সরবরাহ করা হচ্ছে।

 

ইতিমধ্যেই বেশ কিছু স্বনির্ভর গোষ্ঠী উৎসাহের সঙ্গে এগিয়ে এসেছে বলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ ২০২১ আর্থিক বর্ষে এই জেলায় ৭৬ কোটি ৬২ লক্ষ ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই লক্ষ্যমাত্রা সে বছর পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সেই বছর ৭১ কোটি ১৯ লক্ষ ডিম উৎপাদন হয়েছিল। তার পরের বছর অবশ্য ব্যাপক সাফল্য মেলে। ২০২১- ২০২২ আর্থিক বর্ষে ৭৭ কোটি ২৭ লক্ষ ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। সে বছর ডিম উৎপন্ন হয়েছিল লক্ষ্যমাত্রার বেশি।

ওই আর্থিক বর্ষে ৭৭ কোটি ৫৭ লক্ষ ডিম উৎপন্ন হয়েছিল। চলতি আর্থিক বর্ষে ৮৭ কোটি ৯৮ লক্ষ ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে বেকার যুবকদের ফার্ম তৈরিতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই জেলায় উন্নতমানের পাঁচটি বড় ফার্ম চালু রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই ফার্মগুলি থেকে বছরে ৩ কোটি ৯৫ লক্ষ ডিম উৎপন্ন হতে পারে। শুধু তাই নয়, এই ফর্মগুলি থেকে প্রচুর পরিমাণে মাংসও উৎপন্ন হয়।পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি সম্পা ধারা জানান, এখন স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও যুবকদের মধ্যে ফার্ম তৈরিতে অনেক বেশি উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ব্লকে ব্লকে প্রচার চালানো হচ্ছে। আশা করছি আগামী দিনে আমরা ডিম উৎপাদনে অনেকটাই স্বনির্ভর হতে পারব। তাতে কর্মসংস্থান যেমন বাড়বে তেমনই বাইরের রাজ্যের প্রতি ডিম আমদানিতে নির্ভরশীলতা কমবে। প্রাণিসম্পদ বিকাশ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমান জেলায় আউশগ্রাম, গলসি, খণ্ডঘোষ সহ বিভিন্ন ব্লকে ফার্ম বাড়ছে। অনেকেই ফার্ম তৈরির জন্য উৎসাহের সঙ্গে এগিয়ে আসছেন। তার ফলে ডিম উৎপাদন বাড়ছে। এই উৎপাদন বাড়িয়ে অন্য রাজ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোই লক্ষ্য জেলা প্রশাসনের।