০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

পেঁপে চাষে বাণিজ্যিকভাবে সফল দক্ষিণ দিনাজপুরের নমিতা মহন্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা : পেঁপে চাষে বাণিজ্যিকভাবে সফল দক্ষিণ দিনাজপুরের নমিতা মহন্ত দক্ষিণ দিনাজপুর: শুরু করেছিলেন লেবু দিয়ে নিজের কৃষিকাজ প্রায় নয়-দশ বছর আগে। ক্ষতির ধাক্কা কাটিয়ে অবশেষে সফলতা এসেছে পেঁপেতে। এখন শত-সহস্র ফলবতী পেঁপের সৌন্দর্য হাসিতে হাসছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শহর বুনিয়াদপুরের বাণিজ্যিকভাবে সফল নমিতা মহন্ত। শনিবার সকালে গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পাঁচ-ফুট উচ্চতার প্রতিটি গাছেই গুচ্ছাকারে ধরে আছে পেঁপে। যদিও প্রতিটি পেঁপের ওজন প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন কিলো। কাচা এই পেঁপে গুলি পাকলে ওজন আরও বাড়বে বলে জানান পেঁপে চাষী নমিতা মহন্ত। এই মুহূর্তে তার বাগানে রয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির পেঁপে গাছ। তবে বেশিরভাগ ভেবে গুলিই হাইব্রিড জাতীয়। কোনরকম রাসায়নিক সার ব্যবহার না করেই শুধুমাত্র জৈব সারের প্রয়োগ এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমেই তিনি পেঁপে চাষ করে সফলতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ব্লকের বেকার কর্মহীন মানুষজনদের পেঁপে চাষের পরামর্শ দিয়েছেন সফল এই পেঁপে চাষী।প্রত্যেক দিনই বহু দূর দূরান্ত থেকে এলাকার মানুষজন তার পেঁপে চাষ এবং বিশালাকারের সাইজের পেঁপে দেখতে ভিড় জমান কৌতূহলবশত। সফল পেঁপে চাষী নমিতা মহন্ত বলেন স্থানীয় বাজার থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বাজারে পাইকারি দামে তার বাগানের কাছে পৌঁছে যায়। উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর থেকেই পেঁপে চাষে বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছেন তিনি এমনটাই জানা গেছে।

সর্বাধিক পাঠিত

পর্বতারোহীদের মূত্র বিসর্জনে গলছে এভারেস্টের হিমবাহ: গবেষণা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পেঁপে চাষে বাণিজ্যিকভাবে সফল দক্ষিণ দিনাজপুরের নমিতা মহন্ত

আপডেট : ১৮ জুন ২০২২, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : পেঁপে চাষে বাণিজ্যিকভাবে সফল দক্ষিণ দিনাজপুরের নমিতা মহন্ত দক্ষিণ দিনাজপুর: শুরু করেছিলেন লেবু দিয়ে নিজের কৃষিকাজ প্রায় নয়-দশ বছর আগে। ক্ষতির ধাক্কা কাটিয়ে অবশেষে সফলতা এসেছে পেঁপেতে। এখন শত-সহস্র ফলবতী পেঁপের সৌন্দর্য হাসিতে হাসছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শহর বুনিয়াদপুরের বাণিজ্যিকভাবে সফল নমিতা মহন্ত। শনিবার সকালে গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পাঁচ-ফুট উচ্চতার প্রতিটি গাছেই গুচ্ছাকারে ধরে আছে পেঁপে। যদিও প্রতিটি পেঁপের ওজন প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন কিলো। কাচা এই পেঁপে গুলি পাকলে ওজন আরও বাড়বে বলে জানান পেঁপে চাষী নমিতা মহন্ত। এই মুহূর্তে তার বাগানে রয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির পেঁপে গাছ। তবে বেশিরভাগ ভেবে গুলিই হাইব্রিড জাতীয়। কোনরকম রাসায়নিক সার ব্যবহার না করেই শুধুমাত্র জৈব সারের প্রয়োগ এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমেই তিনি পেঁপে চাষ করে সফলতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ব্লকের বেকার কর্মহীন মানুষজনদের পেঁপে চাষের পরামর্শ দিয়েছেন সফল এই পেঁপে চাষী।প্রত্যেক দিনই বহু দূর দূরান্ত থেকে এলাকার মানুষজন তার পেঁপে চাষ এবং বিশালাকারের সাইজের পেঁপে দেখতে ভিড় জমান কৌতূহলবশত। সফল পেঁপে চাষী নমিতা মহন্ত বলেন স্থানীয় বাজার থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বাজারে পাইকারি দামে তার বাগানের কাছে পৌঁছে যায়। উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর থেকেই পেঁপে চাষে বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছেন তিনি এমনটাই জানা গেছে।