১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

হিমালয়ান রেলওয়ের টয়ট্রেন সাওয়ারি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়

নতুন গতি: টয়ট্রেন সাওয়ারি বেশিরভাগ মানুষের কাছে আকর্ষণীয়, টয়ট্রেন করে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে দূরদূরান্ত থেকে প্রচুর পর্যটক আসেন। ভারতের সেরা ট্রেন সাওয়ারি গুলির মধ্যে হিমালয়ান রেলওয়ের টয়ট্রেন অন্যতম।

1880 দশকের প্রথমদিকে এই টয় ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়েছিল, ইংরেজরা শৈলশহর দার্জিলিং এ যাতে সহজে যাতায়াত করতে পারেন সেই কারণে টয় ট্রেন পরিষেবা চালু করেছিলেন তারা। 88 কিমি এই রেলপথ, যারা টয়ট্রেনের সাফারি করেছেন একমাত্র তারাই বুঝতে পারবেন এই সফরের আনন্দ কতটা। দু ফুট লম্বা ট্রেন লাইন , সমুদ্রপৃষ্ঠের 1000 ফুট উচ্চতা থেকে টয় ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং এর অভিমুখে যাত্রা শুরু করে। দার্জিলিং এ যখন পৌঁছায় তখন টয় ট্রেন এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 2200 ফুট থাকে। অধিক উচ্চতায় পৌঁছানোর জন্য জিকজ্যাক ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

বর্ষার সময় একটু অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়, অনেক সময় বেশ কিছু দিন বন্ধ থাকে টয় ট্রেন পরিষেবা। একটাই কারণ অতি বর্ষণের ফলে পাহাড়ি রাস্তায় ধ্বস নামে।

টয়ট্রেন করে দার্জিলিং যাওয়ার প্রাকৃতিক দৃশ্য বড়ই মনোরম, টয় ট্রেনের মধ্যে থেকে তুষারশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা কে দেখার অনুভূতি রোমাঞ্চকর। এইসব কারণের জন্যই টয়ট্রেন সাওয়ারি ভারতের সেরা ট্রেন সাওয়ারি গুলির মধ্যে অন্যতম।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হিমালয়ান রেলওয়ের টয়ট্রেন সাওয়ারি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়

আপডেট : ১৬ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি: টয়ট্রেন সাওয়ারি বেশিরভাগ মানুষের কাছে আকর্ষণীয়, টয়ট্রেন করে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে দূরদূরান্ত থেকে প্রচুর পর্যটক আসেন। ভারতের সেরা ট্রেন সাওয়ারি গুলির মধ্যে হিমালয়ান রেলওয়ের টয়ট্রেন অন্যতম।

1880 দশকের প্রথমদিকে এই টয় ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়েছিল, ইংরেজরা শৈলশহর দার্জিলিং এ যাতে সহজে যাতায়াত করতে পারেন সেই কারণে টয় ট্রেন পরিষেবা চালু করেছিলেন তারা। 88 কিমি এই রেলপথ, যারা টয়ট্রেনের সাফারি করেছেন একমাত্র তারাই বুঝতে পারবেন এই সফরের আনন্দ কতটা। দু ফুট লম্বা ট্রেন লাইন , সমুদ্রপৃষ্ঠের 1000 ফুট উচ্চতা থেকে টয় ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং এর অভিমুখে যাত্রা শুরু করে। দার্জিলিং এ যখন পৌঁছায় তখন টয় ট্রেন এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 2200 ফুট থাকে। অধিক উচ্চতায় পৌঁছানোর জন্য জিকজ্যাক ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

বর্ষার সময় একটু অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়, অনেক সময় বেশ কিছু দিন বন্ধ থাকে টয় ট্রেন পরিষেবা। একটাই কারণ অতি বর্ষণের ফলে পাহাড়ি রাস্তায় ধ্বস নামে।

টয়ট্রেন করে দার্জিলিং যাওয়ার প্রাকৃতিক দৃশ্য বড়ই মনোরম, টয় ট্রেনের মধ্যে থেকে তুষারশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা কে দেখার অনুভূতি রোমাঞ্চকর। এইসব কারণের জন্যই টয়ট্রেন সাওয়ারি ভারতের সেরা ট্রেন সাওয়ারি গুলির মধ্যে অন্যতম।