১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জমিদারি নেই, রয়ে গিয়েছে পুজোর ঐতিহ্য! টেরাকোটায় সাজছে এমএমসি

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 21
মালদা: জমিদারি প্রথার অবসান হয়েছে, কিন্তু হারিয়ে যায়নি শতাব্দী প্রাচীন দুর্গাপুজোর ঐতিহ্য। মালদার বুলবুলচণ্ডীতে মৃত্যুঞ্জয় মেমোরিয়াল ক্লাবের (এমএমসি) দুর্গাপুজো এবার ৬৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন ভাবনার মেলবন্ধনে এবার মণ্ডপসজ্জায় থাকছে টেরাকোটা শিল্পের কারুকার্য। বাজেট প্রায় ৮ লক্ষ টাকা।
জমিদার পরিবারের সদস্য সাধন কুমার রায় জানান, প্রায় ১৫০ বছর আগে জমিদার ব্রজলাল রায়ের হাত ধরে এই পুজোর সূচনা হয়। পরে রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় এবং ‘রানি মা’ নামে পরিচিত গিরিজা সুন্দরী দেবী পুজোর দায়িত্ব সামলান। একসময় লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকে গুলি চালিয়ে পুজোর সূচনা হতো। পুজোকে কেন্দ্র করে বসত মেলা, আয়োজিত হতো আদিবাসী নৃত্যও।
সময়ের পরিবর্তনে ১৯৫৪ সালে জমিদার পরিবারের উদ্যোগে পুজো বন্ধ হয়ে যায়। পরে বুলবুলচণ্ডী মৃত্যুঞ্জয় মেমোরিয়াল ক্লাবের উদ্যোগে ফের শুরু হয় দুর্গোৎসব। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় আজও সেই ঐতিহ্য বহমান।
এবার বাঁশের তৈরি বিভিন্ন উপকরণের পাশাপাশি ডালি, কুলো, চালুনের মতো গ্রামবাংলার পরিচিত সামগ্রী দিয়ে সাজানো হচ্ছে মণ্ডপ। লোকশিল্প ও গ্রামীণ সংস্কৃতির ছোঁয়ায় পুজোমণ্ডপ দর্শনার্থীদের বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী উদ্যোক্তারা।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জমিদারি নেই, রয়ে গিয়েছে পুজোর ঐতিহ্য! টেরাকোটায় সাজছে এমএমসি

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
মালদা: জমিদারি প্রথার অবসান হয়েছে, কিন্তু হারিয়ে যায়নি শতাব্দী প্রাচীন দুর্গাপুজোর ঐতিহ্য। মালদার বুলবুলচণ্ডীতে মৃত্যুঞ্জয় মেমোরিয়াল ক্লাবের (এমএমসি) দুর্গাপুজো এবার ৬৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন ভাবনার মেলবন্ধনে এবার মণ্ডপসজ্জায় থাকছে টেরাকোটা শিল্পের কারুকার্য। বাজেট প্রায় ৮ লক্ষ টাকা।
জমিদার পরিবারের সদস্য সাধন কুমার রায় জানান, প্রায় ১৫০ বছর আগে জমিদার ব্রজলাল রায়ের হাত ধরে এই পুজোর সূচনা হয়। পরে রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় এবং ‘রানি মা’ নামে পরিচিত গিরিজা সুন্দরী দেবী পুজোর দায়িত্ব সামলান। একসময় লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকে গুলি চালিয়ে পুজোর সূচনা হতো। পুজোকে কেন্দ্র করে বসত মেলা, আয়োজিত হতো আদিবাসী নৃত্যও।
সময়ের পরিবর্তনে ১৯৫৪ সালে জমিদার পরিবারের উদ্যোগে পুজো বন্ধ হয়ে যায়। পরে বুলবুলচণ্ডী মৃত্যুঞ্জয় মেমোরিয়াল ক্লাবের উদ্যোগে ফের শুরু হয় দুর্গোৎসব। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় আজও সেই ঐতিহ্য বহমান।
এবার বাঁশের তৈরি বিভিন্ন উপকরণের পাশাপাশি ডালি, কুলো, চালুনের মতো গ্রামবাংলার পরিচিত সামগ্রী দিয়ে সাজানো হচ্ছে মণ্ডপ। লোকশিল্প ও গ্রামীণ সংস্কৃতির ছোঁয়ায় পুজোমণ্ডপ দর্শনার্থীদের বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী উদ্যোক্তারা।