০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

শীতের মরশুমে ডায়মন্ড হারবারে খেঁজুর গাছের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছি

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২০ জানুয়ারী ২০২২, বৃহস্পতিবার
  • 13

বাইজিদ মন্ডল, ডায়মন্ড হারবার:- হিমেল হাওয়া ও হালকা কুয়াশায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় এখন শীতের আমেজ চলছে। শীত মৌসুমে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার থানার প্রত্যন্ত বাসুল ডাঙ্গা অঞ্চলের মানুষ। শুরু হয়েছে শীতের খেজুর রস আহরণ। এই রস আহরণে গাছিরা এখন যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে।

এই মৌসুমে আবহমান বাংলায় খেজুর রস আহরণ, খেজুর গুড় আর নবান্নের উত্‍সব একটি প্রাচীন ঐতিহ্য। আর খেজুর রসের পিঠা পায়েস বাংলার উপাদেয় খাদ্য তালিকায় এখনও জনপ্রিয়। বাসুল ডাঙ্গা অঞ্চলের গাছি জেনালী মন্ডল জানান বছরজুড়ে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকলেও শীতকালে চাষিদের কাছে খেজুর গাছের কদর বেড়ে যায়। কারণ এই গাছ থেকেই আহরিত হয় সুমিষ্ট রস।
আর এই রস জ্বালিয়ে ঝোলা গুড়, দানা গুড় ও পাটালি তৈরি করা হয়। খেজুরের গুড় থেকে এক সময় বাদামি চিনিও তৈরি করা হত। যার মৌতানো স্বাদ ও ঘ্রাণ সর্ম্পূণ ভিন্ন। খেজুর গাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে-যত বেশি শীত পড়বে তত বেশি মিষ্টি রস দেবে। শীতের সকালে খেজুর রস পান শরীর ও মনে প্রশান্তি এনে দেয়।

খেজুর রস আহরণ আর তার থেকে বিভিন্ন উপাদেয় খাদ্য তৈরি আবহমান বাংলার সংস্কৃতির অনুষঙ্গ। খেজুরের নলেন গুড় ছাড়া শীত মৌসুমের পিঠা খাওয়া জমে না। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার এর কৃষকরা নতুন ধান সংগ্রহের পাশাপাশি খেজুর রস আহরণ শুরু করেছে। ছেজুর গাছের ডগায় বাশের তৈরি বিশেষ নল লাগিয়ে সংগ্রহ করা হয় ফোটায় ফোটায় রস। মাটির হাড়িতে খেজুর রস সংগ্রহ করা হয়। তবে আজকাল প্লাস্টিকের বোতলেও খেজুর রস আহরণ করে চাষিরা। শীতের পুরো মৌসুম জুড়ে চলবে রস, গুড়, পিঠে-পুলি, পায়েস খাওয়ার পালা। এখন নতুন গুড়ের মিষ্টি গন্ধে ধীরে ধীরে আমোদিত হয়ে উঠেছে গ্রাম-বাংলা।

তাড়াতাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শীতের মরশুমে ডায়মন্ড হারবারে খেঁজুর গাছের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছি

আপডেট : ২০ জানুয়ারী ২০২২, বৃহস্পতিবার

বাইজিদ মন্ডল, ডায়মন্ড হারবার:- হিমেল হাওয়া ও হালকা কুয়াশায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় এখন শীতের আমেজ চলছে। শীত মৌসুমে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার থানার প্রত্যন্ত বাসুল ডাঙ্গা অঞ্চলের মানুষ। শুরু হয়েছে শীতের খেজুর রস আহরণ। এই রস আহরণে গাছিরা এখন যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে।

এই মৌসুমে আবহমান বাংলায় খেজুর রস আহরণ, খেজুর গুড় আর নবান্নের উত্‍সব একটি প্রাচীন ঐতিহ্য। আর খেজুর রসের পিঠা পায়েস বাংলার উপাদেয় খাদ্য তালিকায় এখনও জনপ্রিয়। বাসুল ডাঙ্গা অঞ্চলের গাছি জেনালী মন্ডল জানান বছরজুড়ে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকলেও শীতকালে চাষিদের কাছে খেজুর গাছের কদর বেড়ে যায়। কারণ এই গাছ থেকেই আহরিত হয় সুমিষ্ট রস।
আর এই রস জ্বালিয়ে ঝোলা গুড়, দানা গুড় ও পাটালি তৈরি করা হয়। খেজুরের গুড় থেকে এক সময় বাদামি চিনিও তৈরি করা হত। যার মৌতানো স্বাদ ও ঘ্রাণ সর্ম্পূণ ভিন্ন। খেজুর গাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে-যত বেশি শীত পড়বে তত বেশি মিষ্টি রস দেবে। শীতের সকালে খেজুর রস পান শরীর ও মনে প্রশান্তি এনে দেয়।

খেজুর রস আহরণ আর তার থেকে বিভিন্ন উপাদেয় খাদ্য তৈরি আবহমান বাংলার সংস্কৃতির অনুষঙ্গ। খেজুরের নলেন গুড় ছাড়া শীত মৌসুমের পিঠা খাওয়া জমে না। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার এর কৃষকরা নতুন ধান সংগ্রহের পাশাপাশি খেজুর রস আহরণ শুরু করেছে। ছেজুর গাছের ডগায় বাশের তৈরি বিশেষ নল লাগিয়ে সংগ্রহ করা হয় ফোটায় ফোটায় রস। মাটির হাড়িতে খেজুর রস সংগ্রহ করা হয়। তবে আজকাল প্লাস্টিকের বোতলেও খেজুর রস আহরণ করে চাষিরা। শীতের পুরো মৌসুম জুড়ে চলবে রস, গুড়, পিঠে-পুলি, পায়েস খাওয়ার পালা। এখন নতুন গুড়ের মিষ্টি গন্ধে ধীরে ধীরে আমোদিত হয়ে উঠেছে গ্রাম-বাংলা।