২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

জলপাইগুড়ির মেয়ে সুযোগ পেলেন মহিলা হ্যান্ডবল টিমে

জলপাইগুড়ি: সম্প্রতি কাজাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল উইমেন্স হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা। এইবার প্রথমবার ভারতীয় মহিলা টিম এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রথমবার অংশ নিয়ে সাফল্যের মুখ দেখে ভারতীয় মহিলা হ্যান্ডবল টিম। এই টিমের দুইজন বাঙালি খেলোয়াড় রয়েছেন। তারমধ্যে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি ব্লকের মৌমিতা রায়। মৌমিতা দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। হোলির দিন তিনি বাড়ি ফিরেছেন।

মৌমিতার খুব অভাবের সংসার। তার মা জানিয়েছে তাদের খুব কষ্ট করে সংসার চলে। বাড়িতে মৌমিতারা চার বোন। তাদের বাবা দিনমজুরির কাজ করে। ছোটবেলা থেকেই মৌমিতার খেলার প্রতি অদম্য জেদ ছিল। সমস্ত প্রতিকূলতাকে দূরে সরিয়ে খেলার প্রতি মনসংযোগ করেছে সে। হার না মানা মনোভাব তাকে সাফল্যের সিঁড়িতে উঠিয়েছে।

তার এই অভাবনীয় সাফল্য খুশি সংশ্লিষ্ট গ্রামবাসীরা। এদিন মৌমিতা কে জীপে করে গোটা গ্রাম ঘুরানো হয়। পুষ্পস্তবক দিয়ে তাকে সংবর্ধনা দেন গ্রামবাসীরা। সকলের এতো ভালোবাসা পেয়ে চোখের জল বাঁধ ভাঙ্গে তার। মৌমিতা জানিয়েছে এখানে থেমে থাকবে না , তার লক্ষ্য আরো বড় খেলোয়াড় হওয়া।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলপাইগুড়ির মেয়ে সুযোগ পেলেন মহিলা হ্যান্ডবল টিমে

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২২, সোমবার

জলপাইগুড়ি: সম্প্রতি কাজাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল উইমেন্স হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা। এইবার প্রথমবার ভারতীয় মহিলা টিম এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রথমবার অংশ নিয়ে সাফল্যের মুখ দেখে ভারতীয় মহিলা হ্যান্ডবল টিম। এই টিমের দুইজন বাঙালি খেলোয়াড় রয়েছেন। তারমধ্যে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি ব্লকের মৌমিতা রায়। মৌমিতা দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। হোলির দিন তিনি বাড়ি ফিরেছেন।

মৌমিতার খুব অভাবের সংসার। তার মা জানিয়েছে তাদের খুব কষ্ট করে সংসার চলে। বাড়িতে মৌমিতারা চার বোন। তাদের বাবা দিনমজুরির কাজ করে। ছোটবেলা থেকেই মৌমিতার খেলার প্রতি অদম্য জেদ ছিল। সমস্ত প্রতিকূলতাকে দূরে সরিয়ে খেলার প্রতি মনসংযোগ করেছে সে। হার না মানা মনোভাব তাকে সাফল্যের সিঁড়িতে উঠিয়েছে।

তার এই অভাবনীয় সাফল্য খুশি সংশ্লিষ্ট গ্রামবাসীরা। এদিন মৌমিতা কে জীপে করে গোটা গ্রাম ঘুরানো হয়। পুষ্পস্তবক দিয়ে তাকে সংবর্ধনা দেন গ্রামবাসীরা। সকলের এতো ভালোবাসা পেয়ে চোখের জল বাঁধ ভাঙ্গে তার। মৌমিতা জানিয়েছে এখানে থেমে থাকবে না , তার লক্ষ্য আরো বড় খেলোয়াড় হওয়া।