১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়ূরেশ্বরে গাছ থেকে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ

দেবজিৎ মুখার্জি: ফের খবরে উঠে এলো বীরভূম। এবার ময়ূরেশ্বরে বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। গাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ঝুলন্ত দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি ময়ূরেশ্বরের ১ নম্বর ব্লকের বড়তড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও সক্রিয় বিজেপি কর্মী পূর্ণচন্দ্র সাহা। সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। এরপর আর ফেরেননি। সকালে গ্রামের বড়ি পুকুরের আমগাছে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।

এলাকার বিজেপি নেতা অমৃতলাল মণ্ডল বলেন “পূর্ণচন্দ্রকে খুন করা হয়েছে। আমরা যখন যাই, তখন দেখি দুটি পা রক্তে ভেসে যাচ্ছে। গাছে ঝুলছে দেহ। সামনে পড়ে ছিল ব্লেড।”

বিজেপির দাবি, পূর্ণচন্দ্র দলের সক্রিয় কর্মী হওয়ার জন্য তাকে খুন করা হতে পারে। এদিকে জানা গিয়েছে, মৃতের ভাগ্নে বিদ্যুৎ নাথ এলাকায় বহু টাকা ঋণ করেছিল। তা শোধ না করেই এলাকা ছেড়েছিলেন তিনি। ভাগ্নের ঋণের প্রতিশোধ নিতে পূর্ণচন্দ্রকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়দের অনুমান।

দুবরাজপুর থানায় যুবকের রহস্যমৃত্যু, উত্তেজনা-বিক্ষোভ 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ময়ূরেশ্বরে গাছ থেকে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২২, মঙ্গলবার

দেবজিৎ মুখার্জি: ফের খবরে উঠে এলো বীরভূম। এবার ময়ূরেশ্বরে বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। গাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ঝুলন্ত দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি ময়ূরেশ্বরের ১ নম্বর ব্লকের বড়তড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও সক্রিয় বিজেপি কর্মী পূর্ণচন্দ্র সাহা। সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। এরপর আর ফেরেননি। সকালে গ্রামের বড়ি পুকুরের আমগাছে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।

এলাকার বিজেপি নেতা অমৃতলাল মণ্ডল বলেন “পূর্ণচন্দ্রকে খুন করা হয়েছে। আমরা যখন যাই, তখন দেখি দুটি পা রক্তে ভেসে যাচ্ছে। গাছে ঝুলছে দেহ। সামনে পড়ে ছিল ব্লেড।”

বিজেপির দাবি, পূর্ণচন্দ্র দলের সক্রিয় কর্মী হওয়ার জন্য তাকে খুন করা হতে পারে। এদিকে জানা গিয়েছে, মৃতের ভাগ্নে বিদ্যুৎ নাথ এলাকায় বহু টাকা ঋণ করেছিল। তা শোধ না করেই এলাকা ছেড়েছিলেন তিনি। ভাগ্নের ঋণের প্রতিশোধ নিতে পূর্ণচন্দ্রকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়দের অনুমান।