২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

গঙ্গার ঘাটে উঠে আসতে লাগল কিলো কিলো গলদা চিংড়ি আর তা ধরতেই গঙ্গার ঘাটে হুড়োহুড়ি পড়ে গেল

নিজস্ব সংবাদদাতা : এ যেন দুয়ারে গলদা চিংড়ি (Lobstar)। সন্ধে নামার ঠিক আগেই গঙ্গার ঘাটে উঠে আসতে লাগল কিলো কিলো গলদা চিংড়ি। আর তা ধরতেই গঙ্গার ঘাটে হুড়োহুড়ি পড়ে গেল। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) শেওড়াফুলিতে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ সন্ধে নামার ঠিক আগেই শেওড়াফুলি গঙ্গার ঘাটে উঠে আসতে থাকে গলদা চিংড়ি। একটা ঘাট ছেড়ে পাশের ঘাট। পাশের ঘাট ছেড়ে তার পাশের ঘাট। গলদা চিংড়ি ধরতে কেউ হাঁটু জলে নেমে পড়লেন। আবার কেউ সন্ধে হলেও কোমর জলে নেমে চিংড়ি ধরতে লাগলেন। কেউ কেউ তো খালি গায়ে জলের নিচে হাতড়ে বেড়াতে লাগলেন। হুগলির শেওড়াফুলিতে এদিন গলদা চিংড়ি ধরার জন্য গঙ্গার ঘাটে ভিড় জমাতে লাগেন বহু মানুষ।হুগলির শেওড়াফুলি ফেরিঘাট সংলগ্ন আদি ঘাট, কালিবাড়ির ঘাটসহ বেশ কয়েকটি ঘাটে এদিন হঠাৎই ঝাঁকে ঝাঁকে গলদা চিংড়ি উঠে আসতে দেখেন এলাকার মানুষ। আচমকা এত গলদা চিংড়ি কোথা থেকে উঠে আসতে শুরু করল সে সম্পর্কে জানা নেই কারও। বলা ভালো কারও জানার খুব একটা ইচ্ছেই নেই। শনিবার সন্ধে নামার আগে সেখানে উপস্থিত মানুষদের শুধু একটাই লক্ষ, কে কত তাড়াতাড়ি কত পরিমাণ গলদা চিংড়ি ধরতে পারে। কেউ পলিথিনের প্যাকেটে ভরলেন, কেউ আবার বস্তা নিয়ে এসে তাতে চিংড়ি বোঝাই করলেন। কেউ আশপাশ থেকে আবার ব্যাগ জোগার করে তাতে গলদা চিংড়ি ভরলেন। প্রমাণ আকারের এত পরিমান গলদা চিংড়ি ওঠার সূত্র কেউই জানাতে পারছেন না সঠিকভাবে। স্থানীয় ব্যক্তিরা কেউ বলছেন একটি লঞ্চ শেওড়াফুলি দিয়ে যাওয়ার সময় সেখান থেকে গলদা চিংড়ি জলে পড়ে যায়। তাঁরা আরও জানাচ্ছেন, গঙ্গায় এমনিতেই ভালো গলদা চিংড়ি পাওয়া যায়। জেলেরাও প্রায়শই ধরে থাকেন। কিন্তু এত পরিমাণ গলদা চিংড়ি একসঙ্গে দেখা যায় না।স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ ২ কেজি, কেউ চার কেজি আবার কেউ কেউ সাত কিংবা আট কেজিও গলদা চিংড়ি ধরলেন। যাঁরা ধরতে পারলেন না, তাঁরা পাড়ে দাঁড়িয়ে আফশোস করলেন। কিন্তু যাঁদের ব্যাগে এলো গলদা চিংড়ি, তাঁদের মুখে নিদারুণ পরিতৃপ্তির হাসি। এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, এর আগে একবার এই জায়গাতেই কচ্ছপ এবং অন্যান্য মাছ পাওয়া গিয়েছিল প্রচুর পরিমাণে। কিন্তু এর আগে কখনও এই এলাকা থেকে গলদা চিংড়ি পাওয়া যায়নি। মা গঙ্গাকে প্রণাম জানিয়ে ব্যাগ ভর্তি গলদা চিংড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরলেন বহু মানুষ। জোয়ার আসার পরই থামল গলদা চিংড়ি ধরার পালা।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গঙ্গার ঘাটে উঠে আসতে লাগল কিলো কিলো গলদা চিংড়ি আর তা ধরতেই গঙ্গার ঘাটে হুড়োহুড়ি পড়ে গেল

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২২, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : এ যেন দুয়ারে গলদা চিংড়ি (Lobstar)। সন্ধে নামার ঠিক আগেই গঙ্গার ঘাটে উঠে আসতে লাগল কিলো কিলো গলদা চিংড়ি। আর তা ধরতেই গঙ্গার ঘাটে হুড়োহুড়ি পড়ে গেল। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) শেওড়াফুলিতে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ সন্ধে নামার ঠিক আগেই শেওড়াফুলি গঙ্গার ঘাটে উঠে আসতে থাকে গলদা চিংড়ি। একটা ঘাট ছেড়ে পাশের ঘাট। পাশের ঘাট ছেড়ে তার পাশের ঘাট। গলদা চিংড়ি ধরতে কেউ হাঁটু জলে নেমে পড়লেন। আবার কেউ সন্ধে হলেও কোমর জলে নেমে চিংড়ি ধরতে লাগলেন। কেউ কেউ তো খালি গায়ে জলের নিচে হাতড়ে বেড়াতে লাগলেন। হুগলির শেওড়াফুলিতে এদিন গলদা চিংড়ি ধরার জন্য গঙ্গার ঘাটে ভিড় জমাতে লাগেন বহু মানুষ।হুগলির শেওড়াফুলি ফেরিঘাট সংলগ্ন আদি ঘাট, কালিবাড়ির ঘাটসহ বেশ কয়েকটি ঘাটে এদিন হঠাৎই ঝাঁকে ঝাঁকে গলদা চিংড়ি উঠে আসতে দেখেন এলাকার মানুষ। আচমকা এত গলদা চিংড়ি কোথা থেকে উঠে আসতে শুরু করল সে সম্পর্কে জানা নেই কারও। বলা ভালো কারও জানার খুব একটা ইচ্ছেই নেই। শনিবার সন্ধে নামার আগে সেখানে উপস্থিত মানুষদের শুধু একটাই লক্ষ, কে কত তাড়াতাড়ি কত পরিমাণ গলদা চিংড়ি ধরতে পারে। কেউ পলিথিনের প্যাকেটে ভরলেন, কেউ আবার বস্তা নিয়ে এসে তাতে চিংড়ি বোঝাই করলেন। কেউ আশপাশ থেকে আবার ব্যাগ জোগার করে তাতে গলদা চিংড়ি ভরলেন। প্রমাণ আকারের এত পরিমান গলদা চিংড়ি ওঠার সূত্র কেউই জানাতে পারছেন না সঠিকভাবে। স্থানীয় ব্যক্তিরা কেউ বলছেন একটি লঞ্চ শেওড়াফুলি দিয়ে যাওয়ার সময় সেখান থেকে গলদা চিংড়ি জলে পড়ে যায়। তাঁরা আরও জানাচ্ছেন, গঙ্গায় এমনিতেই ভালো গলদা চিংড়ি পাওয়া যায়। জেলেরাও প্রায়শই ধরে থাকেন। কিন্তু এত পরিমাণ গলদা চিংড়ি একসঙ্গে দেখা যায় না।স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ ২ কেজি, কেউ চার কেজি আবার কেউ কেউ সাত কিংবা আট কেজিও গলদা চিংড়ি ধরলেন। যাঁরা ধরতে পারলেন না, তাঁরা পাড়ে দাঁড়িয়ে আফশোস করলেন। কিন্তু যাঁদের ব্যাগে এলো গলদা চিংড়ি, তাঁদের মুখে নিদারুণ পরিতৃপ্তির হাসি। এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, এর আগে একবার এই জায়গাতেই কচ্ছপ এবং অন্যান্য মাছ পাওয়া গিয়েছিল প্রচুর পরিমাণে। কিন্তু এর আগে কখনও এই এলাকা থেকে গলদা চিংড়ি পাওয়া যায়নি। মা গঙ্গাকে প্রণাম জানিয়ে ব্যাগ ভর্তি গলদা চিংড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরলেন বহু মানুষ। জোয়ার আসার পরই থামল গলদা চিংড়ি ধরার পালা।