১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ির সামনে বোমা মারার অভিযোগে ফের উত্তাল হয়ে উঠল চুঁচুড়া

নিজস্ব সংবাদদাতা : তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ির সামনে বোমা মারার অভিযোগে ফের উত্তাল হয়ে উঠল চুঁচুড়া। অভিযোগ হুগলির চুৃঁচুড়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মল চক্রবর্তীর পুরনো কাপাসডাঙার বাড়ির পাঁচিলের পাশে বোমা ফাটানো হয়।রাত দশটা নাগাদ প্রচন্ড শব্দে বোম ফাটার শব্দ পান নির্মল বাবুর ভাই। সেই সঙ্গে আগুনের ফুলকি দেখতে পান। তবে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কাউকে দেখতে পাননি তিনি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে কাউন্সিলরকে ফোন করেন তার ভাই। সে সময় তৃণমূল কাউন্সিলর দলীয় অফিসে ছিলেন। বাড়ি ফিরে দেখেন কেউ বোমা মেরেছে তাঁর বাড়ির সামনে।এরপর দলের নেতৃত্বকে ও পুলিসকে খবর দেন কাউন্সিলর। চুঁচুড়া থানার আই সি অনুপম চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিস ঘটনায় তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। নির্মল চক্রবর্তী পেশায় একজন আইনজীবি। তার প্রতিবেশীর বাড়ির সিসি ক্যামেরা পরীক্ষা করে দেখে পুলিস।কী ধরণের বোমা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিস।ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। তবে তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুমান তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি যেহেতু রাজনীতি করেন তাই বিরোধীরা দুষ্কৃতি দিয়ে এই কাজ করাতে পারে। ঘটনার খবর পেয়ে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতৃত্ব হাজির হন।

তৃ্মূল কাউন্সিলর জয়দেব অধিকারীর অভিযোগ বিজেপি ভয় দেখাতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপির দাবী,কয়েকদিন আগে তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামী এবং তৃণমূল বিধায়কের লোকজনের মারামারি হল।

 

বিধায়ক নিজেই বললেন, তাদের দলের কর্মীরা চোর -ডাকাত। তাহলে তৃণমূলের কাউন্সিলের বাড়ির সামনে বোমা কারা মারল। নিজেদের ভাগের গন্ডোগোলে এসব হচ্ছে বলেই অভিযোগ করেন বিজেপি হুগলি জেলার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ির সামনে বোমা মারার অভিযোগে ফের উত্তাল হয়ে উঠল চুঁচুড়া

আপডেট : ৮ মে ২০২২, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ির সামনে বোমা মারার অভিযোগে ফের উত্তাল হয়ে উঠল চুঁচুড়া। অভিযোগ হুগলির চুৃঁচুড়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মল চক্রবর্তীর পুরনো কাপাসডাঙার বাড়ির পাঁচিলের পাশে বোমা ফাটানো হয়।রাত দশটা নাগাদ প্রচন্ড শব্দে বোম ফাটার শব্দ পান নির্মল বাবুর ভাই। সেই সঙ্গে আগুনের ফুলকি দেখতে পান। তবে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কাউকে দেখতে পাননি তিনি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে কাউন্সিলরকে ফোন করেন তার ভাই। সে সময় তৃণমূল কাউন্সিলর দলীয় অফিসে ছিলেন। বাড়ি ফিরে দেখেন কেউ বোমা মেরেছে তাঁর বাড়ির সামনে।এরপর দলের নেতৃত্বকে ও পুলিসকে খবর দেন কাউন্সিলর। চুঁচুড়া থানার আই সি অনুপম চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিস ঘটনায় তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। নির্মল চক্রবর্তী পেশায় একজন আইনজীবি। তার প্রতিবেশীর বাড়ির সিসি ক্যামেরা পরীক্ষা করে দেখে পুলিস।কী ধরণের বোমা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিস।ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। তবে তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুমান তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি যেহেতু রাজনীতি করেন তাই বিরোধীরা দুষ্কৃতি দিয়ে এই কাজ করাতে পারে। ঘটনার খবর পেয়ে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতৃত্ব হাজির হন।

তৃ্মূল কাউন্সিলর জয়দেব অধিকারীর অভিযোগ বিজেপি ভয় দেখাতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপির দাবী,কয়েকদিন আগে তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামী এবং তৃণমূল বিধায়কের লোকজনের মারামারি হল।

 

বিধায়ক নিজেই বললেন, তাদের দলের কর্মীরা চোর -ডাকাত। তাহলে তৃণমূলের কাউন্সিলের বাড়ির সামনে বোমা কারা মারল। নিজেদের ভাগের গন্ডোগোলে এসব হচ্ছে বলেই অভিযোগ করেন বিজেপি হুগলি জেলার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ।