২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

স্বাধীনতার পর আজও চলছে এই স্কুলে ব্রিটিশ বিরোধীতা রীতি

বর্ধমান: আজো চলছে ব্রিটিশ বিরোধীতা রীতি। এখনো হয় প্রতি রবিবার ক্লাস। ব্রিটিশ আমলের এই নিয়ম আজ মেনে চলেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের সেই গোপালপুর মুক্তকেশী উচ্চ বিদ্যালয়।

জানা যায় ১৯২৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই স্কুল অনুমোদন পাওয়ার পর ইংরেজি পঠনপাঠন চালু করা হয়। তার আগে ব্রিটিশদের বিরোধিতায় ইংরেজি পড়ানো বন্ধ রাখা হয়।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন “স্কুলটির প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯২২ সালের ৫ জানুয়ারি। স্কুলের জন্য অবিনাশচন্দ্র হালদার ও তাঁর ভাই ভূষণচন্দ্র হালদার জমি দান করেছিলেন। তাঁদের ইচ্ছায় ব্রিটিশদের বিরোধিতায় এই স্কুলে রবিবার ছুটি নেই। পরিবর্তে সোমবার স্কুল ছুটি থাকে।”

স্কুলের শিক্ষক সমীরকুমার ঘোষাল বলেন “চলতি বছরের জানুয়ারিতে শতবর্ষ অতিক্রম করেছে এই বিদ্যালয়। স্কুলের ১০১তম প্রতিষ্ঠা দিবসের পরপর স্কুলের পরিচালন সমিতি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই স্কুলকে জাতীয় স্কুল হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় আবেদন জানানো হবে।”

জানা যায়, এরপর প্রধান শিক্ষক প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে জাতীয় স্কুলের স্বীকৃতির জন্য আবেদন করেছেন।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্বাধীনতার পর আজও চলছে এই স্কুলে ব্রিটিশ বিরোধীতা রীতি

আপডেট : ৭ মার্চ ২০২২, সোমবার

বর্ধমান: আজো চলছে ব্রিটিশ বিরোধীতা রীতি। এখনো হয় প্রতি রবিবার ক্লাস। ব্রিটিশ আমলের এই নিয়ম আজ মেনে চলেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের সেই গোপালপুর মুক্তকেশী উচ্চ বিদ্যালয়।

জানা যায় ১৯২৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই স্কুল অনুমোদন পাওয়ার পর ইংরেজি পঠনপাঠন চালু করা হয়। তার আগে ব্রিটিশদের বিরোধিতায় ইংরেজি পড়ানো বন্ধ রাখা হয়।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন “স্কুলটির প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯২২ সালের ৫ জানুয়ারি। স্কুলের জন্য অবিনাশচন্দ্র হালদার ও তাঁর ভাই ভূষণচন্দ্র হালদার জমি দান করেছিলেন। তাঁদের ইচ্ছায় ব্রিটিশদের বিরোধিতায় এই স্কুলে রবিবার ছুটি নেই। পরিবর্তে সোমবার স্কুল ছুটি থাকে।”

স্কুলের শিক্ষক সমীরকুমার ঘোষাল বলেন “চলতি বছরের জানুয়ারিতে শতবর্ষ অতিক্রম করেছে এই বিদ্যালয়। স্কুলের ১০১তম প্রতিষ্ঠা দিবসের পরপর স্কুলের পরিচালন সমিতি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই স্কুলকে জাতীয় স্কুল হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় আবেদন জানানো হবে।”

জানা যায়, এরপর প্রধান শিক্ষক প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে জাতীয় স্কুলের স্বীকৃতির জন্য আবেদন করেছেন।