২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

দেশ থেকে বিদেশের মাটিতে স্পেশাল অলিম্পিকের ইউনিফাইড ফুটবল প্রতিযোগিতায় পদক জিতে জেলার নাম উজ্জ্বল করলেন বীরভূম এর পাপিয়া মুর্মু

নিজস্ব সংবাদদাতা : বীরভূমের রাঙামাটির দেশ থেকে বিদেশের মাটিতে স্পেশাল অলিম্পিকের ইউনিফাইড ফুটবল প্রতিযোগিতায় পদক জিতে জেলার নাম উজ্জ্বল করলেন পাপিয়া মুর্মু। পাপিয়া বীরভূমের নগরী গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁটাবুনি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি এবং তার টিম এই প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে ব্রোঞ্জ জিতেছেন। বিদেশের মাটি থেকে এইভাবে পদক ছিনিয়ে নিয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে গর্বিত এলাকার বাসিন্দা থেকে জেলার বাসিন্দারা। দুঃস্থ দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা পাপিয়া ভারতের ইনিফায়েড ফুটবল দলের হয়ে স্পেশাল অলিম্পিকে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন চলতি বছর এপ্রিল মাসের শেষের দিকে। এরপরই শুরু হয় তার জোরদার প্রস্তুতি।প্রস্তুতি চলাকালীন তার জন্য আরও একটি সুখবর আসে। তাকে ভারতের এই ইউনিফাইড ফুটবল দলের কো ক্যাপ্টেন হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পাপিয়া তার টিমের সঙ্গে পাড়ি দেন আমেরিকার মিশিগানে। সেখানে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন দেশের ১২টি দল। প্রতিযোগিতায় ভারতের ইউনিফাইড ফুটবল টিম সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে গেলেও সেখানে পরাজিত হয়।এরপর শুরু হয় তৃতীয় স্থান অধিকারের লড়াই। তৃতীয় স্থান অধিকারের লড়াই হয় গত ৭ অগাস্ট। শ্রীলংকার বিরুদ্ধে এই প্রতিযোগিতায় ভারতীয় ইউনিফাইড দল জয়যুক্ত হয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে ব্রোঞ্জ পায়। অন্যদিকে পাপিয়া এই প্রতিযোগিতায় চার ম্যাচে মোট ৭টি গোল করেন। পাপিয়ার অধিনায়কত্বে এইভাবে ভারতের ইউনিফাইড ফুটবল টিম তৃতীয় স্থান অধিকার করার পরিপ্রেক্ষিতে সিউড়ি বিধানসভার বিধায়ক বিকাশ রায় চৌধুরী তাকে সংবর্ধনা দেবেন বলে জানিয়েছেন।বিদেশের মাটিতে এইভাবে ব্রোঞ্জ পদক জয় করে আসার পর সম্প্রতি পাপিয়া মুর্মু নিজের গ্রামে ফিরেছেন এবং কিছুদিনের জন্য বিরতি নিয়ে পরবর্তী খেলাধুলার জন্য প্রস্তুতি শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, পাপিয়া মুর্মু একেবারেই সাধারণ নিম্নবিত্ত পরিবারের একজন সদস্য। তার বাবা নিজের গ্রামে একটি মুদিখানার দোকান চালান এবং তাদের সামান্য কিছু জমি রয়েছে সেখানে চাষ বাস করেন। এই নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা পাপিয়া মুর্মু খেলাধুলার পাশাপাশি সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজের পাস কোর্সের ছাত্রী।

সাঁইথিয়ার রোঙ্গাইপুরে মাত্র ৩ দিনে জনগণনার কাজ শেষ, নজির মেহবুব আলমের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দেশ থেকে বিদেশের মাটিতে স্পেশাল অলিম্পিকের ইউনিফাইড ফুটবল প্রতিযোগিতায় পদক জিতে জেলার নাম উজ্জ্বল করলেন বীরভূম এর পাপিয়া মুর্মু

আপডেট : ১৬ অগাস্ট ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : বীরভূমের রাঙামাটির দেশ থেকে বিদেশের মাটিতে স্পেশাল অলিম্পিকের ইউনিফাইড ফুটবল প্রতিযোগিতায় পদক জিতে জেলার নাম উজ্জ্বল করলেন পাপিয়া মুর্মু। পাপিয়া বীরভূমের নগরী গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁটাবুনি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি এবং তার টিম এই প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে ব্রোঞ্জ জিতেছেন। বিদেশের মাটি থেকে এইভাবে পদক ছিনিয়ে নিয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে গর্বিত এলাকার বাসিন্দা থেকে জেলার বাসিন্দারা। দুঃস্থ দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা পাপিয়া ভারতের ইনিফায়েড ফুটবল দলের হয়ে স্পেশাল অলিম্পিকে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন চলতি বছর এপ্রিল মাসের শেষের দিকে। এরপরই শুরু হয় তার জোরদার প্রস্তুতি।প্রস্তুতি চলাকালীন তার জন্য আরও একটি সুখবর আসে। তাকে ভারতের এই ইউনিফাইড ফুটবল দলের কো ক্যাপ্টেন হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পাপিয়া তার টিমের সঙ্গে পাড়ি দেন আমেরিকার মিশিগানে। সেখানে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন দেশের ১২টি দল। প্রতিযোগিতায় ভারতের ইউনিফাইড ফুটবল টিম সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে গেলেও সেখানে পরাজিত হয়।এরপর শুরু হয় তৃতীয় স্থান অধিকারের লড়াই। তৃতীয় স্থান অধিকারের লড়াই হয় গত ৭ অগাস্ট। শ্রীলংকার বিরুদ্ধে এই প্রতিযোগিতায় ভারতীয় ইউনিফাইড দল জয়যুক্ত হয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে ব্রোঞ্জ পায়। অন্যদিকে পাপিয়া এই প্রতিযোগিতায় চার ম্যাচে মোট ৭টি গোল করেন। পাপিয়ার অধিনায়কত্বে এইভাবে ভারতের ইউনিফাইড ফুটবল টিম তৃতীয় স্থান অধিকার করার পরিপ্রেক্ষিতে সিউড়ি বিধানসভার বিধায়ক বিকাশ রায় চৌধুরী তাকে সংবর্ধনা দেবেন বলে জানিয়েছেন।বিদেশের মাটিতে এইভাবে ব্রোঞ্জ পদক জয় করে আসার পর সম্প্রতি পাপিয়া মুর্মু নিজের গ্রামে ফিরেছেন এবং কিছুদিনের জন্য বিরতি নিয়ে পরবর্তী খেলাধুলার জন্য প্রস্তুতি শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, পাপিয়া মুর্মু একেবারেই সাধারণ নিম্নবিত্ত পরিবারের একজন সদস্য। তার বাবা নিজের গ্রামে একটি মুদিখানার দোকান চালান এবং তাদের সামান্য কিছু জমি রয়েছে সেখানে চাষ বাস করেন। এই নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা পাপিয়া মুর্মু খেলাধুলার পাশাপাশি সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজের পাস কোর্সের ছাত্রী।